
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর চরমোনাই) বলেছেন, ‘তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে নিত্যপণ্যের দাম, যোগাযোগ খরচসহ জীবনযাত্রার প্রতিটি কাজ জড়িত। তেলের দাম বৃদ্ধি হলে সকল কিছুর দাম বাড়ে। যার প্রভাব সরাসরি নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ওপরে পড়বে এবং জীবনযাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে।’ এই সংকট মোকাবিলায় সরকারকে বিকল্প উপায় খুঁজে বের করার আহ্বান জানান তিনি।
আজ রোববার এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান ইসলামী আন্দোলনের এ নেতা।
পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ পীর চরমোনাই বলেন, ‘তেলের দাম লিটার প্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। প্রথমত, লিটার প্রতি একসঙ্গে ১৫-২০ টাকা বৃদ্ধি সকল ক্ষেত্রে অনেক বড় চাপ তৈরি করবে। দ্বিতীয়ত, একদল অসাধু ব্যবসায়ী এর অপব্যবহার করে আনুপাতিক হারে অনেক বেশি মূল্যবৃদ্ধি করে জনজীবনকে আরও কঠিন করে তুলবে। আমাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা বলে, সরকারের তদারকি ও দক্ষতার অভাবে অসৎ ব্যবসায়ীরা তাদের অপকর্মে সফলতাও পাবে।’
সরকারকে আহ্বান জানিয়ে ইসলামী আন্দোলনের এ নেতা বলেন, ‘সরকারকে বলব, প্রশাসনের সকল শক্তি ব্যবহার করে প্রতিটি ক্ষেত্রে নজরদারি করুন। তদারকি করুন। কেউ যেন তেলের মূল্যবৃদ্ধির অসৎ ব্যবহার করতে না পারে।’

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোনো আপস করবে না। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে কোনো আপস করেননি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন।...
৮ ঘণ্টা আগে
আমি সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ ইন সম্পর্কিত একটি বিশেষ আলোচনা করার প্রস্তাবে নোটিশ দিয়েছিলাম। সংসদের মুলতবি শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাকে জানানো হয়– আজকে রবিবার এই বিষয়টি আলোচনা করার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে