
অনিবন্ধিত মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেটের ব্যবহার রোধে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে চালু হতে যাওয়া ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থার প্রতিবাদে মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রাখা নিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান জানিয়েছে এই খাতের দুটি সংগঠন।
আজ বুধবার দুপুরে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের সংগঠন এমবিসিবি (মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ) সারা দেশে মোবাইল ফোন বিক্রির দোকান বন্ধের ঘোষণা দেয়।
এরপর সন্ধ্যায় পাল্টা বিজ্ঞপ্তি দেয় মোবাইল ফোন উৎপাদনকারীদের সংগঠন এমআইওবি (মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ)।
সংগঠনটি জানিয়েছে, সারা দেশে বৈধ মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী ও আমদানিকারকদের দোকান খোলা রয়েছে এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া খোলাই থাকবে।
এমআইওবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু মহল থেকে বিভ্রান্তিকরভাবে প্রচার করা হচ্ছে যে সারা দেশের মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ রয়েছে বা বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, গুজবনির্ভর এবং ভোক্তাদের ভুল পথে পরিচালিত করার অপপ্রয়াস। আমরা দেশের সব সম্মানিত ক্রেতা ও অংশীজনকে নিশ্চিত করতে চাই, বাংলাদেশের বৈধ মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সব অনুমোদিত বিক্রয়কেন্দ্র ও ব্যান্ড শপ স্ব-স্ব মার্কেটের নির্ধারিত সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন স্বাভাবিকভাবে খোলা রয়েছে এবং খোলা থাকবে। একই সঙ্গে বৈধ ডিলারদের অধীনস্থ দেশের সব রিটেইল দোকানও নিয়মিত খোলা আছে এবং স্বাভাবিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।’
এমআইওবি জানিয়েছে, দেশের কোথাও বৈধ দোকান বন্ধ রাখার কোনো নির্দেশ, পরিকল্পনা বা পরিস্থিতি নেই।
ভোক্তাদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে এমআইওবি বলেছে, ‘গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে বৈধ চ্যানেল থেকে ফোন ক্রয় করুন। এটি আপনাকে সঠিক ওয়ারেন্টি, নির্ভরযোগ্য সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের বৈধ শিল্প সংরক্ষণ, জাতীয় রাজস্ব আহরণ ও প্রযুক্তি খাতের অগ্রগতিকে শক্তিশালী করবে।’
আগামী ১৬ ডিসেম্বর ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থা কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এই এনইআইআরকে কেন্দ্র করে মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী ও মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের সংগঠন।
এনইআইআর এমন একটি কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা, যা প্রতিটি হ্যান্ডসেটের আন্তর্জাতিকভাবে অনুমোদিত আইএমইআই নম্বরকে ব্যবহারকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও ব্যবহৃত সিমের সঙ্গে যুক্ত করে নিবন্ধিত করবে।
অন্তর্বর্তী সরকার আশা করছে, এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে নিবন্ধনবিহীন, চুরি হওয়া বা আমদানি অননুমোদিত ফোনের ব্যবহার বন্ধ হবে।
এ বিষয়ে এমআইওবি বলছে, এনইআইআর চালু হলে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে যারা অবৈধ ও নকল ফোনের ব্যবসা করে, তাদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে। সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে।
অন্যদিকে এমবিসিবির অভিযোগ, এনইআইআর চালু হলে ২০ হাজারের বেশি ব্যবসায়ী এবং প্রায় ২০ লাখের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান হুমকির মুখে পড়বে এবং তাঁরা রাস্তায় নেমে আসবে। প্রবাসীরা কষ্টে অর্জিত রেমিট্যান্স দিয়ে যে ফোনগুলো দেশে নিয়ে আসে, তা তাঁদের বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। এনইআইআর চালু হলে তাঁরা এই সুযোগ হারাবেন।

কমিশন নয়, গুমের অভিযোগ তদন্ত করবে পুলিশ তথা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কোনো বাহিনীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের তদন্তও করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের খসড়ায় এমন বিধান রাখা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় এই খসড়া করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন গুম-খুনের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সদস্যরা। আজ রোববার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষের বাইরে সাক্ষাৎ করেন তাঁরা।
৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পৃথক দুটি জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। আজ রোববার বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
৮ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদে অর্থ মন্ত্রণালয় ও আইন মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত ১০ জন করে সদস্য নিয়ে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন বিজেপির চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের কমিটির দায়িত্ব পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪...
৯ ঘণ্টা আগে