Ajker Patrika

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অশ্লীল স্লোগান: দায় কার?

ড. এম আবদুল আলীম 
ইদানীং কারও কারও বাড়ির সামনে মব সৃষ্টি করে অশ্লীল স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। ইলাস্ট্রেশন: এআই
ইদানীং কারও কারও বাড়ির সামনে মব সৃষ্টি করে অশ্লীল স্লোগান দেওয়া হচ্ছে। ইলাস্ট্রেশন: এআই

সাম্প্রতিক সময়ে একটি বিষয় খুব আলোচিত হচ্ছে। সেটি হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং ‘ছাত্র-জনতা’র অশ্লীল স্লোগান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, চায়ের আড্ডায় এবং পত্রপত্রিকার পাতায় অনেককেই এ নিয়ে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করতে দেখা যাচ্ছে। আমি নিজেও আমার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। এককথায়, আমরা সমবেত স্বরে আওয়াজ তুলেছি, গেল গেল দেশটা রসাতলে গেল! কিন্তু দায় কার? দায় কি কেবল প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ক্ষোভে-জিঘাংসায় রাজপথে নেমে আসা একদল শিক্ষার্থী কিংবা ‘ছাত্র-জনতার’? নাকি আমাদের সবার? বাহ্যত বিষয়টি সরল মনে হলেও, বাস্তবে পাটিগণিতের সরল অঙ্কের মতো জটিল।

প্রথমেই ‘অশ্লীলতা’ শব্দটি সম্পর্কে পণ্ডিতদের শরণাপন্ন হওয়া যাক। বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধানে ‘অশ্লীল’ শব্দের অর্থ পাওয়া যায় কয়েকটি; যেমন—অশালীন, অশিষ্ট, কুরুচিপূর্ণ, কুৎসিত ও জঘন্য। অশ্লীল থেকেই এসেছে অশ্লীলতা শব্দটি, যার জুতসই ইংরেজি ‘ভালগারিজম’। এআই পণ্ডিতের কাছে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে, স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ‘ভালগারিজম’ বা ‘ভালগারিটি’ ‘অশ্লীলতা’ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা সমাজে সাধারণত আপত্তিকর, নোংরা বা অশ্লীল বলে বিবেচিত হয়। এটি সামাজিক রীতিনীতি বা শালীনতার পরিপন্থী যেকোনো বিষয়কে বোঝাতে পারে, যেমন আপত্তিকর ভাষা, অনুপযুক্ত আচরণ বা যৌনতাপূর্ণ বিষয়বস্তু।

এবার দেখা যাক, এ বিষয়ে ধর্মশাস্ত্র ও সমাজবিজ্ঞানীদের বক্তব্য কী। পবিত্র কোরআনের সুরা আন-নূরের ১৯ নম্বর আয়াতে যা বলা হয়েছে, তার মর্মকথা হলো, যারা অশ্লীলতা ছড়ায়, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের জন্য রয়েছে ভয়াবহ শাস্তি। এ ছাড়া অনেক সুরা ও হাদিসে অশ্লীলতা সম্পর্কে কঠিন শাস্তির কথা বলা হয়েছে। ভগবদ্‌গীতায় বলা হয়েছে, যদি তুমি অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করো, তাহলে তুমি সাধুও নয়, শিষ্য বা অনুসারী তৈরির যোগ্যও নয়। বাইবেলে অশ্লীলতাকে স্পষ্টভাবে নিন্দা করে একে নিষিদ্ধ, অনৈতিক ও পাপপূর্ণ কাজ বলে গণ্য করা হয়েছে। সমাজবিজ্ঞানীরা অশ্লীলতাকে একটি সামাজিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে বলেছেন, এর দ্বারা ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে এবং সমাজের সুস্থ বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। রাষ্ট্রীয় আইনেও অশ্লীলতা সম্পর্কে দণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের দণ্ডবিধির ২৯২-২৯৩ ধারায় বলা হয়েছে—অশ্লীল প্রকাশনা প্রকাশ, প্রচার, বিক্রি, আমদানি ইত্যাদি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এর শাস্তির মেয়াদ তিন মাসের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ডও হতে পারে।

