
একটা দারুণ সুন্দর কবিতা আছে শঙ্খ ঘোষের। ‘আমরা’ আর ‘ওরা’ নিয়ে। পশ্চিমা দর্শনের ‘উই’ আর ‘দে’ নয়। এই কবিতা একেবারে আমাদের শিরায় শিরায় প্রবহমান একটি বিষয়ের অবতারণা করেছে। কোনো এক শাসনামলের মন্দকে চিহ্নিত করে সেই শাসককে ফ্যাসিবাদ নাম দেওয়ার পর নিজে যখন ক্ষমতায়, তখন সেই একই রকম ফ্যাসিবাদী শাসন পুনরায় প্রবর্তন করলে তখন তা কারও কারও কাছে বেশ গণতন্ত্র বলে মনে হয়। কারণ, ততক্ষণে ‘আমরা’ই পরিণত হয়ে গেছি ‘ওরা’তে। ওরা যা করেছে, সেটাই আমরা করছি, কিন্তু ওদের বলছি ফ্যাসিবাদী, আর আমরা নিজেরা হয়ে গেছি সংস্কারপন্থী! আমাদের চারপাশে গড়ে নিয়েছি একটা বলয়। ওপরমহলের আশীর্বাদ রয়েছে আমাদের মাথার ওপর। আমরা মবতন্ত্র কায়েম করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থাকবে নিশ্চুপ, সরকারি মহল থেকে বলা হবে, এই ‘অবলা’ কিশোরেরা আসলে প্রেশার গ্রুপ। দেশের মানুষ বুঝে যাবে, এদের বিরুদ্ধে কিছু বলা হলে নির্ঘাৎ জেল-জুলুমের সামনে পড়তে হবে। তাই সামনাসামনি প্রতিবাদ করা বন্ধ হয়ে যাবে আর পাড়ায় পাড়ায়, রকে-রেস্তোরাঁয় চুপিচুপি আলোচনা হবে, বলা হবে, স্বৈরতন্ত্র উৎখাতের জন্য হয়েছিল আন্দোলন, পরিবর্তে স্বৈরতন্ত্রের বাপ এসে বসে আছে ক্ষমতায়!
এর কারণটা হলো, ক্ষমতায় গেলে যেকোনো ‘আমরা’ই পরিণত হয় ‘ওরা’য়। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। এখন বিএনপির ‘আমরা’ও ‘ওরা’ হয়ে যাবে কি না, সেটা সময়ই বলে দেবে। বিএনপি সরকারকে নিয়ে এখনই কথা বলা সমীচীন হবে না। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়টা নিয়ে আরও কিছু কথা বলা দরকার। সে কথাগুলোর সঙ্গে বিএনপির শাসনামলের মিল-অমিলগুলো ধীরে ধীরে প্রকাশ পাবে, তখনই বোঝা যাবে, বিএনপিও ‘ওরা’ হয়ে যাচ্ছে কি না।
চব্বিশের আগস্ট থেকে শুরু করে মাত্র ১৮ মাসের মধ্যে একটি প্রবল সম্ভাবনাকে এ রকম প্রপাত ধরণিতল করে তোলা যায়, এটা কে কবে কল্পনা করেছে? গণ-আন্দোলনের সময় যে আশাবাদ জন্ম নিয়েছিল জনগণের মনে, তা ধূলিসাৎ করতে একেবারেই সময় নেয়নি ইউনূস সরকার। সাংবাদিক নূরুল কবীরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান অধ্যাপক ইউনূস সরলভাবে যে কথাগুলো বলেছিলেন, তা স্মরণ করে দেখার চেষ্টা করুন। সে কথাগুলো আর যা-ই হোক রাষ্ট্রনায়কোচিত ছিল না। ক্ষমতায় বসে জনগণের প্রত্যাশাকে এভাবে ধুলায় মিশিয়ে দিতে পারে, এমন আর কোনো নেতা কি কখনো পেয়েছে পৃথিবী?
