আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন। তবে মধ্যপ্রাচ্য ঘিরে এখনো মার্কিন সামরিক তৎপরতা চলমান রয়েছে।
এদিকে হামলার ঝুঁকি কমে আসায় আকাশসীমা খুলে দিয়েছে ইরান। তবে ইন্টারনেট সেবা এখনো বন্ধ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে লাশ খুঁজে পেতে মর্গগুলোয় ভিড় বাড়ছে স্বজনদের।
ইরানে মুদ্রার দরপতনের জেরে গত ২৮ ডিসেম্বর বিক্ষোভ শুরু হয়। এরপর বিক্ষোভ দমনে গুলি চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। তেহরানে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভ বর্তমানে ইরানের ৩১টি প্রদেশের ১৯০টি শহরে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সাত দিন ধরে দেশটিতে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এ সেবা চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর হুমকি দেওয়ার পর দেশটির আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এ নিষেধাজ্ঞা জারির ৫ ঘণ্টা পর তা তুলে নেওয়া হয়।
এদিকে ইরানে বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিভিন্ন সংখ্যা জানালেও দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছু জানানো হয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে শুধু বলা হয়েছে, এই বিক্ষোভ ১০০-এর বেশি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মারা গেছেন। যদিও তেহরানে বুধবার ৩০০ লাশের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ৬১৫ জন ছাড়িয়েছে।
এদিকে দেশটিতে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকায় নিহত ব্যক্তিদের প্রকৃত সংখ্যা জানা কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআর) জানিয়েছে, সরকারবিরোধী এই বিক্ষোভে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৪২৮ হয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, শত শত বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে।
এখনো হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার কথা বলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, ইরান তাঁকে নিশ্চিত করেছে, তারা বিক্ষোভকারীদের ফাঁসিতে ঝোলাবে না। এ ছাড়া বিক্ষোভের পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, অপর পক্ষের (ইরান) ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ সূত্রের’ সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। পরিস্থিতির বাঁকবদলগুলো তিনি পর্যবেক্ষণ করবেন। তবে ট্রাম্প সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেননি।
এদিকে ইরান ইস্যুতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার মধ্যে বুধবার কাতারের মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে কিছুসংখ্যক সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মার্কিন ঘাঁটিতেও সামরিক তৎপরতা শুরু হয়। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার পর এসব ঘাঁটিতে যে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল, তার ‘লেভেলও’ কমিয়ে আনা হয়। তবে অন্যদিকে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে মার্কিন বাহিনী। আল জাজিরার আরেক খবরে বলা হয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগর থেকে মার্কিন রণতরি সরিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নেওয়া হচ্ছে। এর আগে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় রণতরি সরিয়ে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ইরানে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
মর্গে মানুষের ভিড়
ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর গত কয়েক দিন ইরানের বিক্ষোভের তেমন কোনো ছবিও প্রকাশ করতে পারেনি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। তবে গতকাল বিভিন্ন গণমাধ্যমই ছবি প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন স্থানে সড়কে পোড়া গাড়ি পড়ে রয়েছে। আবার জনজটও দেখা গেছে ইরানের রাজধানী তেহরান শহরে। এদিকে সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, ইরানে এই সরকারবিরোধী বিক্ষোভে যাঁরা নিহত হয়েছেন, তাঁদের সন্ধানে মর্গে মর্গে ঘুরে বেড়াচ্ছেন স্বজনেরা। এসব লাশ রাখার জন্য অস্থায়ী মর্গ গড়ে তোলা হয়েছে।
দেশটির কাহরিজাক শহরে ফরেনসিক মেডিকেল সেন্টারে সারি সারি লাশ দেখা গেছে। সেখানে কালো ব্যাগে অনেক লাশ সারি করে রাখা ছিল। সেখানে নিখোঁজদের ছবি নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে স্বজনদের। হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, সেখানে প্রায় আড়াই শ লাশ ছিল। সিএনএন বলছে, এমন আরও বেশ কিছু ভিডিও এবং ছবি তাদের হাতে এসেছে ইরানের বিভিন্ন স্থান থেকে। এসব ছবিতেও লাশের সারি দেখা গেছে। কোথাও কোথাও ফরেনসিক সেন্টারের বাইরে লাশ ফেলে রাখতে দেখা গেছে।
ভয়ংকর অভিজ্ঞতা ইরানিদের
ইরানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে দেশটির নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলেছে বিবিসি। তেহরানের একজন নিজের এলাকার তথ্য তুলে ধরে বলেন, ‘আমাদের এলাকাটি খুব বড় নয়। তবে অনেকেই এখানে মারা গেছেন।’ আরেকজন বলেন, যাঁদের হত্যা করা হয়েছে, তাঁদের বেশির ভাগকে গুলি করা হয়েছে মুখে, নয়তো মাথায়।
তেহরান থেকে রেজা (ছদ্মনাম) নামের এক ব্যক্তি ৮ জানুয়ারির বিক্ষোভ নিয়ে বিবিসির সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর স্ত্রী মরিয়ম এই বিক্ষোভে মারা গেছেন।
