ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, এই জমিনে তাঁর ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, গত ৫ আগস্টের পর কীভাবে বাংলাদেশের সব জায়গায় চাঁদাবাজি, মামলা-বাণিজ্য, টাকা না দিলে মামলায় ঢুকাইয়া দেওয়ার বিরুদ্ধে আমি রুমিন ফারহানা দলে থাকা অবস্থায় কথা বলেছিলাম। এই সত্য কথা পছন্দ হয় নাই।’
আজ সোমবার সন্ধ্যায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সরাইল উপজেলার অরুয়াইল ও পাকশিমুল ইউনিয়নে নির্বাচনী গণসংযোগ চলাকালে এসব কথা বলেন রুমিন ফারহানা।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বিরোধী দলে থাকলে সত্য কথা মিঠা লাগে আর সরকারে থাকলে সত্য কথা তিতা লাগে। আমার কাজ সত্য বলা, আমি সত্যই বলে যাব। এক বছর আগে চাঁদাবাজি ও মামলা-বাণিজ্য, বালু ব্যবসা, মাটি ভরাট, দোকান দখল নিয়ে কথা বলেছিলাম, তখন আমাকে বলা হয়েছে—এ রকম বললে চলবে না।’
এ সময় নিজের সঙ্গে থাকা কর্মী ও জনগণের উদ্দেশে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘মার্কা আমার যেটাই হোক, আপনারা আছেন তো? তাহলে আল্লাহর ওপর ভরসা করে বলি, এই জমিনে রুমিন ফারহানার ভয় পাওয়ার কিচ্ছু নেই। আগামী নির্বাচন হবে সত্যের পক্ষে, সাহসের পক্ষে।’
এলাকাবাসীর উদ্দেশে সাবেক এই বিএনপি নেত্রী বলেন, ‘সরাইল-আশুগঞ্জের রাস্তাঘাটের এত দুর্দশা চিন্তা করা যায় না। আমি এই এলাকার চেহারা পাল্টে দেব।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। এই আসনে বিএনপির জোটের প্রার্থী হিসেবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহসভাপতি জুনায়েদ আল হাবিবকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মনোনয়ন না পেয়ে রুমিন ফারহানা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এই আসনে দাঁড়িয়েছেন। গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন বাচাই করে রুমিন ফারহানার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় গত ৩০ ডিসেম্বর রুমিন ফারহানাকে বহিষ্কার করে বিএনপি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, এই জমিনে তাঁর ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, গত ৫ আগস্টের পর কীভাবে বাংলাদেশের সব জায়গায় চাঁদাবাজি, মামলা-বাণিজ্য, টাকা না দিলে মামলায় ঢুকাইয়া দেওয়ার বিরুদ্ধে আমি রুমিন ফারহানা দলে থাকা অবস্থায় কথা বলেছিলাম। এই সত্য কথা পছন্দ হয় নাই।’
আজ সোমবার সন্ধ্যায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সরাইল উপজেলার অরুয়াইল ও পাকশিমুল ইউনিয়নে নির্বাচনী গণসংযোগ চলাকালে এসব কথা বলেন রুমিন ফারহানা।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বিরোধী দলে থাকলে সত্য কথা মিঠা লাগে আর সরকারে থাকলে সত্য কথা তিতা লাগে। আমার কাজ সত্য বলা, আমি সত্যই বলে যাব। এক বছর আগে চাঁদাবাজি ও মামলা-বাণিজ্য, বালু ব্যবসা, মাটি ভরাট, দোকান দখল নিয়ে কথা বলেছিলাম, তখন আমাকে বলা হয়েছে—এ রকম বললে চলবে না।’
এ সময় নিজের সঙ্গে থাকা কর্মী ও জনগণের উদ্দেশে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘মার্কা আমার যেটাই হোক, আপনারা আছেন তো? তাহলে আল্লাহর ওপর ভরসা করে বলি, এই জমিনে রুমিন ফারহানার ভয় পাওয়ার কিচ্ছু নেই। আগামী নির্বাচন হবে সত্যের পক্ষে, সাহসের পক্ষে।’
এলাকাবাসীর উদ্দেশে সাবেক এই বিএনপি নেত্রী বলেন, ‘সরাইল-আশুগঞ্জের রাস্তাঘাটের এত দুর্দশা চিন্তা করা যায় না। আমি এই এলাকার চেহারা পাল্টে দেব।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। এই আসনে বিএনপির জোটের প্রার্থী হিসেবে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহসভাপতি জুনায়েদ আল হাবিবকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মনোনয়ন না পেয়ে রুমিন ফারহানা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এই আসনে দাঁড়িয়েছেন। গত শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন বাচাই করে রুমিন ফারহানার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় গত ৩০ ডিসেম্বর রুমিন ফারহানাকে বহিষ্কার করে বিএনপি।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
৮ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৮ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৮ ঘণ্টা আগে