
ডেটিং অ্যাপে ব্যর্থ হয়ে এবার নতুন পথে হাঁটলেন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোর ৪২ বছর বয়সী লিসা ক্যাটালানো। পছন্দের মানুষ খুঁজে না পেয়ে তিনি তৈরি করেছেন নিজের ওয়েবসাইট ‘ম্যারিলিসা ডট কম’। এই ওয়েবসাইটে পুরুষেরা তাঁকে বিয়ে করার জন্য সরাসরি আবেদন করতে পারবেন।
শুধু তা-ই নয়, নিজের ওয়েবসাইটের প্রচারে শহরের ব্যস্ত সড়কজুড়ে বিলবোর্ড ঝুলিয়েছেন লিসা, এমনকি ট্যাক্সির গায়ে লাগিয়েছেন ওয়েবসাইটের ঠিকানাসহ স্টিকার। এ বিষয়ে তাঁর ভাষ্য হলো, ‘যে মানুষটি আমার সঙ্গে মানিয়ে যাবে, সে যেন আমাকে খুঁজে পায়।’
লিসা জানান, বিষয়টি শুরু হয়েছিল নিছক মজা হিসেবে। ডেটিং অ্যাপে হতাশা জমতে থাকায় একদিন তিনি কৌতুক করে ওয়েবসাইট বানাতে শুরু করেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেটি হয়ে ওঠে বাস্তব একটি প্রকল্প। তাঁর পরিবার ও বন্ধুরা প্রথমে বিষয়টিকে পাগলামি ভেবেছিল, তবে পরে ধীরে ধীরে সমর্থন করতে শুরু করে।
রোববার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দ্য পিপল জানিয়েছে, ওয়েবসাইটের প্রচারের জন্য বিলবোর্ড বেছে নেন লিসা। তাঁর ভাষায়, ‘ওয়েবসাইট বানিয়ে রাখলে লাভ কী, যদি কেউ না দেখে?’ তাই তিনি হাইওয়ে ১০১ বরাবর সান্তা ক্লারা থেকে সাউথ সান ফ্রান্সিসকো পর্যন্ত বেশ কিছু ডিজিটাল বিলবোর্ডে নিজের ছবি ও ওয়েবসাইটের ঠিকানা তুলে ধরেছেন। কালো পটভূমিতে হলুদ অক্ষরে লেখা ‘ম্যারিলিসা ডট কম’ দৃষ্টি কাড়ার মতোই সরল এক ডিজাইন।
ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হলে পুরুষদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, জীবনধারা, শখ, এমনকি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কেও তথ্য দিতে হবে। লিসা জানিয়েছেন, তিনি এমন কাউকে চান, যিনি একনিষ্ঠ, সম্পর্কের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং পরিবার গঠনে আগ্রহী। বয়স ৩৫ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে হলে ভালো। তবে এখন পর্যন্ত তাঁর কাছে ১৯ থেকে ৭৮ বছর বয়সী প্রায় ১ হাজার ৮০০ আবেদন এসেছে।
তাঁর এই উদ্যোগ ঘিরে সামাজিক প্রতিক্রিয়াও মিশ্র। কেউ একে ‘সাহসী ও অনুপ্রেরণাদায়ী’ বলছেন, কেউ আবার ‘অতিরিক্ত স্টান্টবাজি’ আখ্যা দিয়ে সমালোচনা করছেন। তবে লিসা তা ব্যক্তিগত শক্তির প্রকাশ হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, ‘অনেক ঘৃণা পাচ্ছি, কিন্তু সেই সঙ্গে অনেক ভালোবাসাও পাচ্ছি।’
লিসার জীবনেও আছে এক বেদনার অধ্যায়। একবার তাঁর বাগদান সম্পন্ন হয়েছিল, কিন্তু ২০২৩ সালে তাঁর হবু স্বামী এক মরণব্যাধিতে মারা যান। এরপরই আবার নতুনভাবে স্বামীর সন্ধান শুরু করেন তিনি।
সবকিছু মিলিয়ে, বিলবোর্ডে ঝুলে থাকা বার্তাটি এখন যেন তাঁর জীবনের প্রতীক হয়ে উঠেছে। এতে লেখা আছে, ‘আমার জন্য যিনি উপযুক্ত, তিনিও হয়তো কোথাও আমাকে খুঁজছেন; হয়তো তাঁর আবেদন এরই মধ্যে আমার ইনবক্সে এসে পৌঁছেছে।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১১ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১৮ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩৯ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৪৩ মিনিট আগে