ফিচার ডেস্ক

কখনো কি আয়নার দিকে তাকিয়ে মনে হয়েছে, বয়সের তুলনায় ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ছে বেশি? আমেরিকান একাডেমি অব ডার্মাটোলজির তথ্যমতে, ২৫ থেকে ৬৫ বছর বয়সী প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ ব্রণ, দাগ, শুষ্কতা, নিষ্প্রভতা ও অকাল বার্ধক্যের মতো ত্বকের সমস্যায় ভোগেন। এটি শুধু স্বাভাবিক বয়সের কারণেই নয়, এর সঙ্গে জীবনযাপন ও পরিবেশগত প্রভাব জড়িত।
অনেক সময় ত্বকের যত্নে ব্যবহৃত প্রসাধনীর চেয়ে প্রতিদিনের অভ্যাস ত্বকের বার্ধক্য বেশি প্রভাবিত করে।
অনিয়মিত ঘুম
কাজ, আড্ডা বা টেলিভিশন দেখার কারণে আমরা প্রায়ই ঘুম কমিয়ে দিই। কিন্তু নিয়মিত সাত-আট ঘণ্টার কম ঘুম ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। মুম্বাইয়ের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শারিফা চৌসে জানান, কম ঘুমালে কোলাজেন উৎপাদন কমে যায়। ফলে ত্বক শুষ্ক হয় এবং বয়সের ছাপ দ্রুত পড়ে। ঘুমের অভাবে কর্টিসল হরমোন বেড়ে ব্রণও হতে পারে। গভীর ঘুমের সময় যে প্রাকৃতিক মেরামত প্রক্রিয়া চলে, সেটি ব্যাহত হয়।
অতিরিক্ত মানসিক চাপ
অতিরিক্ত মানসিক চাপ ত্বকের বড় শত্রু। চাপ বাড়লে কর্টিসল হরমোন বেড়ে যায়, যা ব্রণ, একজিমা বা সোরিয়াসিসের মতো সমস্যা বাড়াতে পারে। যোগব্যায়াম, মেডিটেশন বা নিয়মিত ব্যায়াম চাপ কমাতে সাহায্য করে। চৌসের মতে, প্রায় ৫০ শতাংশ রোগী মনে করেন, তাঁদের ত্বকের সমস্যার বড় কারণ মানসিক চাপ।
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
আপনি যা খান, তার প্রভাব পড়ে ত্বকে। অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার, চিনি ও অস্বাস্থ্যকর চর্বি ত্বকে প্রদাহ সৃষ্টি করে। ফলে ত্বক নিষ্প্রভ হয় এবং ব্রণ বাড়ে। ফল, সবজি, শস্যদানা ও প্রোটিনসমৃদ্ধ সুষম খাদ্য ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে। চৌসে বলেন, অমনোযোগীভাবে খাবার খেলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান শরীর পায় না, যা ত্বকের ক্ষতি করে। চিনিজাতীয় খাবারের বদলে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খেলে ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরতে পারে।
দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা
মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ও ট্যাবলেট আমাদের জীবনের অংশ। তবে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার ত্বকের বার্ধক্যের অন্যতম কারণ। স্ক্রিন থেকে নির্গত নীল আলো ত্বকের স্বাভাবিক কার্যপ্রক্রিয়া ব্যাহত করে এবং দাগ বা রঙের সমস্যা বাড়াতে পারে। নিয়মিত বিরতি নেওয়া, ব্লু-লাইট ফিল্টার ব্যবহার এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ স্কিনকেয়ার পণ্য ব্যবহার উপকারী। মাঝে মাঝে মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকাও ত্বক ও মনের জন্য ভালো।
বাড়তে থাকা দূষণ
শহরের ধোঁয়া থেকে শুরু করে ঘরের ভেতরের দূষিত বাতাস, সবই ত্বকের ক্ষতি করে। এসব ক্ষতিকর কণা ত্বকে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং বয়সের ছাপ দ্রুত ফেলতে সাহায্য করে। এতে ত্বকের সুরক্ষাব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই দূষণের পর ভালোভাবে মুখ পরিষ্কার করা, অ্যান্টি অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ সিরাম ব্যবহার এবং প্রতিদিন সানস্ক্রিন লাগানো জরুরি। চৌসে সতর্ক করে বলেন, দূষিত পরিবেশে ত্বকের যত্নে অবহেলা করলে ভবিষ্যতে বড় সমস্যার মুখে পড়তে হতে পারে।
সূত্র: হেলথশট

