
একজন মানুষের ব্যক্তিত্বই তাঁকে অন্যের কাছে প্রিয় কিংবা অপ্রিয় করে তোলে। মানুষকে বুঝতে হলে ব্যক্তিত্বের ধরন বোঝা জরুরি। না হলে একজীবন শুধু মানুষ চিনতেই কেটে যাবে। ব্যক্তিত্ব চেনার এক দারুণ পদ্ধতির নাম হলো এনাগ্রাম। এই পদ্ধতিতে মানুষের গভীরতম ভয় ও আকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করে মানুষের ব্যক্তিত্বকে ৯টি ভাগ করা হয়েছে। এই ৯ ধরন এবং সেগুলোর বৈশিষ্ট্য সহজভাবে বুঝতে পারলেই মানুষের সঙ্গে মেশা সহজ হয়।
এনাগ্রামের কোনো ধরনই ভালো বা খারাপ নয়। আপনি কোন নম্বরের ব্যক্তিত্ব, তা বুঝতে পারলে নিজের দুর্বলতা কাটিয়ে সেরা মানুষ হয়ে ওঠা সহজ হয়।
ধরন ১: সংস্কারক
এঁরা নীতিমান, সুশৃঙ্খল এবং নিখুঁত কাজ পছন্দ করেন। ভুল বা খারাপ হওয়ার ভয় থেকে এরা সবকিছু নিখুঁত করতে চান। কিন্তু সব সময় নিখুঁত হওয়া অসম্ভব। তাই মাঝে মাঝে নিজেকে শিথিল হতে দিতে হয়। এঁদের সঙ্গে কাজ করতে চাইলে নিয়ম মেনে চলা ভালো। কারণ তাঁরা নিয়মের বাইরে কাজ করতে খুব একটা স্বস্তি বোধ করেন না।
ধরন ২: সাহায্যকারী
এঁরা অমায়িক, সহানুভূতিশীল এবং সব সময় অন্যের প্রয়োজনে পাশে থাকেন। এ ধরনের মানুষ একা হয়ে যাওয়া বা ভালোবাসা না পাওয়াকে ভয় পান। অন্যকে সাহায্য করার মাধ্যমে এঁরা নিজের গুরুত্ব প্রমাণ করতে চান। যাঁরা এ ধরনের মানুষ তাঁদের নিজের যত্ন নেওয়া উচিত। এঁদের ভালোবাসার প্রতিদান দিলে এঁরা খুশি হয়।
ধরন ৩: অর্জনকারী
এঁরা প্রচণ্ড পরিশ্রমী। এ ধরনের মানুষ জীবনে সফল হতে মরিয়া হয়ে থাকেন। এঁরা ইমেজ বা নিজের ভাবমূর্তি নিয়ে খুব সচেতন। তাঁরা মূল্যহীন হয়ে পড়ার ভয় পান। তাই সাফল্য দিয়ে সবার প্রশংসা পেতে চান। যাঁরা এমন তাঁরা সফলতার বাইরে নিজের আসল পরিচয় খুঁজুন। আর এ ধরনের মানুষের আশপাশে থাকলে শুধু সাফল্যের জন্য নয়, মানুষ হিসেবেও তাঁদের প্রশংসা করুন।
ধরন ৪: ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদী
এঁরা সংবেদনশীল, সৃজনশীল এবং একটু অন্তর্মুখী। এঁরা নিজেদের অন্যদের চেয়ে আলাদা মনে করেন। এ ধরনের মানুষ সাধারণ হয়ে যাওয়ার ভয় পান। নিজেদের বিশেষ বা গভীর কিছু হিসেবে প্রমাণ করতে চান। এঁদের আবেগকে গুরুত্ব দিন। এঁদের ‘ফিস্ক’ করার চেষ্টা না করে শুধু পাশে থাকুন।
ধরন ৫: গবেষক
এঁরা একা থাকতে পছন্দ করেন এবং সব সময় অজানাকে জানতে চান। এঁরা আবেগপ্রবণ হওয়ার চেয়ে যুক্তিবাদী হতে ভালোবাসেন। তবে এঁরা অসহায় হওয়ার ভয় পান। জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে এঁরা নিরাপদ বোধ করেন। এঁদের ব্যক্তিগত সময়ে বাধা দেবেন না। এঁদের সঙ্গে কথা বলার সময় ধৈর্য ধরুন।
ধরন ৬: অনুগত
