রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত নিয়ে আমাদের কাছে হাজির হয়েছে বছরের সেরা মাস রমজান। রমজান মুমিনের জীবনে সবচেয়ে কল্যাণকর মাস। মহানবী (সা.) এরশাদ করেন, ‘মুমিনদের জীবনে রমজানের চেয়ে অধিক কল্যাণকর কোনো মাস অতিবাহিত হয় না এবং মুনাফিকদের জীবনে রমজানের চেয়ে অধিক অনিষ্টকর কোনো মাস অতিবাহিত হয় না।’ (মুসনাদে আহমাদ: ৮৮৭০)
মাহে রমজান আমাদের প্রতি আল্লাহ তাআলার বিশেষ দয়া ও রহমত। এই মাসের আগমনে আমাদের খুশি হওয়া চাই। কারণ আল্লাহর নিয়ামত এলে খুশি হয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা মুমিনের একান্ত কর্তব্য। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘বলে দিন, আল্লাহর অনুগ্রহ ও করুণায় তা এসেছে; সুতরাং এ নিয়ে তাদের আনন্দিত হওয়া উচিত। তা তারা যা সঞ্চয় করেছে, তা থেকে অধিক উত্তম।’ (সুরা ইউনুস: ৫৮)
সচেতন মুসলিম মাত্রই মহিমান্বিত মাস রমজানের আগমনে আনন্দিত হন। রমজানকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে নতুন প্রাণে জেগে ওঠেন। যেমন আপনার কোনো প্রিয় মানুষ ও হিতাকাঙ্ক্ষী ব্যক্তি দীর্ঘ ১১ মাস আপনার থেকে দূরে থাকার পর ফিরে এলে নিশ্চয়ই আপনার আনন্দের সীমা থাকবে না। তেমনি রমজান এলে মুমিনের আনন্দের সীমা থাকে না।
রোজা বা সিয়াম সাধনা হলো রমজানের প্রাণ। কোরআন, হাদিস এমনকি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণেও রোজার উপকারিতা প্রমাণিত। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর রোজা রাখাই তোমাদের জন্য অধিক কল্যাণকর, যদি তোমরা বুঝে থাকো।’ (সুরা বাকারা: ১৮৪)
সুতরাং রমজান মানে মুমিনের জীবনে খুশির আলোড়ন। এ খুশি সাধনা ও অর্জনের; আনুষ্ঠানিকতা বা বিলাসিতার নয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের এই ফজিলতপূর্ণ মাসের প্রতি ইনসাফ করার তৌফিক দিন।
মাওলানা ইমরান হোসাইন, শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৩ ঘণ্টা আগে
‘দোয়া’ শব্দটি মূলত আরবি ‘দাআ’ ধাতু থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার অর্থ—সম্বোধন করা, কাউকে ডাক দেওয়া, আহ্বান করা, প্রার্থনা বা অনুরোধ করা। সহজ কথায়, মহান আল্লাহ তাআলাকে পরম আকুতিতে সম্বোধন করে ডাকা এবং তাঁর কাছে নিজের অভাব-অভিযোগ ও প্রয়োজন পেশ করাই হচ্ছে মূলত দোয়া।
১১ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন হজরত খানজাহান আলী (রহ.)। তিনি কেবল একজন পীর বা ধর্মপ্রচারকই ছিলেন না, ছিলেন একাধারে বীর সেনাপতি ও দক্ষ প্রশাসক। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ‘ঠাকুরদীঘি’ এবং এর বিখ্যাত কুমির ‘কালাপাহাড়’ ও ‘ধলাপাহাড়’-এর গল্প শোনেনি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দায়।
১২ ঘণ্টা আগে
তাহিয়্যাতুল মসজিদ বা দুখুলুল মসজিদ একটি গুরুত্বপূর্ণ নফল নামাজ। তাহিয়্যা অর্থ উপহার এবং দুখুল অর্থ প্রবেশ করা। মসজিদে প্রবেশ করেই উপহার হিসেবে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করা হয় বলে এর নাম তাহিয়্যাতুল মসজিদ অথবা দুখুলুল মসজিদ।
১ দিন আগে