কখনো কি আয়নার দিকে তাকিয়ে মনে হয়েছে, বয়সের তুলনায় ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ছে বেশি? আমেরিকান একাডেমি অব ডার্মাটোলজির তথ্যমতে, ২৫ থেকে ৬৫ বছর বয়সী প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ ব্রণ, দাগ, শুষ্কতা, নিষ্প্রভতা ও অকাল বার্ধক্যের মতো ত্বকের সমস্যায় ভোগেন। এটি শুধু স্বাভাবিক বয়সের কারণেই নয়, এর সঙ্গে জীবনযাপন ও পরিবেশগত প্রভাব জড়িত।
অনেক সময় ত্বকের যত্নে ব্যবহৃত প্রসাধনীর চেয়ে প্রতিদিনের অভ্যাস ত্বকের বার্ধক্য বেশি প্রভাবিত করে।
অনিয়মিত ঘুম
কাজ, আড্ডা বা টেলিভিশন দেখার কারণে আমরা প্রায়ই ঘুম কমিয়ে দিই। কিন্তু নিয়মিত সাত-আট ঘণ্টার কম ঘুম ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। মুম্বাইয়ের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শারিফা চৌসে জানান, কম ঘুমালে কোলাজেন উৎপাদন কমে যায়। ফলে ত্বক শুষ্ক হয় এবং বয়সের ছাপ দ্রুত পড়ে। ঘুমের অভাবে কর্টিসল হরমোন বেড়ে ব্রণও হতে পারে। গভীর ঘুমের সময় যে প্রাকৃতিক মেরামত প্রক্রিয়া চলে, সেটি ব্যাহত হয়।
অতিরিক্ত মানসিক চাপ
অতিরিক্ত মানসিক চাপ ত্বকের বড় শত্রু। চাপ বাড়লে কর্টিসল হরমোন বেড়ে যায়, যা ব্রণ, একজিমা বা সোরিয়াসিসের মতো সমস্যা বাড়াতে পারে। যোগব্যায়াম, মেডিটেশন বা নিয়মিত ব্যায়াম চাপ কমাতে সাহায্য করে। চৌসের মতে, প্রায় ৫০ শতাংশ রোগী মনে করেন, তাঁদের ত্বকের সমস্যার বড় কারণ মানসিক চাপ।
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস
আপনি যা খান, তার প্রভাব পড়ে ত্বকে। অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার, চিনি ও অস্বাস্থ্যকর চর্বি ত্বকে প্রদাহ সৃষ্টি করে। ফলে ত্বক নিষ্প্রভ হয় এবং ব্রণ বাড়ে। ফল, সবজি, শস্যদানা ও প্রোটিনসমৃদ্ধ সুষম খাদ্য ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে। চৌসে বলেন, অমনোযোগীভাবে খাবার খেলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান শরীর পায় না, যা ত্বকের ক্ষতি করে। চিনিজাতীয় খাবারের বদলে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খেলে ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরতে পারে।
দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা
মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ও ট্যাবলেট আমাদের জীবনের অংশ। তবে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার ত্বকের বার্ধক্যের অন্যতম কারণ। স্ক্রিন থেকে নির্গত নীল আলো ত্বকের স্বাভাবিক কার্যপ্রক্রিয়া ব্যাহত করে এবং দাগ বা রঙের সমস্যা বাড়াতে পারে। নিয়মিত বিরতি নেওয়া, ব্লু-লাইট ফিল্টার ব্যবহার এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ স্কিনকেয়ার পণ্য ব্যবহার উপকারী। মাঝে মাঝে মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকাও ত্বক ও মনের জন্য ভালো।
বাড়তে থাকা দূষণ
শহরের ধোঁয়া থেকে শুরু করে ঘরের ভেতরের দূষিত বাতাস, সবই ত্বকের ক্ষতি করে। এসব ক্ষতিকর কণা ত্বকে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং বয়সের ছাপ দ্রুত ফেলতে সাহায্য করে। এতে ত্বকের সুরক্ষাব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই দূষণের পর ভালোভাবে মুখ পরিষ্কার করা, অ্যান্টি অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ সিরাম ব্যবহার এবং প্রতিদিন সানস্ক্রিন লাগানো জরুরি। চৌসে সতর্ক করে বলেন, দূষিত পরিবেশে ত্বকের যত্নে অবহেলা করলে ভবিষ্যতে বড় সমস্যার মুখে পড়তে হতে পারে।
সূত্র: হেলথশট

নাক, কান ও গলা—অন্যান্য অঙ্গের মতো এই তিন অঙ্গ আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শ্বাস নেওয়া, কথা বলা, শোনা কিংবা খাবার গ্রহণ—এসব অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল। সামান্য অসচেতনতা কিংবা ভুল অভ্যাসের কারণে এগুলোতে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ দেখা দিতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
ওজন কমানোর নামে খাবার তালিকা থেকে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া এখন একটা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস বা রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সবার আগে খাদ্যতালিকা থেকে কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
আমরা আমাদের জীবনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সময় ঘুমিয়ে কাটাই। অথচ আমরা কীভাবে ঘুমাচ্ছি, তার ওপর আমাদের মেরুদণ্ডের স্বাস্থ্য, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং ঘুমের মান গভীরভাবে নির্ভরশীল।
৫ ঘণ্টা আগে
এক জীবনে নানা ধরনের সমস্যার মোকাবিলা করে চলতে হয়। এর মধ্যে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে চিন্তাভাবনা তো নিত্যদিনের ঘটনা। তবে এমন অবস্থা থেকে রেহাই পেতে পারেন কয়েকটি উপায়ে।
৬ ঘণ্টা আগে