
অন্য দেশের সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ বা কোনো অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সীমান্তরক্ষীরা আইনি পদক্ষেপ নিলে সেটা সীমান্ত হত্যা বা বর্ডার কিলিং নয় বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমন মন্তব্য করেন।
একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, বর্ডার কিলিং বা সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসা হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হলেও এখনো সীমান্ত হত্যা চলছে। এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা যেটাকে বর্ডার কিলিং বলছেন, সে সম্পর্কে যদি আপনারা বিস্তারিত জানেন, তাহলে খুশি হব। বর্ডার কিলিং হচ্ছে—যদি অন্য দেশের বাহিনী কর্তৃক আমাদের সীমান্তে অথবা জিরো লাইনে এসে কিলিং করে, সেটাকে আমরা বর্ডার কিলিং বলতে পারি। কিন্তু যদি আমাদের সীমানার অভ্যন্তরে এবং তাদের সীমানার অভ্যন্তরে কোনো রকমের কোনো অপরাধে কেউ জড়িত থাকে, যদি কেউ ইললিগ্যাল ট্রেসপাস (অনুপ্রবেশ) করে যায়, সেটা তারা (সীমান্তরক্ষী বাহিনী) কীভাবে অ্যাড্রেস করবে, তা তাদের দেশীয় আইনে করবে। এটাকে বর্ডার কিলিং বলা ঠিক হবে না।’
সীমান্তে পুশ ইনের চেষ্টা চলছে বলে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এগুলো শুনতে পাচ্ছি। বর্ডারে আমাদের বিজিবি অ্যালার্ট আছে। আমরা যেকোনো রকমের পুশ ইন বা পুশব্যাকের বিপক্ষে। তবে যদি বাংলাদেশের কোনো সিটিজেন কোনো কারণে সেই দেশে গিয়ে থাকে, তাদের যদি ন্যাশনাল আইডি ভেরিফিকেশন করা হয়, আমরা এটাকে বলি ন্যাশনাল আইডি ভেরিফিকেশন। যদি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সে রকম কোনো তালিকা আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে, তারা সেটা আইনানুগভাবে রিপ্যাট্রিয়েশন প্রসেসটা ফলো করবে। সে রকম কোনো বিষয় আমাদের কাছে এখনো পেন্ডিং নেই।’
জঙ্গল সলিমপুর সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা এটা নিয়ে পরিকল্পনা এখনো ফাঁস করতে চাচ্ছি না। কারণ, এগুলো ফাঁস হয়ে গেলে পরে আমাদের এ সমস্ত রেসকিউ অভিযানে একটু অসুবিধা হয় এবং অপারেশনে অসুবিধা হয়।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘জঙ্গল সলিমপুরে যাঁরা অধিবাসী আছেন, তাঁরা যেকোনো কারণেই হোক, সরকারি খাস জায়গায় বসতি স্থাপন করেছেন দীর্ঘদিন যাবৎ। আমরা বলেছি, আমরা তাঁদের উচ্ছেদ করব না। যদি কখনো প্রয়োজন হয়, সেই জায়গায় সরকারি স্থাপনা হয়...তখন প্রয়োজন অনুসারে সে ক্ষেত্রমতে পুনর্বাসন করা হবে। তবে ওখানে সন্ত্রাসীদের কোনো আস্তানা আমরা রাখব না। এটা নির্মূল করা হবে।’

কমিশন নয়, গুমের অভিযোগ তদন্ত করবে পুলিশ তথা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কোনো বাহিনীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের তদন্তও করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়ায় এমন বিধান রাখা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় এই খসড়া করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন গুম-খুনের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সদস্যরা। আজ রোববার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষের বাইরে সাক্ষাৎ করেন তাঁরা।
৫ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পৃথক দুটি জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। আজ রোববার বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদে অর্থ মন্ত্রণালয় ও আইন মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত ১০ জন করে সদস্য নিয়ে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন বিজেপির চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪...
৭ ঘণ্টা আগে