Ajker Patrika

রাষ্ট্রপতির ভাষণের আলোচনা: আপত্তি-সমালোচনায় বিরোধীরা, সরকারি দল চাইল উন্নয়ন

  • বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের ১৪ সংসদ সদস্য বক্তব্য দিয়েছেন।
  • জামায়াত প্রতিপক্ষ হলে কী হয়—এবার তা মাঠে বোঝা গেছে: মনিরুল হক
  • বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে মানুষের প্রত্যাশায় আঘাত করেছে: মাসুদ সাঈদী
‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
রাষ্ট্রপতির ভাষণের আলোচনা: আপত্তি-সমালোচনায় বিরোধীরা, সরকারি দল চাইল উন্নয়ন
ছবি: ফোকাস বাংলা

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে দেওয়া রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় প্রথম দিনে বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের ১৪ সংসদ সদস্য বক্তব্য দিয়েছেন। আলোচনায় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বিএনপির সংস্কার পরিষদে শপথ না নেওয়া নিয়ে সমালোচনা ও রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে আপত্তি তোলা হয়। অন্যদিকে বিএনপির সদস্যরা রাজনৈতিক স্মৃতি বিষয়টি এবং স্থানীয় উন্নয়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবি তুলে ধরেন।

গতকাল রোববারের বৈঠকে প্রথমে চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব তোলেন। হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু তাতে সমর্থন করেন। এরপর আলোচনা শুরু হয়। প্রথমে কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির এমপি মনিরুল হক চৌধুরী বক্তব্য দেন।

মনিরুল হক চৌধুরী শুরুতেই স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে অভিনন্দন জানান এবং তাঁর ছাত্রজীবন, খেলোয়াড়ি জীবন ও মুক্তিযুদ্ধের ভূমিকার স্মৃতিচারণা করেন। পরে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে লড়াই এক বিষয়, কিন্তু ‘জামায়াত প্রতিপক্ষ হলে কী হয়’ এবার তা মাঠে বোঝা গেছে। একই সঙ্গে জামায়াতের উদ্দেশে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার সময়কার সমঝোতার রাজনীতি এবং বিএনপির ভূমিকা যেন তারা ভুলে না যায়।

সরকারদলীয় হুইপ জি কে গউছ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দ্রুত শেষ করা এবং রেলসেবার মান উন্নয়নের দাবি জানান।

পিরোজপুর-১ আসনের জামায়াত দলীয় সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী বলেন, গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় এলেও বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নিয়ে মানুষের প্রত্যাশায় আঘাত করেছে।

সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যা টেনে পাবনা-১ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. নাজিবুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতির আদেশ আইনের মর্যাদা পায়, ফলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।

বরগুনা-১ আসনের ইসলামী আন্দোলনের সদস্য মো. অলিউল্লাহ বলেন, রাষ্ট্রপতির ভাষণে জুলাই ঘোষণা, জুলাই সনদ এবং সেই সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্নটি যথেষ্টভাবে আসেনি। সংস্কার কমিশনের কথা থাকলেও সংস্কারের রাজনৈতিক ভিত্তির কথা ভাষণে অনুপস্থিত।

গোপালগঞ্জ-১ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান মোল্লা গোপালগঞ্জকে আলাদা রাজনৈতিক প্রতীকের জেলা হিসেবে না দেখে সাধারণ উন্নয়নকাঠামোর মধ্যেই বিবেচনা করতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।

ফেনী-১ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম বলেন, খালেদা জিয়ার নির্বাচনী এলাকা হওয়ার কারণে গত ১৬ বছরে ফেনী উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তিনি ফেনীতে একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং সড়ক উন্নয়নের দাবি জানান।

কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য জালালউদ্দিন বলেন, রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে অতীত শাসনের অনাচার তুলে ধরে কার্যত ‘রাজসাক্ষী’ হয়েছেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

ইরানের পরমাণু স্থাপনা এখন ধ্বংসস্তূপ, নিরাপদ নৌ চলাচলে আলোচনার পথ খোলা: আরাঘচি

হাদি হত্যা: ফয়সালদের সীমান্ত পার করা ফিলিপ সাংমার স্বীকারোক্তিতে নতুন তথ্য

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দুর্বৃত্তের গুলি, কনটেন্ট ক্রিয়েটর নিহত

প্রাকৃতিক দুর্গ ইরান কেন দুর্জেয়, স্থল অভিযানে যেসব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে যুক্তরাষ্ট্র

৫ জেলায় নতুন ডিসি

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত