ফারিয়া রহমান খান

হয়ে গেল বিনোদন দুনিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন গোল্ডেন গ্লোবস। তবে কেবল পুরস্কারের হিসাব-নিকাশ নয়, এই আসরটি বিশ্বজুড়ে সমাদৃত এর বর্ণিল ‘রেড কার্পেট’ ফ্যাশনের জন্য। দীর্ঘ দিনের ধারাবাহিকতায় এ বছরও তারকারা এমন সব সাজে হাজির হয়েছিলেন যা ফ্যাশন সচেতনদের মুগ্ধ করেছে। ২০২৬ সালের গোল্ডেন গ্লোবস ফ্যাশন ছিল মূলত রঙের বৈচিত্র্য এবং ব্যক্তিগত রুচির এক চমৎকার বহিঃপ্রকাশ। রঙের ব্যবহার থেকে শুরু করে পোশাকের কাটিং- সবকিছুতেই ছিল আধুনিকতা। ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের মতে, এবারের রেড কার্পেট ছিল একাধারে ‘এজি’ বা অত্যাধুনিক এবং গ্ল্যামারাস। হলিউডের নামী সব তারকাদের উপস্থিতিতে এবারের এই আসরটি নতুন নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ডের জন্ম দিয়েছে।

নজর কেড়েছেন যাঁরা
সেলিনা গোমেজ
এবারের আসরে সেলিনা হাজির হয়েছিলেন শ্যানেলের একটি আকর্ষণীয় স্ট্যাপলেস গাউনে। ধবধবে সাদা পালক দিয়ে সাজানো কালো এই গাউনে তাঁকে দেখতে ওল্ড হলিউডের নায়িকাদের মতো লাগছিল। তাঁর স্টাইলিস্টদের মতে, সেলিনার এই লুকটি ছিল ‘আনন্দ ও আভিজাত্যের’ এক অনন্য মিশ্রণ। হাতে একটি ছোট ব্যাগ আর আঙুলে কয়েকটি আংটি ছিল তাঁর এই অনন্য সুন্দর লুকের অনুষঙ্গ।

টিমোথি শালামে
ছেলেদের ফ্যাশনে সব সময়ই আধুনিক ও মার্জিত সব নতুন লুকের ছোঁয়া দেন টিমোথি। এবার তাঁকে দেখা গেছে কালো রঙের ভেলভেটের ‘ক্রোম হার্টস’ স্যুটে। পায়ে ছিল টিম্বারল্যান্ড বুট আর হাতে দামি কার্টিয়ে ঘড়ি। ফ্যাশন বোদ্ধারা তাঁকে আধুনিক যুগের ‘জনি ডেপ’ হিসেবেই আখ্যা দিচ্ছেন।

জেনিফার লরেন্স
এবারের আসরে জেনিফার লরেন্সের স্বছ ও শিয়ার পোশাকটি সকলকে অবাক করেছে। গোল্ডেন শিয়ার গাউনের এই লুকটিকে অনেকেই ২০১৫ সালের মেট গালায় বিয়ন্সের লুকের সঙ্গে তুলনা করেছেন। আত্মবিশ্বাসী এই লুকে জেনিফার ছিলেন রেড কার্পেটের অন্যতম আকর্ষণ।
এমিলি ব্লান্ট ও জন ক্রাসিনস্কি
রেড কার্পেটে নজর কেড়েছেন এমিলি ব্লান্ট এবং জন ক্রাসিনস্কি জুটি। লুই ভুতোর গাউনে এমিলিকে অনেকটা আধুনিক জ্যাকি ওনাসিসের মতো লাগছিল। অন্যদিকে জনের পরনে ছিল ডলচে অ্যান্ড গাবানার কালো স্যুট। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাঁদের দুজনকে দেখতে অনেকটা আধুনিক দিনের বর-কনের মতো লাগছিল।
রোজ বায়ার্ন
এবারের আসরের অন্যতম সেরা স্টেটমেন্ট ছিল রোজের গাউনের রং। তাঁর এই পান্না সবুজ ড্রেসটি তৈরি করতে সময় লেগেছে ২১০ ঘণ্টা! এতে ৪ হাজার ৬৬০টিরও বেশি ক্রিস্টাল ও মুক্তার কারুকাজ করা হয়েছে। রঙের সঠিক ব্যবহারের কারণে এই ড্রেসটি ছিল অতুলনীয়।

