
জাতীয় পার্টির (জাপা) রওশনপন্থী অংশের মহাসচিব কাজী মামুনুর রশীদকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের মামলা রয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম।
তিনি জানান, গতকাল রোববার দিবাগত রাতে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনের সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের মামলা রয়েছে।
এর আগে গত বছরের ৪ নভেম্বর ধর্ষণ মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। তিনি আদালত থেকে জামিনে মুক্ত ছিলেন।
উল্লেখ্য, জাতীয় পার্টির এখন তিনটি অংশ। একটি অংশের চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, আরেক অংশের চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার। অপর অংশের চেয়ারম্যান জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সহধর্মিণী রওশন এরশাদ ও মহাসচিব কাজী মামুনুর রশীদ।
এরই মধ্যে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছে। এর মধ্যে তিন খণ্ডে বিভক্ত এই দল নির্বাচনী প্রতীক লাঙ্গল নিয়ে টানাটানি শুরু করেছে।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশ ও জনগণের স্বার্থে জামায়াত কোনো আপস করবে না। আমাদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ হাসিমুখে ফাঁসির কাষ্ঠে জীবন দিয়েছেন। কিন্তু পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে কোনো আপস করেননি। দেশ ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বেনজীরকে আটক দেশের পুলিশের কৃতিত্ব নয়, এটা ইন্টারপোলের কৃতিত্ব। তার বিরুদ্ধে রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকার জারি করে নাই। তবে বেনজীর আটক বাংলাদেশের একটা অর্জন।...
১৮ ঘণ্টা আগে
আমি সীমান্ত হত্যাকাণ্ড এবং পুশ ইন সম্পর্কিত একটি বিশেষ আলোচনা করার প্রস্তাবে নোটিশ দিয়েছিলাম। সংসদের মুলতবি শাখা থেকে চিঠি দিয়ে আমাকে জানানো হয়– আজকে রবিবার এই বিষয়টি আলোচনা করার জন্য গৃহীত হয়েছে এবং এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে।
১ দিন আগে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।
১ দিন আগে