সবচেয়ে বিস্ময়কর ছিল তরুণদের একটি দল। যাদের কাউকে কাউকে মেটিকুলাস ডিজাইনের অংশীদার বলা হলো। কী সে ডিজাইন, সেটা আসলে আওয়ামী সরকার উৎখাতের পরিকল্পনা, নাকি একাত্তরকে ভুলিয়ে দেওয়ার সংগ্রাম, সেটা নিয়ে যে প্রশ্ন জেগেছিল মানুষের মনে, তার কিছু উত্তরও মিলেছে। কেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদের চক্ষুশূল, সেটা বুঝতে কিছুটা সময় লেগেছে বটে, কিন্তু একসময় বোঝা গেছে মেটিকুলাস ডিজাইনের এই অংশটি জামায়াতে ইসলামীরই সম্প্রসারণমাত্র। যে কারণে তরুণদের একজন সংবিধানের অধীনে শপথ নেওয়ার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে সংবিধান লঙ্ঘন করে বঙ্গভবনের দরবার হল থেকে বঙ্গবন্ধুর ছবি সরিয়ে দিলেন। সরকারপ্রধান তখন অন্ধ হয়ে ছিলেন।
অনেকে মিলে করল আন্দোলন, সেটা আত্মসাৎ করল অধ্যাপক ইউনূসের ‘নিয়োগকর্তা’ অল্পকিছু তরুণ। তাদেরই একাংশ রবিন হুডের মতো দখল করতে শুরু করল প্রচারমাধ্যম। তারাই ফর্দ তৈরি করে এর চাকরি খেল, ওকে দিল চাকরি। রাতারাতি সম্পাদক বদলের হিড়িক পড়ে গেল। দখলদার নতুন ব্যক্তি দক্ষ কিংবা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতিভূ কি না, তা নিয়ে কেউ চিন্তাও করল না। ফ্যাসিস্ট বা ফ্যাসিস্টের দোসর নাম দিতেই যা অপেক্ষা, এরপরই অ্যাকশন শুরু! ফলে প্রচারমাধ্যমগুলো এক শিবির থেকে শুধু অন্য শিবিরে চলে গেল। প্রচারমাধ্যমগুলো তাদের দালালির রং বদল করল কেবল, সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ হওয়ার কোনো অ্যাজেন্ডা তাদের ছিল না। অধ্যাপক ইউনূস এমন একজন মানুষকে তাঁর প্রেস সামলানোর দায়িত্ব দিয়েছিলেন, যাঁর বলা প্রতিটি কথা নিয়েই আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে তাঁদের শাসনামলের পুরো সময়টায়। বিশেষ করে সদলবলে প্রধান উপদেষ্টার লন্ডন সফর নিয়ে প্রেস সচিব যে বয়ান তৈরি করেছিলেন, তা যেকোনো কমেডি সিনেমাকেও হার মানায়। জনগণ তাতে বিনোদন পেলেও কতটা দায়িত্বজ্ঞানহীন হতে পারে সরকারপ্রধানের প্রেস সচিব, সেটাও প্রকাশিত হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি এমন অনেক তকমা অর্জন করেছিলেন, যা তাঁর কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ। জনগণ তাঁর নাম বলার আগে সে ধরনের কিছু তকমা উচ্চারণ করে, যা আদৌ সুখকর অভিজ্ঞতা হতে পারে না। কিন্তু কেন সে তকমাগুলো ব্যবহার করে জনগণ, তা যেন নতুন প্রেস সচিবেরা গবেষণা করে দেখেন।
কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের একাংশকে সংযুক্ত করা হলো বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে। অভিজ্ঞতাহীন সেই শিক্ষার্থীরা দোর্দণ্ড দাপটে নানা কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে পড়লেন। কেউ কেউ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ‘হোমওয়ার্ক’ করে আসার কথা বলে তোপের মুখেও পড়লেন। অবশ্যই সাংবাদিকদের হোমওয়ার্ক করে যাওয়া উচিত, কিন্তু তাঁরা তা করে এসেছেন কি না, সেটা না জেনেই আলটপকা একটা মন্তব্য করে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন ক্ষমতার মাহাত্ম্য। আর বদলি-বাণিজ্য? বদলি-বাণিজ্য, বিটকয়েনে লেনদেন ইত্যাদি নিয়ে যে অভিযোগগুলো আছে, সত্যিকারের তদন্ত হলে সেগুলোও প্রকাশ পাবে। বোঝা যাবে, ক্ষমতা কীভাবে নষ্ট করে প্রতিভাবানদেরও।
ট্রাইব্যুনালে ঘুষ-বাণিজ্য, সন্দেহযুক্ত চুক্তি, মবতন্ত্র, দোসর আখ্যা দেওয়া, মিথ্যা মামলা দেওয়াসহ আরও বহু বিষয় রয়েছে, যা নিয়ে আলোচনা করতে গেলে এ লেখা বিশাল হয়ে যাবে। আমি শুধু আওয়ামী লীগের সঙ্গে ইউনূস সরকারের তুলনামূলক একটি খণ্ডচিত্র তুলে ধরব। পাঠকই সিদ্ধান্ত নেবেন, দুই সরকারের মধ্যে পার্থক্য কতটা ছিল।
১. আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছিলেন উচ্চ স্বর। সবকিছুই তিনি প্রকাশ্যে বলতেন। যে কথা নিজে না বলে দলের অন্য নেতাদের দিয়ে বলালে কূটনৈতিক সদাচার বজায় থাকে, সেদিকে তিনি খেয়াল রাখতেন না। অধ্যাপক ইউনূস মৃদুভাষী। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তিনি নিজে কিছু বলতেন না। এমনকি চারদিকে যখন মবতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে, তখনো তিনি এই মববাজদের ব্যাপারে কঠোর হননি।
২. আওয়ামী লীগ তাদের দলীয় লোকজন দিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো ভরে ফেলেছিল। ভিন্নমতের কাউকে নীতিনির্ধারণী জায়গায় রাখেনি। বলে রাখা ভালো, মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর থেকে ধীরে ধীরে প্রশাসন দলীয়করণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। যে দলগুলো ক্ষমতায় এসেছে, তারা সবাই নিজের দলের লোককেই প্রশাসনে নিয়োগ দিয়েছে, ক্ষমতায় বসানোর চেষ্টা করেছে। সরকারি চাকরি কেন দলীয়করণ করা হবে? সরকারি চাকরিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দলীয়করণ হওয়া মানেই সমাজে ভিন্নমতের জায়গা সংকুচিত হয়ে যাওয়া। সেটা সরকারকে স্বৈরাচারের দিকে নিয়ে যায়। দলীয় লোকেরা সরকারপ্রধানের কাছে যে চিত্র তুলে ধরেন, বাস্তব জীবন তার থেকে ভিন্নতর। ফলে সরকারপ্রধান মনে করতে থাকেন, তাঁর শাসনামলে জনগণ সুখেই আছে। তাঁর জনপ্রিয়তা কমেনি একটুও।
অধ্যাপক ইউনূসের শাসনামলেও আওয়ামী বা আওয়ামী দোসর নাম দিয়ে আগের প্রশাসনকে হটিয়ে দিয়ে যাদের বসানো হলো, তারাও দলবাজ। মোটেও নিরপেক্ষ নয়। নিরপেক্ষ হতে হলে যে চর্চা, নীতিবোধ এবং রক্ষাকবচ লাগে, তার অভাব রয়েছে আমাদের। তাই প্রশাসন দলীয়করণ করার লোভ কেউই সামলাতে পারে না। প্রধান উপদেষ্টার যেহেতু রাজনৈতিক দল ছিল না, তাই ডিসি-এসপিই শুধু নয়, শিক্ষালয়, মেডিকেল কলেজ থেকে শুরু করে সর্বত্রই বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল বিএনপি বা জামায়াত-সংশ্লিষ্ট দলবাজদের। এরা ক্ষমতায় এসে দল-মতনির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করবে, এমনটা ভাবা যায় না। বিশেষ করে শিক্ষায়তনগুলোর বেশির ভাগই যারা দখল করে নিয়েছিল, তাদের রাজনৈতিক দর্শন স্বাধীনতাবিরোধী—এ রকম অভিযোগ রয়েছে। ফলে থোড়-বড়ি-খাড়া, খাড়া-বড়ি-থোড় ছাড়া আর কোনো উন্নতি হয়নি।