রেঁনেতে রেইন্সভে
নরওয়েজিয়ান এই অভিনেত্রী এমন একটি পোশাক পরেছিলেন যাতে প্রায় ৮ লাখ পাথরের পুঁতি ছিল। নিকোলাস গ্যেসকিয়ারের ডিজাইনে এই শিমারি ও স্ট্রিমলাইনড পোশাক তাঁকে দারুণ মানিয়ে গিয়েছিল। হালকা মেকআপ ও গয়নাহীন লুকে সকলের নজর ছিল তাঁর পোশাকের ওপর।
কেট হাডসন
এবারের রেড কার্পেটে কেট হাডসন ২০০৭ সালের ভিনটেজ আরমানি কালেকশন থেকে একটি গাউন বেছে নিয়েছিলেন। তবে রেড কার্পেটের জন্য এতে নতুন করে পাথরের কাজ ও স্বচ্ছ ভাব যোগ করা হয়েছিল। এই পোশাকে তাঁকে অনেকটা ‘আর্ট ডেকো’ দেবীর মতো লেগেছে।

প্যাট্রিক শোয়ার্জনেগার
ছেলেরাও যে ফ্যাশনে নতুনত্ব আনতে পারে, তা প্রমাণ করেছেন প্যাট্রিক। ডলচে অ্যান্ড গাবানার স্যুটের সঙ্গে চশমা, টাই এবং ছোট ব্রোচে তাঁকে দেখাচ্ছিল বেশ আধুনিক ও আত্মবিশ্বাসী।
আয়ো এদেবরি
শ্যানেলের কালো ভেলভেট গাউনে আয়ো এদেবরি ছিলেন অনবদ্য। অফ-শোল্ডার এই পোশাকে মুক্তার বড় ব্রোচ ছিল চোখে পড়ার মতো। তাঁর স্টাইলিস্ট জানিয়েছেন, রানওয়েতে এই ড্রেসটি দেখার পর থেকেই তিনি জানতেন, সেটিই আয়োর জন্য সেরা হবে।
কাইলি জেনার
রেড কার্পেটে না হাঁটলেও আসরের মধ্যে থেকে তাঁর ছবি শেয়ার করে সকলের নজর কেড়েছেন কাইলি। তিনি পরেছিলেন সোনালি রঙের একটি স্কাল্পটেড গাউন। তাঁর এই লুকটি একাধারে উজ্জ্বল ও আভিজাত্যপূর্ণ ছিল।
সূত্র: ভোগ ও টুডে ডট কম

হয়ে গেল বিনোদন দুনিয়ার অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন গোল্ডেন গ্লোবস। তবে কেবল পুরস্কারের হিসাব-নিকাশ নয়, এই আসরটি বিশ্বজুড়ে সমাদৃত এর বর্ণিল ‘রেড কার্পেট’ ফ্যাশনের জন্য। দীর্ঘ দিনের ধারাবাহিকতায় এ বছরও তারকারা এমন সব সাজে হাজির হয়েছিলেন যা ফ্যাশন সচেতনদের মুগ্ধ করেছে। ২০২৬ সালের গোল্ডেন গ্লোবস ফ্যাশন ছিল মূলত রঙের বৈচিত্র্য এবং ব্যক্তিগত রুচির এক চমৎকার বহিঃপ্রকাশ। রঙের ব্যবহার থেকে শুরু করে পোশাকের কাটিং- সবকিছুতেই ছিল আধুনিকতা। ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের মতে, এবারের রেড কার্পেট ছিল একাধারে ‘এজি’ বা অত্যাধুনিক এবং গ্ল্যামারাস। হলিউডের নামী সব তারকাদের উপস্থিতিতে এবারের এই আসরটি নতুন নতুন ফ্যাশন ট্রেন্ডের জন্ম দিয়েছে।

নজর কেড়েছেন যাঁরা
সেলিনা গোমেজ
এবারের আসরে সেলিনা হাজির হয়েছিলেন শ্যানেলের একটি আকর্ষণীয় স্ট্যাপলেস গাউনে। ধবধবে সাদা পালক দিয়ে সাজানো কালো এই গাউনে তাঁকে দেখতে ওল্ড হলিউডের নায়িকাদের মতো লাগছিল। তাঁর স্টাইলিস্টদের মতে, সেলিনার এই লুকটি ছিল ‘আনন্দ ও আভিজাত্যের’ এক অনন্য মিশ্রণ। হাতে একটি ছোট ব্যাগ আর আঙুলে কয়েকটি আংটি ছিল তাঁর এই অনন্য সুন্দর লুকের অনুষঙ্গ।

টিমোথি শালামে
ছেলেদের ফ্যাশনে সব সময়ই আধুনিক ও মার্জিত সব নতুন লুকের ছোঁয়া দেন টিমোথি। এবার তাঁকে দেখা গেছে কালো রঙের ভেলভেটের ‘ক্রোম হার্টস’ স্যুটে। পায়ে ছিল টিম্বারল্যান্ড বুট আর হাতে দামি কার্টিয়ে ঘড়ি। ফ্যাশন বোদ্ধারা তাঁকে আধুনিক যুগের ‘জনি ডেপ’ হিসেবেই আখ্যা দিচ্ছেন।

জেনিফার লরেন্স
এবারের আসরে জেনিফার লরেন্সের স্বছ ও শিয়ার পোশাকটি সকলকে অবাক করেছে। গোল্ডেন শিয়ার গাউনের এই লুকটিকে অনেকেই ২০১৫ সালের মেট গালায় বিয়ন্সের লুকের সঙ্গে তুলনা করেছেন। আত্মবিশ্বাসী এই লুকে জেনিফার ছিলেন রেড কার্পেটের অন্যতম আকর্ষণ।
এমিলি ব্লান্ট ও জন ক্রাসিনস্কি
রেড কার্পেটে নজর কেড়েছেন এমিলি ব্লান্ট এবং জন ক্রাসিনস্কি জুটি। লুই ভুতোর গাউনে এমিলিকে অনেকটা আধুনিক জ্যাকি ওনাসিসের মতো লাগছিল। অন্যদিকে জনের পরনে ছিল ডলচে অ্যান্ড গাবানার কালো স্যুট। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাঁদের দুজনকে দেখতে অনেকটা আধুনিক দিনের বর-কনের মতো লাগছিল।
রোজ বায়ার্ন
এবারের আসরের অন্যতম সেরা স্টেটমেন্ট ছিল রোজের গাউনের রং। তাঁর এই পান্না সবুজ ড্রেসটি তৈরি করতে সময় লেগেছে ২১০ ঘণ্টা! এতে ৪ হাজার ৬৬০টিরও বেশি ক্রিস্টাল ও মুক্তার কারুকাজ করা হয়েছে। রঙের সঠিক ব্যবহারের কারণে এই ড্রেসটি ছিল অতুলনীয়।

রেঁনেতে রেইন্সভে
নরওয়েজিয়ান এই অভিনেত্রী এমন একটি পোশাক পরেছিলেন যাতে প্রায় ৮ লাখ পাথরের পুঁতি ছিল। নিকোলাস গ্যেসকিয়ারের ডিজাইনে এই শিমারি ও স্ট্রিমলাইনড পোশাক তাঁকে দারুণ মানিয়ে গিয়েছিল। হালকা মেকআপ ও গয়নাহীন লুকে সকলের নজর ছিল তাঁর পোশাকের ওপর।
কেট হাডসন
এবারের রেড কার্পেটে কেট হাডসন ২০০৭ সালের ভিনটেজ আরমানি কালেকশন থেকে একটি গাউন বেছে নিয়েছিলেন। তবে রেড কার্পেটের জন্য এতে নতুন করে পাথরের কাজ ও স্বচ্ছ ভাব যোগ করা হয়েছিল। এই পোশাকে তাঁকে অনেকটা ‘আর্ট ডেকো’ দেবীর মতো লেগেছে।

