জান্নাত—এটি কোনো কাল্পনিক স্বপ্ন নয়। এটি সেই অনন্ত আশ্রয়, যেখানে নেই দুঃখ-দুর্দশা, চোখের জল, ব্যথার স্পর্শ, নেই মৃত্যু কিংবা বিচ্ছেদ। জান্নাত মানে শান্তি, অপার সুখ। আর সেই জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ।
এই দুনিয়ায় আমরা ক্লান্ত হই। অসুস্থ হই। হারিয়ে ফেলি প্রিয়জন। লড়াই করি প্রতিনিয়ত। জান্নাত হলো সেই পুরস্কার, যেখানে ক্লান্তি নেই, আছে প্রশান্তি। যেখানে প্রতিটি নিশ্বাস হবে স্বস্তির। সেখানে দেখা হবে ভালোবাসার। কোনো হিংসা থাকবে না, পাপ থাকবে না, থাকবে কেবল ভালোবাসার মানুষগুলো নিয়ে অনন্ত বসবাস।
কিন্তু এই জান্নাত কি সবাই পাবে? না। এটি তাদের জন্য, যারা চোখের জল ফেলে, রাতে উঠে নামাজ পড়ে। যারা মানুষের কষ্ট লাঘব করে। কারও কষ্টের মাধ্যম হয় না। নিজে ক্ষুধার্ত থেকে অন্যকে খাওয়ায়। যারা পাপের ডাক শুনেও, মুখ ফিরিয়ে নেয়। যারা আল্লাহর জন্য ভালোবাসে। তারই জন্য ঘৃণা করে এবং আল্লাহর ভয়ে কাঁদে।
পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘যারা ইমান আনে ও সৎকাজ করে, তাদের জন্য থাকবে এমন জান্নাত; যার নিচ দিয়ে বয়ে যাবে ঝরনাধারা।’ (সুরা বাইয়িনাহ: ৭-৮)
জান্নাত এমন এক পুরস্কার—যার এক ফোঁটা নেয়ামতের তুলনাও এই দুনিয়ার হাজার বছরের সুখে মেলে না। তাই আজকের প্রতিটি ভালো কাজ, প্রতিটি ত্যাগ, প্রতিটি অশ্রু—একটি জান্নাতের টিকিট।
লেখক: শিক্ষার্থী, আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া মাখজানুল উলুম, ঢাকা

ঘর হলো মানুষের ক্লান্তি দূর করার ও মানসিক প্রশান্তি লাভের প্রধান আশ্রয়স্থল। নিজের ঘর হোক কিংবা অন্যের; সেখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে ইসলামের সুন্দর কিছু নিয়ম রয়েছে। আল্লাহর রাসুল (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন...
৪ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
৮ ঘণ্টা আগে
‘দোয়া’ শব্দটি মূলত আরবি ‘দাআ’ ধাতু থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার অর্থ—সম্বোধন করা, কাউকে ডাক দেওয়া, আহ্বান করা, প্রার্থনা বা অনুরোধ করা। সহজ কথায়, মহান আল্লাহ তাআলাকে পরম আকুতিতে সম্বোধন করে ডাকা এবং তাঁর কাছে নিজের অভাব-অভিযোগ ও প্রয়োজন পেশ করাই হচ্ছে মূলত দোয়া।
১৬ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন হজরত খানজাহান আলী (রহ.)। তিনি কেবল একজন পীর বা ধর্মপ্রচারকই ছিলেন না, ছিলেন একাধারে বীর সেনাপতি ও দক্ষ প্রশাসক। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ‘ঠাকুরদীঘি’ এবং এর বিখ্যাত কুমির ‘কালাপাহাড়’ ও ‘ধলাপাহাড়’-এর গল্প শোনেনি, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দায়।
১৭ ঘণ্টা আগে