
নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিরোধী দলীয় কর্মী-সমর্থক, তাদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলা-অগ্নিসংযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। আজ শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এই প্রতিবাদ জানান।
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কারচুপি ও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্নবিদ্ধভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একটি অস্থিতিশীল ও ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করেছে বিএনপির নেতা–কর্মীরা। ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, বাগেরহাট, রংপুর, পঞ্চগড়, দিনাজপুর, ফেনী, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জনপদে ছাত্রশিবিরের নেতা–কর্মীসহ ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর নৃশংস হামলা চালানো হচ্ছে। সহিংসতায় এখন পর্যন্ত প্রায় শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বিএনপির ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীরা বিভিন্ন স্থানে ঘরবাড়ি ও দোকানপাটে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও হুমকি-ধমকি অব্যাহত রেখেছে। কোথাও কোথাও মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা ও লুটপাট চালানো হচ্ছে। এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও ভিন্নমতের সাধারণ শিক্ষার্থীদের “দেখে নেওয়ার” হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যা একটি গণতান্ত্রিক সমাজে কোনোভাবেই কাম্য নয়।’
বিবৃতিতে রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতা ও নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে বলা হয়, ‘আমরা আশা করি, নবনির্বাচিত প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবেন। নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় অবিলম্বে সংঘাতের রাজনীতি বন্ধ করে সকল নাগরিকের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আপনাদের নৈতিক ও আবশ্যিক দায়িত্ব। অত্যন্ত দুঃখজনক যে, অনেক স্থানে প্রকাশ্য দিবালোকে হামলা চললেও প্রশাসন নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে। সাধারণ নাগরিকদের ওপর এমন সহিংসতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’
বিবৃতিতে হুঁশিয়ারি দিয়ে ছাত্রশিবিরের দুই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘যদি অবিলম্বে এই তাণ্ডব বন্ধ করা না হয়, তবে ছাত্রশিবির ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলবে। জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী বহুল কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনের পরে এ ধরনের সন্ত্রাসবাদ, মাফিয়াতন্ত্র বা দখলদারিত্ব কোনোভাবেই কাম্য নয়।’ তাঁরা অবিলম্বে সব ধরনের সহিংসতা বন্ধ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে অন্তর্বর্তী সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান। পাশাপাশি বিএনপির প্রতি দলীয়ভাবে এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলের যৌথ আগ্রাসন, মধ্যপ্রাচ্যব্যাপী যুদ্ধ ও গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটির নেতারা বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের দস্যুতা গোটা পৃথিবীকে নতুন করে এক মহাযুদ্ধের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
এবারের নির্বাচনে শুধু জাতীয় পার্টি বাদে সব দল ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল। শুধু জাতীয় পার্টিই একক দল হিসেবে ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে। তাই যুক্তিসংগতভাবে বলা যায়, ‘না’ ভোটের পক্ষের অধিকাংশ ভোটই জাতীয় পার্টির, তথা লাঙ্গলের...
১০ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন ও স্বীকৃত আইনি কাঠামোর তোয়াক্কা না করে জাতীয় নেতা ও রাষ্ট্রপ্রধানদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে হত্যার যে প্রবণতা ক্রমেই...
১০ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ‘ইসরায়েল ইরানকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে কেন? তাদের শক্তির উৎস কোথায়? কোথা থেকে তারা মদদ পায়? সারা বিশ্বের মানুষ জানে। তাদের আক্রমণের মাধ্যমে মনে হয় সেই আদিম যুগের সেই কথা—‘জোর যার মুল্লুক তার’। এখন এটা আদিম যুগ না। জোর যার মুল্লুক বলে আপনি
১২ ঘণ্টা আগে