এবার আসা যাক, দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীদের অশ্লীল স্লোগান সম্পর্কে। আন্দোলন-সংগ্রাম এবং প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে স্লোগান নতুন কিছু নয়। সব কালে, সব দেশেই প্রতিবাদী মানুষের কণ্ঠে নতুন নতুন স্লোগান ব্যবহৃত হয়েছে। সেসব নিয়ে ‘স্লোগানে স্লোগানে রাজনীতি’ নামে বইও রচিত হয়েছে। সেসব স্লোগানে ধর্মীয় আদর্শ, রাজনৈতিক বিশ্বাস ও চিন্তার প্রতিফলন ঘটেছে। স্লোগানের সূত্র ধরেই আন্দোলন-সংগ্রাম ও বিপ্লবের আগুন স্ফুলিঙ্গ থেকে দাবানলের রূপ ধারণ করে এক মানুষ থেকে কোটি মানুষের কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছে।

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভের প্রকাশ ঘটাতে অশ্লীল স্লোগান তুলছে। নানা সময় অশ্লীল স্লোগান শোনা গেলেও এটি আলোচনায় আসে ঢাকার রাজপথে প্রকাশ্যে পাথর মেরে এক ব্যক্তিকে হত্যার পর। তখন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা স্লোগান তোলে - ‘এক দুই তিন চার, অমুকের ...।’ গত সোমবার একজন রাজনীতিবিদের বাসার সামনে কিছুসংখ্যক ‘ছাত্র-জনতার’ সঙ্গে এক যুবতী একটি প্ল্যাকার্ড নিয়ে বসে আছে, তাতে লেখা আছে, ‘গাছের আগায় কাউয়া, অমুক ...।’ যুবতীটি কেবল এমন স্লোগানসংবলিত লিখিত প্ল্যাকার্ডই বহন করছে না, মাঝে মাঝে তা স্লোগানেও ব্যবহার করছে।