৩. আওয়ামী লীগ আমলে জেল-জুলুম-হামলা-মামলার যে ঐতিহ্য গড়ে উঠেছিল, ইউনূস আমলে সেটা সেভাবেই চলেছে। বলা হয়, সেটা আরও নগ্ন হয়েছে। মামলা-বাণিজ্য করে কারা কত টাকা কামিয়ে নিয়েছেন, এই কামিয়ে নেওয়া গোষ্ঠীটিকে কী নামে আখ্যা দেওয়া হবে, তা নিয়েও নতুন সমাজবিদেরা ভাববেন নিশ্চয়ই। মবতন্ত্রের পাশাপাশি ইউনূস আমলে মামলা-বাণিজ্যও বেড়ে উঠেছিল। কখনো কখনো পত্র-পত্রিকায় তা প্রকাশিত হয়েছে বটে, কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা ত্যাগের আগপর্যন্ত প্রকাশ্যে তা নিয়ে অভিযোগ আনা যায়নি। এখন তো সাবেক উপদেষ্টাদের নামেও অভিযোগ আসছে।
লতিফ সিদ্দিকী, মঞ্জুরুল আলম পান্না, হাফিজুর রহমান কার্জনকে নিয়ে যেভাবে মব সৃষ্টি করে প্রেসক্লাবে নাটক তৈরি করা হয়েছিল, সেটা কতটা ফ্যাসিবাদী আচরণ ছিল, তা কখনোই ইউনূস সরকার উপলব্ধি করেনি। মববাজদের না ধরে আলোচকদের ধরে নিয়ে গেছে পুলিশ, এ রকম পীড়াদায়ক ঘটনা ঘটিয়ে তারা প্রমাণ করেছে ভিন্নমতের কোনো স্থান নেই।
বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বরের বাড়ি ধ্বংস করা নিয়ে অধ্যাপক ইউনূসের বিবৃতিটিও বহুকাল আলোচনায় থাকবে। সেই আলোচনা মূলত সমালোচনা। সরকারপ্রধান মবকে না ঠেকিয়ে বরং মবের পক্ষে সাফাই গাইছেন—এটা কি গণতন্ত্রের প্রতি ভালোবাসা থেকে?
নতুন ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে বিএনপি যদি রাষ্ট্রের সবার জন্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারে, তাহলে তা স্বাস্থ্যকর একটি পরিবর্তন হবে। আর যদি অতীতের মতোই দলীয়করণের ফাঁদে পড়ে দলটি, তাহলে এ জাতির ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য আরও অনেক দিন অপেক্ষা করতে হবে।

ক্ষমতাসীন দলের একজন স্থানীয় পর্যায়ের নেতা কেন মাদকের কারবার করবেন, সেটা কোনো প্রশ্ন নয়। কারণ, আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আদর্শিক বন্ধনের চেয়ে অর্থ কামানোর দর্শন প্রকট। যার ফলে আঞ্চলিক নেতৃত্বের মধ্যে দলীয় সিদ্ধান্তগুলো মেনে চলার ক্ষেত্রে শৈথিল্য দেখা যায়। দল কী চাইছে, তার চেয়ে বড় হয়ে ওঠে...
১৭ ঘণ্টা আগে
মঞ্চে উঠে মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলা শুরু না করলে বোঝা সম্ভব হতো না যে মানববৈচিত্র্য নিয়ে তিনি এ জগতে ভূমিষ্ঠ হয়েছেন। বয়সে তরুণ। যথেষ্ট স্মার্ট। কথাও বলছিলেন মীম ইসলাম দৃপ্ত স্বরে। প্রথমে কণ্ঠস্বর ছিল কষ্টে মোড়ানো। ধীরে ধীরে একসময় সেই অবস্থা উধাও।
১৭ ঘণ্টা আগে
গত বছর নেপালে তরুণদের নেতৃত্বে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। দুর্নীতি, অর্থনৈতিক চাপে জেরবার জনজীবন এই বিক্ষোভের স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়েছিল। তা একপর্যায়ে এমন দাবানলের রূপ নেয় যে তাসের ঘরের মতো ধসে পড়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির সরকার। জনরোষের মুখে কয়েকজন মন্ত্রীর পালানোর চেষ্টার ভিডিও সে সময়...
২ দিন আগে
তিন দিকে নদীবেষ্টিত ভারতীয় ভূখণ্ডের সঙ্গে লাগোয়া কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের শালজোড় এলাকা। দেশের মূল ভূখণ্ড থেকে কালজানি নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন এলাকটি। শুধু একটি সেতুর অভাবে এলাকার কয়েক হাজার মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যুগের পর যুগ। নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন হওয়ায় এই...
২ দিন আগে