Ajker Patrika

ডিআরইউর ঘটনা নিয়ে কামাল আহমেদের ফেসবুক স্ট্যাটাস

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৫, ২৩: ০৮
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ। ফাইল ছবি
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ। ফাইল ছবি

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হাফিজুর রহমান কার্জনকে হেনস্তা করার ঘটনার কঠোর সমালোচনা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ। স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো—

“অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ন্যূনতম প্রত্যাশা ছিল, তারা এমন কিছু করবে না বা হতে দেবে না, যাতে বিগত স্বৈরশাসকের ফ্যাসিবাদী কাজ জনআলোচনা থেকে হারিয়ে যায়। ২০২৪ এর আগের ১৫ বছরে কতগুলো সভা আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী পান্ডারা ভেঙে দিয়েছে তার সঠিক হিসাব মনে রাখা কঠিন। ওই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রবীণ বুদ্ধিজীবী, রাজনৈতিক নেতা, মুক্তিযোদ্ধা (প্রকৌশলী ইনামুল হক কিম্বা সাদেক খানের কথা বলা যায়), সাংবাদিকদের অনেকেই শারীরিক ও মানসিক লাঞ্ছনা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সন্ত্রাস দমন আইন ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কী চরম অপব্যবহার ঘটেছে, তা ভুক্তভোগীরা কখনোই ভুলতে পারবেন না।

স্বৈরাচারের অবসানে ধারণা করা হচ্ছিল, এগুলোর ইতি ঘটেছে। নতুন বন্দোবস্তে আইনের যথাযথ প্রয়োগ দেখা যাবে। যার যে অপরাধ, তাকে সেই অপরাধের জন্য প্রযোজ্য সাজা দেওয়া হবে।

ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির ঘটনায় সেই পুরোনো রীতির কাজকর্ম দেখে বিস্ময়ে বিমূঢ় হতে হয়। লতিফ সিদ্দিকীর অতীত অপরাধের ফিরিস্তি কিম্বা অধ্যাপক কার্জন বা সাংবাদিক পান্নার কথিত ফ্যাসিস্ট তোষণের অভিযোগ তুলে যাঁরা তাদের সভা ভন্ডুল করে দেওয়া এবং সন্ত্রাস দমনে আইনে জেলে পাঠানোর সাফাই দিচ্ছেন, তাঁরা কি অযথাই এদের মজলুমের আসনে বসিয়ে দিচ্ছেন না? তাঁদের বিরুদ্ধে যেসব অপরাধের অভিযোগ তুলছেন সেগুলোর বিচারে গত এক বছরে কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি-এ প্রশ্ন তো আপনাদের আরো আগেই সরকারের কাছে করার কথা ছিল।

তাঁদের সভা কি আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে যে নিষেধাজ্ঞা আছে তার মধ্যে পড়ে? তাহলে নাহয় পুলিশ ডেকে সেই কার্যক্রম বন্ধ করা যৌক্তিক হতো। না হলে মুক্ত নাগরিক হিসাবে সবারই সরকারের পক্ষে-বিপক্ষে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে। সেই স্বাধীনতা হরণ করে শুধু খারাপ দৃষ্টান্তই তৈরি করা হলো, তা নয়; বরং ১৫ বছরের অপকর্মের আলোচনাকে ঠেলে পেছনে পাঠানো হলো।

প্রকাশ্য আলোচনা সভায় অংশ নেওয়া বা বক্তব্য রাখাকে সন্ত্রাস হিসাবে গণ্য করাও কিন্তু অতীতেরই পুনরাবৃত্তি। জামাত-শিবিরের ঘরোয়া বৈঠক থেকে গ্রেপ্তার করে এভাবেই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অতীতে মামলা দেওয়ার কথা আমরা জানি। তাহলে কি পুরোনো বন্দোবস্তই বহাল রইল?”

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

ভারতে ইসলাম থাকবে, মানিয়ে নিতে শিখুন: আরএসএস প্রধান

সকালে তাল কুড়াতে গিয়ে নিখোঁজ, দুপুরে মাটি খুঁড়ে মিলল নারীর গলাকাটা লাশ

কাকরাইলে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের দফায় দফায় সংঘর্ষ, নুরসহ আহত অনেকে

মামলায় ‘অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র ও প্ররোচনার’ অভিযোগ লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে

বড়াইগ্রামে ৫ কেজি গাঁজাসহ আটকের পর ৫০ গ্রাম দিয়ে মামলা

এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত