
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর থেকেই বিশ্ব পরিমণ্ডলে যুক্তরাষ্ট্র একক পরাশক্তির অবস্থান ধরে রেখেছিল। কিন্তু ভ্লাদিমির পুতিনের নেতৃত্বে রাশিয়ার হৃত গৌরব ফিরে পেতে গা-ঝাড়া দেওয়ার চেষ্টা, চীনের উত্থান এবং বাণিজ্যিক-আঞ্চলিক হিসাব-নিকাশ ক্রমেই যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র আধিপত্যকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র তার দীর্ঘদিনের একক আধিপত্য ধরে রাখার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তাদের নানা চালবাজির ঘটনা ঘটিয়েছে। সম্প্রতি তার একক আধিপত্য প্রশ্নের মুখে পড়ার জ্বলজ্বলে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায়, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান আগ্রাসনকে। সামরিক পরাক্রমে বিশ্বের এক নম্বর হওয়া সত্ত্বেও ইরানের ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠীকে উৎখাত বা তাদের প্রতিরোধ গুঁড়িয়ে দিয়ে হরমুজ প্রণালি মুক্ত করতে গিয়ে গলদঘর্ম অবস্থা হয়েছে দেশটির।
ইরানের সঙ্গে সংঘাতে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোকেও পাশে পাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি ইউরোপের অনেক দেশও যুক্তরাষ্ট্র থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে এই সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি প্রবাহের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র ইরানের ভূখণ্ডসংলগ্ন হরমুজ প্রণালি। নিঃসন্দেহে বলা যায়, বিশ্বজুড়ে আমজনতার কাছেও কমবেশি পরিচিত হয়ে উঠেছে এই জলপথটির নাম। আঞ্চলিক শক্তি হলেও সামরিক শক্তির বিচারে হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের আশপাশেও ভিড়তে পারবে না ইরান। সে বিষয়ে তারা নিজেরাও সচেতন। তাই ইরান সরাসরি লড়াইয়ের ওপর মূল নজর না দিয়ে বহুমাত্রিক চাপের কৌশল গ্রহণ করেছে। বৈশ্বিক অর্থনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি জ্বালানি আর মধ্যপ্রাচ্য হচ্ছে তার অন্যতম প্রধান উৎস। হরমুজ প্রণালি দিয়ে অতিক্রম করে বৈশ্বিক জ্বালানির ২০ শতাংশ। ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি রুদ্ধ করে দিয়ে জ্বালানির সরবরাহ এবং বাজারব্যবস্থার একটি বড় অংশের ওপর আপাতত হলেও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে।
একবিংশ শতাব্দীতে যুদ্ধ কেবল ধ্বংসাত্মক অস্ত্রের কার্যকারিতার পাল্লা নয়, তার মধ্যে আছে বাণিজ্য তথা ও সরবরাহব্যবস্থা। এমনকি সাইবার জগতের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লড়াইও। তাই ইরানের হরমুজের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার কৌশল বৈশ্বিক অর্থনীতিকে বড় সংকটের মুখে ফেলেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মতো দুই মহা সামরিক ক্ষমতাধর রাষ্ট্র এত দিনের শক্তি প্রয়োগের পরও এই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটাতে পারছে না।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের বর্তমান পরিস্থিতিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা অসম যুদ্ধের এক নতুন রূপ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। নিছক ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোন দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ঠেকিয়ে রাখা যাবে না জেনে বিভিন্ন ফ্রন্টে লড়াই চালাচ্ছে ইরান। প্রচারণা তার একটি। স্কুলে মার্কিন হামলার মতো ঘটনাকে সাফল্যের সঙ্গে প্রচার করে ইরান বিশ্বজুড়ে একধরনের সহানুভূতি পেয়েছে। ট্রাম্প এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীকে বিদ্রূপ করে এআই দিয়ে বানানো ভিডিও দিয়েও প্রচারণা চালাচ্ছে তেহরান। চলছে দুই পক্ষের তথ্যযুদ্ধ।
সমস্যার বিষয় হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের প্রভাব পড়ছে সারা বিশ্বের ওপরই। জ্বালানি তেলের দাম দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে শত ডলারের ঘর অতিক্রম করেছে। জ্বালানির দামের সঙ্গে উৎপাদন, পরিবহন ইত্যাদির ব্যয় সরাসরি যুক্ত বলে মানুষের জীবনযাত্রায় বড় প্রভাব ফেলছে তা। বিশেষ করে যেসব দেশ নিজেরা জ্বালানি উৎপাদনে সক্ষম নয়, তাদের জন্য এই পরিস্থিতি ভয়াবহ সংকট তৈরি করেছে। এ সংকট কবে কাটবে, তা স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। সবাই মনে করছেন কিছুদিনের মধ্যেই সরবরাহব্যবস্থা পুনরুদ্ধার হলেও বৈশ্বিক অর্থনীতি আগের অবস্থায় ফিরতে দীর্ঘ সময় লাগবে। দেশে দেশে জ্বালানির মজুত কমে যাচ্ছে, সরকারি ভর্তুকি বেড়েছে এবং রাষ্ট্রীয় আয়-ব্যয়ে চাপ তৈরি হয়েছে। এই ধাক্কার জেরে বিশ্ব অর্থনীতি মন্দার দিকে এগোতে পারে বলে আইএমএফ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
সাময়িক যুদ্ধবিরতি হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষই দৃশ্যত নিজেদের দাবি নিয়ে অনড় অবস্থায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণের সম্ভাবনার কথা বলেছে। অন্যদিকে ইরান জানিয়ে দিয়েছে, এর জবাব হবে ভয়াবহ। এখন যদি আবার দুই পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষ শুরু হয়, তাহলে তার পরিসর আরও বেড়ে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের অন্তত কেউ কেউ হরমুজে অবাধ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে মার্কিন তৎপরতায় শামিল হতে পারে। যদিও তাদের অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাজ্য বলেছে, তারা হরমুজে সম্ভাব্য মাইন অপসারণের কাজ করলেও ইরানের সঙ্গে সংঘাতমূলক কাজে যুক্ত হবে না।
যুক্তরাষ্ট্র মরিয়া হয়ে জ্বালানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে ইরানের খারগ দ্বীপের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থল ও নৌ অভিযান শুরু করতে পারে। ইরানও এর জবাব না দিয়ে ছাড়বে না। এমন পরিস্থিতি উভয় পক্ষের জন্যই বিপর্যয়কর হবে। কারণ, তা ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংস ডেকে আনবে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চলতি সংকটের আরেকটি দিক হলো বৈশ্বিক আস্থার ভাঙন। দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি যে কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে ছিল, তা মূলত একটি নির্দিষ্ট মুদ্রার (মার্কিন ডলার) ওপর আস্থার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছিল।
কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই আস্থায় ফাটল ধরেছে। বিভিন্ন দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ জব্দের ঘটনা এবং একতরফা অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত বিশ্বকে বিকল্প ব্যবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ডলারের ওপর এই আস্থার সংকট দীর্ঘ মেয়াদে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সংগত কারণেই এই বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাব থেকে বাংলাদেশও মুক্ত থাকবে না এবং থাকেনি।
বাংলাদেশ জ্বালানির ক্ষেত্রে প্রায় সম্পূর্ণভাবে বাইরের ওপর নির্ভরশীল। ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এ দেশের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা সৃষ্টি করতে পারে। বাংলাদেশের এই দুর্বলতার প্রভাব ইতিমধ্যেই স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। তাই নীতিনির্ধারকদের কৌশলগত চিন্তাভাবনায় অর্থনীতি তথা রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে। আমাদের জন্য উদ্বেগের বিষয় হলো, বিগত সময়ে রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণে সাধারণ মানুষের চেয়ে সীমিত সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর স্বার্থরক্ষাতেই বেশি মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রের উন্নয়ন ভাবনা ও কাঠামো প্রায় কখনোই দেশ ও জনগণের প্রকৃত প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়নি। দেশকে তার খেসারত দিয়ে যেতে হচ্ছে। এ কারণে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দৃষ্টিভঙ্গিগত পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরি।
বিশ্ব এখন এমন এক অনিশ্চিত সময়ের মধ্যে প্রবেশ করেছে, যেখানে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ঝুঁকি একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। আমাদের বৈশ্বিক অস্থিরতার ঢেউ সামলানোর সক্ষমতা বাড়াতে হবে। কেবল কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা নয়, অভ্যন্তরীণ সম্পদের যথাযথ ব্যবস্থাপনা ও জনকল্যাণভিত্তিক নীতি গ্রহণও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য বৈদেশিক মুদ্রার সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যনির্ভরতা কমিয়ে জনশক্তি রপ্তানির গন্তব্য বহুমুখী করতে হবে। এ নিয়ে অনেক কথা বলাবলি হলেও তুলনামূলকভাবে বাস্তবসম্মত অগ্রগতি খুব কম।
এই সময়ে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান করণীয় হবে জ্বালানিনিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এবারের পেট্রলপাম্পের অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য একান্তই নতুন। সরকার মৌলিক জ্বালানির দাম এখনো না বাড়ালেও সময় ও চাহিদামতো তেলের প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে সমস্যা কিছু ক্ষেত্রে দ্রব্যমূল্যের ওপর প্রভাব ফেলেছে। এ থেকেই স্পষ্ট, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বা সরবরাহে সামান্য অস্থিরতাও দেশের অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে পারে। দামের বড় পরিবর্তনের প্রভাবও হবে আনুপাতিক। তাই দীর্ঘ মেয়াদে জ্বালানির একক উৎসের ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। একই সঙ্গে আমাদের জ্বালানি আমদানির বিদেশমুখী নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব উৎস থেকে গ্যাস উত্তোলনের দিকে মনোযোগ দেওয়া জরুরি।
দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ চুক্তি করা এবং আঞ্চলিক জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর দিকে নজর দিতে হবে। এরপর বলতে হয় বৈদেশিক বাণিজ্য ও মুদ্রা ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার কথা। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে আস্থার সংকট বাড়ায় মুদ্রাব্যবস্থাও পরিবর্তনের দিকে যাচ্ছে। তাই বাংলাদেশের উচিত একক মুদ্রানির্ভরতা কমিয়ে বহু মুদ্রাভিত্তিক বাণিজ্যকাঠামো গড়ে তোলা। রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে তৈরি পোশাক খাতের ওপর প্রায় একক নির্ভরতা ছেড়ে ওষুধ, প্রক্রিয়াজাতকৃত কৃষিপণ্য, হালকা প্রকৌশল এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অবদান বাড়ানোর দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন।
ধানের উৎপাদন অনেক বাড়লেও বাজার নিয়ন্ত্রণ ও আপৎকালীন প্রস্তুতির জন্য নিয়মিত চাল আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটের সময় খাদ্যপণ্যের সরবরাহ সবচেয়ে বড় চাপের জায়গা হয়ে দাঁড়ায়। আমদানিনির্ভরতা হ্রাসে আমাদের ধান, গম, ভোজ্যতেলের মতো খাদ্যসামগ্রীর উৎপাদন যতটা সম্ভব বাড়াতে হবে।
কৃষিকাজের জন্য মিয়ানমার ও আফ্রিকার কিছু বিশাল আকারের দেশের জমি সরকারি-বেসরকারিভাবে লিজ নেওয়ার বিষয়ে অতীতে কথাবার্তা হয়েছে। ব্যক্তি বা এনজিও পর্যায়ে কিছু কাজ হচ্ছেও। তবে এ বিষয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বৃহৎ পরিসরে কতটা কী করা সম্ভব, তা খতিয়ে দেখা দরকার। মোট কথা সম্ভাব্য সব বিকল্পই ভেবে দেখতে হবে।
সুচিন্তিত, কৌশলগত কূটনীতি হবে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। আমাদের একক কোনো শক্তিকেন্দ্রিক অবস্থানে না ঝুঁকে ‘সমতাভিত্তিক কূটনীতি’ অনুসরণ করতে হবে। কোনো বড় শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রাখার সময় অন্য শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করা যাবে না। একই সঙ্গে আঞ্চলিক সহযোগিতায় আরও বেশি সক্রিয় হতে হবে। আমাদের প্রয়োজন হবে অর্থনৈতিক কাঠামোতে সংস্কার আনা। বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনো সীমিত কিছু খাতকেন্দ্রিক। বড় অংশ অনানুষ্ঠানিক। সামাজিক ন্যায্যতা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ দরকার। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি ছাড়া বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়।
সব মিলিয়ে রাষ্ট্রীয় দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বুঝতে হবে, আজকের বিশ্বে শক্তি শুধু সামরিক নয়, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং সামাজিক ঐক্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ। রাষ্ট্রের নীতি হতে হবে জনগণকেন্দ্রিক, দীর্ঘমেয়াদি এবং ঝুঁকি-সচেতন। উন্নয়ন যদি কেবল পরিসংখ্যানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে সংকটের সময় তা ভেঙে পড়বে। আজকের দুনিয়ার পরিস্থিতি সে কথাই বলছে।

কাজী মারুফুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের একজন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
১ দিন আগে
মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রা মূলত কৌতূহল, জ্ঞান, শ্রম ও উদ্ভাবনের সমন্বিত ফল। আগুন আবিষ্কার থেকে শুরু করে আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) পর্যন্ত—প্রতিটি স্তরে মানুষ নিজের জীবনকে সহজ, নিরাপদ ও উন্নত করার চেষ্টা চালিয়েছে।
১ দিন আগে
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছিলেন সোহেল ফকির। ঈদের আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্য বাবা, সন্তানসম্ভবা স্ত্রীসহ যাচ্ছিলেন বরিশালে। গত ১৭ মার্চের কথা সেটা। ঈদুল ফিতরের সেই আনন্দ আর অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে পারেননি সোহেল ও তাঁর বাবা মিরাজ ফকির।
১ দিন আগে
বর্তমান বিশ্বে সবকিছুর মূলে দাঁড়িয়েছে অর্থ। অর্জন নয়, শিক্ষা নয়, শুধু স্বপ্ন একটাই—টাকা! এত টাকা দিয়ে কী হবে বা একজন মানুষের কত টাকা দরকার? তা নির্ধারণের জন্য যে সংস্কৃতি দরকার, সেটা প্রায় অনুপস্থিত। বিশ্বকাপ দেখতে দেখতে দর্শকদের আলোচনার বিষয় হচ্ছে, অমুক খেলোয়াড়টি কত টাকা পান?
২ দিন আগে