
আমাদের মধ্যে এমন অনেকে আছেন, যাঁরা সব সময় নিজেদের একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ওপরের মানুষ বলে মনে করেন। এমনও হয় যে কিছু করছেন না বলেই তাঁরা অপরাধবোধে ভোগেন। নিজের জন্য সময় বের করাকে তাঁরা কাজে ফাঁকি দেওয়া বোঝেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বিরতি নেওয়া বা ‘না’ বলা কোনো দুর্বলতা তো নয়ই, উল্টো এটিকে দীর্ঘস্থায়ী সাফল্যের চাবিকাঠি বলে ধরে নেওয়া চলে। অন্যদিকে অকারণ অপরাধবোধ আপনার কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেওয়ার জন্য বসে আছে সাফল্যের দরজায়। আপনি ক্লান্ত হলে বিশ্রাম নিতে পারেন, মোবাইল ফোন বন্ধ রাখতে পারেন বা কাউকে ‘না’ও বলে দিতে পারেন। কারণ, আপনি একজন মানুষ, কোনো যন্ত্র নন।
একটু থামুন, শ্বাস নিন
থামলে আপনি অলস হয়ে যাবেন না। সারা দিনের ব্যস্ততা থেকে একটু সময় বের করে বিশ্রাম নিন। এভাবে নিজেকে রিচার্জ করুন। মোবাইল ফোনের ব্যাটারি যেমন ১ শতাংশ দিয়ে সারা দিন চলে না, আপনার শরীর ও মনও তেমন চলে না। বিরতি নেওয়া মানে হলো আরও সুন্দরভাবে ফিরে আসা। চরকির মতো সারা দিন না ঘুরে একটু বসুন, বিশ্রাম নিন। চোখ বন্ধ করে জোরে শ্বাস নিন।
ব্যাখ্যা ছাড়াই ‘না’ বলা
অনেক সময় সবকিছুতে ‘হ্যাঁ’ বলা আপনাকে অকার্যকর করে তুলবে। প্রতিটি ‘না’ আসলে আপনার স্বাস্থ্য, পরিবার এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজের প্রতি একটি গভীর ‘হ্যাঁ’। সীমানা নির্ধারণ করা আপনাকে স্বার্থপর নয়, বরং শক্তিশালী করে। কোনো কাজ করতে আপনার ভালো না লাগলে সেটাকে না বলুন। বিরক্তি নিয়ে কোনো কাজ করার চেয়ে সেটা বাদ দেওয়াই সঠিক সিদ্ধান্ত।
জীবন থেকে আরও বেশি কিছু চাওয়া
সাফল্য পাওয়ার পর আরও স্বাধীনতা বা অর্থপূর্ণ জীবন চাওয়া লোভ নয়; এটি স্বচ্ছতা। আপনার লক্ষ্য অর্জনের পর আরও বড় স্বপ্ন দেখার জন্য ক্ষমা চাওয়ার কিছু নেই। স্বপ্নও দেখায় কখনো লাগাম টানা উচিত নয়। তখন এর পেছনে ছোটার রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে যায়।
মোবাইল ফোন ছাড়াই সময় কাটানো
সব সময় সবার জন্য সহজলভ্য থাকার নেশা আপনার মানসিক শান্তি কেড়ে নেবে। মাঝে মাঝে মোবাইল ফোন বাড়িতে রেখে হাঁটতে বের হোন। সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া অনেক সময় উপস্থিত থাকার সেরা উপায়। সারা দিনের একটা সময় শুধু নিজের সঙ্গে কথা বলুন। নিজের ভালোমন্দের হিসাব করুন। কে কী করল, সেটা জানা থাকা সব সময়ের জন্য জরুরি নয়।
অপ্রাসঙ্গিক সম্পর্ক ত্যাগ করা
মানুষ হিসেবে আপনার যখন পরিবর্তন ঘটে, তখন চারপাশের সম্পর্কগুলোর পরিবর্তন প্রয়োজন। কাউকে ছোট করে বা নিজেকে তিলে তিলে শেষ করে কোনো সম্পর্কে টিকে থাকা বীরত্ব নয়। নিজেকে বিকশিত হতে দিন। সম্পর্কে যদি দম আটকে আসে, তবে স্বস্তির শ্বাস ফেলতে একটু একা থাকুন। যে সম্পর্ক আপনার মানসিক শান্তি কেড়ে নেবে, সে সম্পর্ক থেকে নিজেকে সরিয়ে আনুন।
ক্লান্ত হলে বিশ্রাম নেওয়া