একটি গাছ যেমন এক দিনে ডালপালা গজিয়ে আকাশের বুকে শাখা-প্রশাখা মেলে দেয় না, একটি দেশেও তেমনি অবক্ষয়ের বিষবৃক্ষ এক দিনে মহিরুহে পরিণত হয় না। পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র অবক্ষয়ের বীজ বপন করে দীর্ঘ সময় ধরে লালনপালন ও পরিচর্যা করে তাকে মহিরুহে পরিণত করে। বিশ্ববিদ্যালয়ে যে শিক্ষার্থীরা পড়ে তারা কারা? তারা কি মাটি ফুঁড়ে হঠাৎ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙিনায় আবির্ভূত হয়েছে? নাকি কারও জাদুর কাঠির ছোঁয়ায় আকাশ থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে নেমে এসেছে। না, তারা পরিবারে জন্মে, সমাজে বেড়ে ওঠে, অনেক শিক্ষায়তনের গণ্ডি পার হয়ে কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার বৈতরণি পার হয়ে মেধার চূড়ান্ত স্বাক্ষর রেখে তারপরই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। সংগত কারণেই প্রশ্ন আসে, এই মেধাবী সন্তানদের মুখে অশ্লীল স্লোগান এল কী করে? এককথায় উত্তর, আমরা সবাই সম্মিলিতভাবে তাদের মুখে এই স্লোগান তুলে দিয়েছি। তাই দায় কেবল তাদের নয়, আমাদের সবার। আমরা দীর্ঘদিন ধরে পরিবারে, সমাজে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, ওয়াজ মাহফিলে, মসজিদ-মন্দিরের ধর্মীয় আলোচনায়, ইউটিউব-ফেসবুকসহ নানা সামাজিক মাধ্যমে, রেডিও-টেলিভিশনের টক শো, নাটক-সিনেমায়, সংবাদপত্রের পাতায়, সাহিত্য-সংস্কৃতির আড্ডায়, সংসদ অধিবেশন থেকে বড় বড় জনসভা, সংবাদ সম্মেলন থেকে বিশ্ব মিডিয়ার সাক্ষাৎকার; সর্বত্র যে বিষবৃক্ষের বীজ আমরা বপন করেছি, তা অঙ্কুরিত হয়ে ক্রমে ডালপালা ছড়িয়ে মহিরুহে পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ এক পক্ষ আরেক পক্ষকে ঘায়েল করতে যে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য, বিষোদ্গার ও অশ্লীলতা আমরা বছরের পর বছর ছড়িয়ে চলেছি, তা-ই নতুন প্রজন্মের মাঝে সঞ্চারিত হয়ে তাদের প্রতিবাদের ভাষায় অশ্লীল স্লোগান রূপে স্থান পেয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অশ্লীল স্লোগানের প্রথম দায় পরিবারের, তারপর সমাজ-রাষ্ট্র ও অন্যদের। একসময় যৌথ পরিবারে পিতা-মাতা, দাদা-দাদি, নানা-নানি, চাচা-চাচি, মামা-মামি, খালা-খালু—সবার স্নেহ-মায়া, আদর-ভালোবাসায় শিশুরা বেড়ে উঠত। পরিবারের বয়স্ক সদস্যরা গল্প-আড্ডা, হাসিঠাট্টায় শিশুদের আনন্দ দিয়ে আদব-কায়দাসহ নানা নীতিনৈতিকতা ও মূল্যবোধ শেখাত। আর্থসামাজিক-কালিক বাস্তবতায় যৌথ পরিবার ভেঙে গেছে। একক পরিবারের পিতা-মাতারা কর্মের চাপে সন্তানদের তেমন সময় দিতে পারেন না। কাজের অবসরে যতটুকু সময় পান অনেক পিতা-মাতা কলহ-বিবাদে মত্ত থাকেন; আর পরিবারের অপরাপর সদস্যদের গিবত-নিন্দা করে শিশুর মনে তাদের সম্পর্কে বিরূপ ধারণা দিয়েই বড় করেন। অধিকাংশ মায়ের কাছে শিশুরা পিতার কুল সম্পর্কে নেতিবাচক কথাবার্তা শুনতে শুনতে বড় হয়। পরিবারের পর আসে সমাজ। গ্রামে-শহরে এখন খেলার মাঠগুলো প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। সুস্থ বিনোদনের ক্লাব নেই বললেই চলে। রাস্তার ধারে, গলির মোড়ে, দোকানের বেঞ্চিতে কিংবা চায়ের স্টলে বসে একজন কিশোর পরনিন্দা-গিবত, অশ্লীল বাক্যালাপ ব্যতীত শিক্ষণীয় কিছু পায় না। সমাজপতিরা আধিপত্য বিস্তারের স্নায়ুযুদ্ধ কিংবা প্রকাশ্য সংঘাতে সমাজকে বিষিয়ে তোলেন। সময় সময় কিশোর-যুবকদের এগুলোতে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন। স্কুলে ভর্তি করেই মায়েরা শেখায় সহপাঠীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার অসুস্থ লড়াই। পরস্পরের প্রতি হিংসা-দ্বেষ এভাবেই ছড়ায়। শিক্ষকেরা প্রাইভেট শিকারের নেশায় ক্লাসে, ক্লাসের বাইরে সুযোগ পেলেই সহকর্মীদের পিণ্ডি চটকায়। এক শিক্ষক আরেক শিক্ষকের প্রাইভেটের ছাত্রের সঙ্গে যে আচরণ করে, তাতে শিক্ষকতা পেশার মহানুভবতার লেশমাত্র থাকে না। এ চিত্র কেজি কিংবা প্রাইমারি স্কুল থেকে সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বিশ্ববিদ্যালয়েও চোখে পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাইভেট পড়ানোর ব্যাপার নেই বটে, তবে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে পরস্পরের কাদা-ছোড়াছুড়ি নোংরামির চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতি-সহমর্মিতা বৃদ্ধির পরিবর্তে ছড়ায় হিংসা-ক্রোধের বিষ। ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে, তবে তা সীমিত।

ওয়াজ মাহফিলগুলোতে ভিন্নমত, ভিন্ন ধর্ম সম্পর্কে কী পরিমাণ বিষোদ্গার করা হয়, তার প্রমাণ ইউটিউবগুলোতে প্রতিনিয়ত দেখা যায়। সাহিত্য-সংস্কৃতির আড্ডা এবং অনুষ্ঠানগুলোতে আজকাল প্রায়ই দেখা যায় নিন্দা-গিবতের উল্লম্ফন। ইউটিউবের ইনফ্লুয়েন্সাররা ভিউ বাড়ানোর জন্য অশ্লীলতাকেই প্রধান অবলম্বন করে। সমাজের যাঁদের আলো ছড়ানোর কথা, সেই চিন্তাশীলদের বড় অংশ নিজের মত, আদর্শ ও পাণ্ডিত্যের অহমিকা প্রকাশ করতে গিয়ে অন্য মত, আদর্শ ও ব্যক্তি সম্পর্কে বিষোদ্গার করেন এবং তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে বক্তব্য দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেসব বক্তব্য রীতিমতো ভাইরাল হয়। ফেসবুকের পাতায় ভেসে আসা মানুষের কথাগুলোয় তো বেশির ভাগই থাকে বিষ, ক্রোধ আর অপরকে ঘায়েল করার মন্ত্রে ভরা। টিকটকের ভিডিওর মাধ্যমে অশ্লীলতা সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়াচ্ছে। নাটক-সিনেমাগুলো পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে বসে দেখা যায় না। সংসদে দাঁড়িয়ে রাজনীতিবিদেরা এক দল আরেক দল সম্পর্কে যে বক্তব্য দেন, তার বেশির ভাগই থাকে বিষে ভরা। সময় সময় তা অশ্লীলতার চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছায়। টক শোগুলোতেও দেখা যায় একই চিত্র। প্রচারমাধ্যমগুলোও এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অশ্লীল স্লোগানের জন্য কি এককভাবে দায়ী? এ প্রশ্নের উত্তর আমাদের সবাইকেই খুঁজতে হবে। কেবল তা-ই নয়, দায়ও নিতে হবে।

এ থেকে উত্তরণের কার্যকর উপায় বের করতে হবে। প্রথম দায়িত্ব পরিবারকে নিতে হবে। তারপর সমাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্র সবার দায়। ধর্মীয় বক্তা, রাজনীতিবিদ, শিক্ষক, কবি-সাহিত্যিক-চিন্তাশীল ব্যক্তি সবাইকে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য আর সুরুচির বিস্তার ঘটাতে হবে।

নিজ মতের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে ভিন্নমতকে শ্রদ্ধা করতে হবে। শিক্ষার্থীদের বাণিজ্য-মানবিক-বিজ্ঞান-প্রযুক্তির শিক্ষার সঙ্গে নৈতিক শিক্ষা ও ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা দিতে হবে। ধর্ম, সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি সব ক্ষেত্রে যুগ যুগ ধরে চলে আসা মূল্যবোধগুলো সমুন্নত রাখতে হবে। সর্বোপরি আপনি আচরি বচন অপরকে তথা নতুন প্রজন্মকে শেখাতে হবে।

লেখক:- অধ্যাপক, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

লতিফ সিদ্দিকী, ঢাবি অধ্যাপক কার্জনসহ ডিবি হেফাজতে ১৫ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার

পুলিশের ওপর ৪ দফা হামলা, গাজীপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসীকে ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

বড় ভাইসহ ডিবি হেফাজতে থাকা সবার সসম্মানে মুক্তি চাই: কাদের সিদ্দিকী

‘গ্রেপ্তার জাসদ নেতাকে থানায় সমাদর’, ওসিসহ তিন কর্মকর্তা প্রত্যাহার

এবার কাকে বিয়ে করলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা শেখা মাহরা

এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত