
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার হিসাবে প্রস্তাবিত ১০ জনের নাম নিয়ে সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে সার্চ কমিটি। সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সার্চ কমিটির সাক্ষাৎ হওয়ার কথা রয়েছে বলে আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন।
ইতিমধ্যে সার্চ কমিটি ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করেছে। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে কমিটি প্রস্তাবিত ১০ জনের নাম জমা দেবে। সেখান থেকে পাঁচজনকে নিয়ে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করে দেবেন রাষ্ট্রপ্রধান। নতুন এই নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
নতুন ইসি গঠনের জন্য চলমান একাদশ সংসদের গত অধিবেশনে নির্বাচন কমিশন আইন পাস হয়। এই আইনের আলোকে গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে সভাপতি করে ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করেন রাষ্ট্রপতি। দায়িত্ব নেওয়ার চার ধাপে দেশের বিশিষ্টজনদের সঙ্গে এবং নিজেদের মধ্যে সাতটি বৈঠক করেন। গত ২২ ফেব্রুয়ারি নিজেদের সর্বশেষ বৈঠকে ১০টি নাম চূড়ান্ত করেন সার্চ কমিটি।
কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন কমিশনের মেয়াদ গত ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছে। এরপর থেকে সিইসি ও ইসির পদগুলো শূন্য থাকলেও তাতে কোনো অসুবিধা নেই। এই সময় নির্বাচন কমিশনের সরকারি কর্মকর্তারা প্রাত্যহিক কার্যক্রম চালিয়ে নিচ্ছেন। এর আগেও বেশি কয়েকটি কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সিইসির পদ শূন্য ছিল।

মীর শাহে আলম বলেন, ‘আল্লাহ বাঁচাইছে যে, মাননীয় সংসদ সদস্য বলেননি যে বিজিবির সীমান্ত ব্যাংক লিমিটেড, ওটা আমার ব্যাংক। উনি দয়া করে যে বলেননি যে, খুলনা থেকে পার্বতীপুরে যে ট্রেন যায় সীমান্ত এক্সপ্রেস, সেটিও আমার ট্রেন। উনি যে দয়া করে বলেননি যে, গুলশান ১-এ যে দিগন্ত টাওয়ার রয়েছে, সেটিও আমার।’
১ ঘণ্টা আগে
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আমরা জানতাম বেনজীর সারা বাংলাদেশকে চালাচ্ছেন, তিনি সরকার চালাতেন। তাঁর ওপরে আর কাউকে মানুষ মনে হতো না। তাঁর যে দম্ভোক্তি, তাঁর যে বডি ল্যাঙ্গুয়েজ সবকিছু মিলে তখন কোনো কোনো জায়গায় শেখ হাসিনার চেয়েও বেশি পরিচিত ছিলেন...
১ ঘণ্টা আগে
দেশের বিভিন্ন কারাগারে মায়ের সঙ্গে কত শিশু রয়েছে, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। দুই মাসের মধ্যে সার্বিক বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কামরুন নাহার মাহমুদের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে...
২ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে দেশের টেলিভিশনশিল্পের বর্তমান সংকট, সাংবাদিকদের পেশাগত চ্যালেঞ্জ, চাকরির নিরাপত্তা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে গণমাধ্যমের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি, সরকারের সহযোগিতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়।
২ ঘণ্টা আগে