বিশ্রাম কোনো পুরস্কার নয় যে কাজ করার পর তা পেতে হবে। এটি কাজের একটি অপরিহার্য অংশ। কোনো কিছুর বিনিময়ে নিজের বিশ্রামকে প্রশ্রয় দেবেন, এমন নয়। বিশ্রামের জন্য আলাদা সময় বরাদ্দ রাখুন। পরিশ্রান্ত হওয়া আপনাকে হিরো বানাবে না, বরং আপনার কার্যকারিতা কমিয়ে দেবে।
সরলতা বেছে নেওয়া
সাফল্য মানে জীবনে শুধু নতুন কিছু যোগ করা নয়। এর মধ্যে অপ্রয়োজনীয় জিনিস বিয়োগ করাও আছে। কম মিটিং, কম বাধ্যবাধকতা এবং কম দুশ্চিন্তাই আসল স্বাধীনতা। কাজ কতটা সহজভাবে করা যায়, সেই চিন্তা করুন। জটিল পথে নিজেকে হাঁপিয়ে তুললে দেখবেন, দিন শেষে কাজও ঠিক করে হবে না সময় নষ্ট ছাড়া।
পরিবারের সঙ্গে পূর্ণ সময় কাটানো
পরিবারের সঙ্গে থাকার সময় কাজের চিন্তা আর কাজের সময় পরিবারের চিন্তা—এই চক্র থেকে বের হয়ে আসুন। ল্যাপটপ বন্ধ করুন, নোটিফিকেশন অফ করুন। আপনার প্রিয়জনদের দিকে পূর্ণ মনোযোগ দিন। যে সময়টা পরিবারের সঙ্গে আছেন, সে সময়টা শুধু তাদের সঙ্গেই থাকুন। পুরো সময়টা শুধু তাদের দিন।
নিজের পেছনে বিনিয়োগ করা
নিজের স্বাস্থ্য বা মানসিক শান্তির জন্য অর্থ ও সময় ব্যয় করা কোনো বিলাসিতা নয়। বলা যেতে পারে, এটি একটি কৌশলগত বিনিয়োগ। আপনি নিজে সুস্থ ও প্রাণবন্ত থাকলে তবেই ভালো নেতৃত্ব দিতে পারবেন।
সাফল্যের সংজ্ঞা নতুন করে নির্ধারণ করা
একসময় যা সাফল্য ছিল, আজ তা না-ও হতে পারে। যদি আপনার অর্জনগুলো আর তৃপ্তি না দেয়, তবে শান্তি এবং উদ্দেশ্যকে সাফল্যের নতুন মাপকাঠি হিসেবে ধরুন। এতে দোষের কিছু নেই।
সূত্র: মিডিয়াম

মাঝেমধ্যেই আমাদের চকলেট খাওয়ার প্রচণ্ড ইচ্ছা বা ‘ক্রেভিং’ হয়। আমরা একে সাধারণ মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা মনে করি। কিন্তু শরীর আসলে এর মাধ্যমে আমাদের বিশেষ কিছু সংকেত দেয়। এর বিশেষ কিছু কারণ আছে। মনে রাখবেন, চকলেটের প্রতি তীব্র ইচ্ছা আপনার শরীরের কোনো দুর্বলতা নয়। এটি শরীরের একটি ফিডব্যাক।
১ ঘণ্টা আগে
টাকা জমানোর খুব ইচ্ছা হবে, কিন্তু ওই যে অনলাইনে ‘সেল’ চললে আপনার আঙুল নিজের বশেই থাকে না। গ্রহ বলছে, আপনার ওয়ালেট আজ আইসিইউতে যাওয়ার পথে। প্রেমের ক্ষেত্রে অবস্থা একটু নড়বড়ে; তর্কে জেতার চেষ্টা করবেন না। কারণ, দিন শেষে আপনাকে হার মানতেই হবে। অকারণে এটিএম কার্ডের দিকে তাকাবেন না।
৭ ঘণ্টা আগে
এ বছর বৈশ্বিক ভূরাজনীতি এবং বিভিন্ন জনমত জরিপের ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে বিতর্কিত বা অপছন্দের দেশগুলোর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ। অপছন্দের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে চীন। এর পরই যথাক্রমে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া এবং ইসরায়েল। তালিকায় শীর্ষ ৩০টি দেশের নাম উল্লেখ...
৯ ঘণ্টা আগে
ব্যস্ত জীবনে মানসিক অশান্তিতে ভুগলে অনেক সময় শান্তি খুঁজতে আমরা বাইরের জগতের দিকে তাকাই। অথচ আমাদের পরিচিত চারদেয়ালের মাঝেই রয়েছে মন ভালো করে দেওয়ার চমৎকার সব উপায়। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, ঘর গোছানো বা পরিষ্কার করার বিষয়টি শুধু ঘরের শোভাই বাড়ায় না, এটি একধরনের মেডিটেশন বা ধ্যানের মতো কাজ করে। চারপাশে...
১ দিন আগে