দুই পাহাড়ের মাঝে আড়াআড়িভাবে যুক্ত দুটো মরা বৃক্ষের কাণ্ড। নিচে গভীর ঝরনা। সেখানে নামতে হবে বৃষ্টিভেজা মরা গাছের এই কাণ্ড বেয়ে। একে একে সবাই নিচে নেমে এলাম। পা দেওয়ার মতো ছোট্ট একটা পাথর। পা ফসকে গেলেই নিচের গভীর খাদে। এমনই ট্রেইল মাড়িয়ে যেতে হয় তৈদুছড়া ঝরনায়।
আকাশে কালো মেঘ, বৃষ্টি, ঝিরির পথে গলা অথবা কোমর পানি। প্রায় পুরো ট্রেইলে পাথুরে পথ। ভরা বর্ষায় ঝরনার রূপ দেখতেই এই যাত্রা। সকালে বৃষ্টি মাথায় রওনা দিলাম পাহাড়ি ঝরনা তৈদুছড়ার উদ্দেশে। পথ শুরু হয় কোমরসমান ঝিরির পথ ধরে। খরস্রোতা বোয়ালখালী খালের পথ ধরে সামনে হাঁটতে হবে অনেকটা পথ। ঝিরিতে খুব জোরে হাঁটার সুযোগ নেই। তাই ধীরে ধীরে পা চালিয়ে এগিয়ে যেতে থাকলাম। হঠাৎ চোখে পড়ল পাহাড়ের গায়ে জমে থাকা সাদা মেঘের দলছুট স্তূপ, সবুজ পাহাড় ঢেকে রাখা চেনা মেঘের দল, পাহাড়ের কোলজুড়ে বড় বড় জুমের খেত, সবুজ বনের মাঝখানে ছোট্ট জুমের ঘর। নিজেদের বাগানের সুরক্ষার জন্য পাহাড়ি জুমচাষিরা এই ছোট্ট জুম তৈরি করে।
ঝিরির পথ শেষে দেখা মিলল উঁচু পাহাড়ের পথ, সবুজ পাহাড়ে ছোট্ট ট্রেইল বেয়ে উঠতে হবে ওপরের দিকে। একটানা বৃষ্টিতে ওপরে ওঠার পুরো পথ বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বৃষ্টিমাখা পথ বেয়ে দীর্ঘ সময় নিয়ে উঠলাম পাহাড়ের শীর্ষ দেশে। একনজরে পুরো আকাশ দেখে নিলাম। উঁচু পাহাড় থেকে নিচের ঝিরি পথ, ট্রেইল, জুমের খেত আর সবুজ বন—বড় অদ্ভুত লাগল।
আমাদের গাইড জানালেন, এবার নামার পথ। কিন্তু বর্ষায় এই অচেনা পথে কেউ না হাঁটায় পুরো পথটা জঙ্গলে ভরপুর। তাই পথ বদল করে অন্য পথে হাঁটা শুরু করি। অচেনা সেই পথ বেয়ে নামতে নামতে ঝরনার পানির স্রোত কানে আসছিল। পাহাড়ি পথ বেয়ে আবার নামলাম ঝিরির পথে। বড় বড় পাথর ঝিরিজুড়ে। এক পাথর থেকে অন্য পাথরে পা মাড়িয়ে অগ্রসর হচ্ছি। পথের শেষে ঝরনার স্রোত! সবুজ পাহাড়ের পাথর বেয়ে সাদা রেখার মতো নেমে আসছে সেই স্রোত। জলের ধারা নিচে আসতে আসতে ক্রমেই বড় হয়েছে। সবুজ বনের মধ্যে তৈদুছড়ার এমন জলের স্রোত কেবল বর্ষা আর শরতেই দেখা যায়।ভাবে যাবেন দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে বাসে করে যেতে হবে খাগড়াছড়ি শহরে। সেখান থেকে মোটরসাইকেল বা সিএনজিচালিত অটোরিকশা অথবা চাঁদের গাড়িতে দীঘিনালা পর্যন্ত যাওয়া যায়। দীঘিনালা থেকে ট্রেকিং করে ঝরনায় যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে দীঘিনালা থেকে অবশ্যই নিতে হবে গাইড।

জমে উঠেছে বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর। পথে-ঘাটে গাড়ি থামিয়ে বড় স্ক্রিনে খেলা দেখতেও ভুল হচ্ছে না এতটুকু। আর রাত জেগে প্রিয় দলের খেলা দেখার ব্যাপারটি তো আছেই। তবে বিশ্বকাপের আমেজ এখানেই সীমাবদ্ধ নয়। এই উন্মাদনা জার্সি ছাড়িয়ে উঠে এসেছে রোজকার পরিধেয়তেও।
৪ ঘণ্টা আগে
আমাদের মুখমণ্ডলের অন্যান্য অংশের ত্বকের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি পাতলা হয় চোখের চারপাশের ত্বক। তাই রোজ যে ক্লিনজার স্ক্রাব বা ময়শ্চারাইজার আমরা মুখে ব্যবহার করি, তা চোখের চারপাশের ত্বকের জন্য সমান কার্যকর নয়।
৫ ঘণ্টা আগে
ভ্যাপসা গরমে যাঁরা রোজ অফিস করছেন বা যাঁরা বাড়িতে রয়েছেন, তাঁদের সবারই নাজেহাল অবস্থা। কখন বৃষ্টি নামবে, এই ক্ষণ গুনতে গুনতেই চলে এল বর্ষা। তপ্ত রোদ থেকে এবার একটু রেহাই পাওয়ার আশা করা যায়। বর্ষার প্রথম দিনেই আলমারিতে নীল শাড়ির খোঁজ পড়ে।
৬ ঘণ্টা আগে
আষাঢ় মানে বাহারি স্বাদের খিচুড়ির আয়োজন। ঝুম বৃষ্টিতে গরম-গরম সুস্বাদু খিচুড়ি বাঙালির রসনাবিলাসের দারুণ এক উপকরণ। আজ আষাঢ়ের প্রথম দিন, খিচুড়িপ্রেমীদের জন্য আজ থাকছে মুখরোচক মুগ ডালের খিচুড়ির রেসিপি। সবজি, আচার এবং মাংস কষা দিয়ে খাওয়ার জন্য এই খিচুড়ির রেসিপি পাঠিয়েছেন রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তা।
৬ ঘণ্টা আগে