প্যাট্রিক শোয়ার্জনেগার
ছেলেরাও যে ফ্যাশনে নতুনত্ব আনতে পারে, তা প্রমাণ করেছেন প্যাট্রিক। ডলচে অ্যান্ড গাবানার স্যুটের সঙ্গে চশমা, টাই এবং ছোট ব্রোচে তাঁকে দেখাচ্ছিল বেশ আধুনিক ও আত্মবিশ্বাসী।
আয়ো এদেবরি
শ্যানেলের কালো ভেলভেট গাউনে আয়ো এদেবরি ছিলেন অনবদ্য। অফ-শোল্ডার এই পোশাকে মুক্তার বড় ব্রোচ ছিল চোখে পড়ার মতো। তাঁর স্টাইলিস্ট জানিয়েছেন, রানওয়েতে এই ড্রেসটি দেখার পর থেকেই তিনি জানতেন, সেটিই আয়োর জন্য সেরা হবে।
কাইলি জেনার
রেড কার্পেটে না হাঁটলেও আসরের মধ্যে থেকে তাঁর ছবি শেয়ার করে সকলের নজর কেড়েছেন কাইলি। তিনি পরেছিলেন সোনালি রঙের একটি স্কাল্পটেড গাউন। তাঁর এই লুকটি একাধারে উজ্জ্বল ও আভিজাত্যপূর্ণ ছিল।
সূত্র: ভোগ ও টুডে ডট কম

ভ্রমণপিপাসুদের জন্য দারুণ খবর। ভ্রমণে গিয়ে নিরাপত্তার কথা ভাবলে এখন সবার আগে যে নামটি আসবে, তা হলো সূর্যোদয়ের দেশ জাপান। বিশ্বখ্যাত ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানি ‘বার্কশায়ার হ্যাথাওয়ে ট্রাভেল প্রোটেকশন’-এর ২০২৬ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এশিয়ার সবচেয়ে নিরাপদ দেশের মর্যাদা পেয়েছে জাপান। কঠোর আইন এবং অতি
২ ঘণ্টা আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন বহুল ব্যবহৃত। অফিস থেকে শুরু করে শ্রেণিকক্ষ—সবখানেই এর বিচরণ অবাধে। তবে এর অপব্যবহার শিক্ষার্থীদের বিকাশ ও সৃজনশীলতাকে নেতিবাচক দিকে ধাবিত করছে। এর ক্রমবর্ধমান অপব্যবহার রুখতে এবং শিক্ষার্থীরা সত্যিই বিষয়টি বুঝতে পারছে কি না, তা যাচাই করতে উত্তর আমেরিকার
৪ ঘণ্টা আগে
আজ আপনার জন্য টাকাপয়সা ফেরত পাওয়ার দিন। অনেক আগে কাউকে ধার দেওয়া টাকা বা পুরোনো প্যান্টের পকেটে রাখা নোট আজ উদ্ধার হতে পারে। পুরোনো ঋণ শোধের জন্য আজ সেরা দিন, এতে মনের ওপর থেকে বড় একটা পাথর নেমে যাবে।
৭ ঘণ্টা আগে
ঘরের কোনো ড্রয়ারে বা আলমারিতে পড়ে থাকা পুরোনো কোনো স্মার্টফোন কি আছে? যেগুলো আর ব্যবহার করেন না, কিন্তু ফেলতেও মন চায় না। সেই পুরোনো মোবাইলটাই এবার কাজে লাগতে পারে আপনার ঘরের নিরাপত্তায়।
৮ ঘণ্টা আগে