এঁরা খুব দায়িত্ববান। কিন্তু সব সময় বিপদের আশঙ্কা করেন। এঁরা নির্ভরযোগ্য এবং কঠোর পরিশ্রমী। তবে এ ধরনের মানুষ আশ্রয়হীন হওয়ার ভয় পান। তাই তাঁরা নিরাপত্তা ও সমর্থনের খোঁজে থাকেন সব সময়। এঁদের দুশ্চিন্তাকে উড়িয়ে দেবেন না, বরং সাহস দিন। এঁদের কাছে স্বচ্ছ থাকা জরুরি।
ধরন ৭: উৎসাহী
এঁরা সব সময় আনন্দ ও নতুন অভিজ্ঞতার খোঁজে থাকেন। এ ধরনের মানুষ পরিকল্পনা করতে ভালোবাসেন। কিন্তু এক জায়গায় স্থির থাকতে পারেন না। এঁরা কষ্ট বা একঘেয়েমিতে আটকা পড়ার ভয় পান। তাই সব সময় আনন্দে থাকতে চান। এঁদের মাঝে মাঝে একটু ধীরগতিতে চলতে এবং একাকী সময় কাটাতে উৎসাহিত করুন।
ধরন ৮: চ্যালেঞ্জার
এঁরা শক্তিশালী, আত্মবিশ্বাসী ও রক্ষাকর্তা হিসেবে পরিচিত। কোনো অন্যায় দেখলে এঁরা চুপ থাকেন না। এ ধরনের মানুষ অন্যের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত বা প্রতারিত হওয়ার ভয় পান। তাই নিজের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে চান। এঁদের সঙ্গে সরাসরি ও সত্য কথা বলুন। এঁরা সততাকে সম্মান করেন।
ধরন ৯: শান্তিকামী
এঁরা শান্ত, মিশুক ও ঝগড়াঝাঁটি এড়িয়ে চলেন। সবাই যেন মিলেমিশে থাকে, এটাই তাঁদের চাওয়া। এঁরা প্রিয়জন হারানো বা অশান্তির ভয় পান। শান্তি বজায় রাখতে এঁরা নিজের ইচ্ছা বিসর্জন দেন। এঁদের নিজের মতামত প্রকাশ করতে উৎসাহিত করুন। এঁদের ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবেন না।
সূত্র: শোবিজ ডেইলি

ওজন কমানো মানেই চর্বি ছেঁটে ফেলা। এই ওজন কমানোর যাত্রায় আমরা প্রায়ই সব চর্বিকে একই নজরে দেখি। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, সব চর্বি সমান নয়। আমাদের ত্বকের ঠিক নিচে যে চর্বি জমে, তা দেখতে খারাপ লাগলেও শরীরের জন্য ততটা বিপজ্জনক নয়। আসল শত্রু হলো ‘ভিসারেল ফ্যাট’ বা পেটের গভীরে থাকা চর্বি।
১০ ঘণ্টা আগে
কতটা সুস্থ থাকবেন, তা নির্ভর করে আপনার দৈনন্দিন জীবনযাপন কেমন। প্রতিদিন কী ধরনের বাসনকোসন ব্যবহার করছেন, কেমন খাবার খাচ্ছেন—এসব ব্যাপার যেমন স্বাস্থ্য়ের ওপর প্রভাব ফেলে, তেমনি এগুলোর প্রভাব পরিবেশের ওপরও পড়ে। নিজের স্বাস্থ্য ও বাড়ির পরিবেশ ভালো রাখার জন্য সব সময় বড় কোনো উদ্যোগই নিতে হবে এমন....
১২ ঘণ্টা আগে
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্যানেল টোয়াব অগ্রগামী ঐক্যজোট শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি কনভেনশন হলে ‘সুফি নাইটস ও ডিনার’ শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
১৩ ঘণ্টা আগে
অনেকেই বলেন বাথরুমে বসে নাকি সবচেয়ে সৃজনশীল বুদ্ধিটা মাথায় আসে। মনে আছে ছোটবেলায় শোনা বিশ্বখ্যাত গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের সেই গল্প। যেখানে বিজ্ঞানী এই মনীষী গোসলের টাবে নামতে গিয়েই পদার্থবিজ্ঞানের একটি যুগান্তকারী সূত্র আবিষ্কার করেছিলেন।
১৬ ঘণ্টা আগে