রেজা বলেন, ওই রাতে বিক্ষোভে যোগ দিতে বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে। তিনি বলেন, ‘হঠাৎ আমি অনুভব করলাম আমার হাত হালকা। হাতে শুধু তাঁর (স্ত্রীর) জ্যাকেট।’ রেজা জানান, মরিয়মকে গুলি করা হয়েছিল। তবে সে গুলি কোনদিক থেকে এসেছে, তাও বুঝতে পারেননি তিনি।
মরিয়মের লাশ নিয়ে রেজাকে দেড় ঘণ্টা ছুটতে হয়েছে। এরপর তিনি একটি গলিতে ক্লান্ত হয়ে বসে পড়েন। কিছুক্ষণ পর একটি বাড়ির দরজা খুলে যায়। এরপর সেখানকার মানুষেরা এসে বাড়ির গ্যারেজে নিয়ে যান মরিয়মের লাশ।
মরিয়ম এবারের বিক্ষোভে নিয়মিত যোগ দিয়েছিলেন। একদিন তিনি তাঁর সন্তানকে বলে গিয়েছিলেন, মাঝেমধ্যে মা-বাবারা বিক্ষোভে যান এবং তাঁরা আর ফিরে আসেন না।
৮ জানুয়ারির বিক্ষোভ থেকে আর ফেরেননি মরিয়ম।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে এক তরুণের ফাঁসি কার্যকরের সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছে তারা। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর অবস্থান থেকে খানিকটা সরে এসেছেন। তবে মধ্যপ্রাচ্য ঘিরে এখনো মার্কিন সামরিক তৎপরতা চলমান রয়েছে।
এদিকে হামলার ঝুঁকি কমে আসায় আকাশসীমা খুলে দিয়েছে ইরান। তবে ইন্টারনেট সেবা এখনো বন্ধ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে লাশ খুঁজে পেতে মর্গগুলোয় ভিড় বাড়ছে স্বজনদের।
ইরানে মুদ্রার দরপতনের জেরে গত ২৮ ডিসেম্বর বিক্ষোভ শুরু হয়। এরপর বিক্ষোভ দমনে গুলি চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। তেহরানে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভ বর্তমানে ইরানের ৩১টি প্রদেশের ১৯০টি শহরে ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়। আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সাত দিন ধরে দেশটিতে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে এখনো এ সেবা চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর হুমকি দেওয়ার পর দেশটির আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এ নিষেধাজ্ঞা জারির ৫ ঘণ্টা পর তা তুলে নেওয়া হয়।
এদিকে ইরানে বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিভিন্ন সংখ্যা জানালেও দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছু জানানো হয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে শুধু বলা হয়েছে, এই বিক্ষোভ ১০০-এর বেশি নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মারা গেছেন। যদিও তেহরানে বুধবার ৩০০ লাশের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ৬১৫ জন ছাড়িয়েছে।
এদিকে দেশটিতে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকায় নিহত ব্যক্তিদের প্রকৃত সংখ্যা জানা কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআর) জানিয়েছে, সরকারবিরোধী এই বিক্ষোভে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৪২৮ হয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, শত শত বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে।
এখনো হুমকি ট্রাম্পের
ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার কথা বলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, ইরান তাঁকে নিশ্চিত করেছে, তারা বিক্ষোভকারীদের ফাঁসিতে ঝোলাবে না। এ ছাড়া বিক্ষোভের পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, অপর পক্ষের (ইরান) ‘খুবই গুরুত্বপূর্ণ সূত্রের’ সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। পরিস্থিতির বাঁকবদলগুলো তিনি পর্যবেক্ষণ করবেন। তবে ট্রাম্প সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেননি।
এদিকে ইরান ইস্যুতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার মধ্যে বুধবার কাতারের মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে কিছুসংখ্যক সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মার্কিন ঘাঁটিতেও সামরিক তৎপরতা শুরু হয়। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার পর এসব ঘাঁটিতে যে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল, তার ‘লেভেলও’ কমিয়ে আনা হয়। তবে অন্যদিকে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে মার্কিন বাহিনী। আল জাজিরার আরেক খবরে বলা হয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগর থেকে মার্কিন রণতরি সরিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নেওয়া হচ্ছে। এর আগে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় রণতরি সরিয়ে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ইরানে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
মর্গে মানুষের ভিড়
ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর গত কয়েক দিন ইরানের বিক্ষোভের তেমন কোনো ছবিও প্রকাশ করতে পারেনি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। তবে গতকাল বিভিন্ন গণমাধ্যমই ছবি প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন স্থানে সড়কে পোড়া গাড়ি পড়ে রয়েছে। আবার জনজটও দেখা গেছে ইরানের রাজধানী তেহরান শহরে। এদিকে সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, ইরানে এই সরকারবিরোধী বিক্ষোভে যাঁরা নিহত হয়েছেন, তাঁদের সন্ধানে মর্গে মর্গে ঘুরে বেড়াচ্ছেন স্বজনেরা। এসব লাশ রাখার জন্য অস্থায়ী মর্গ গড়ে তোলা হয়েছে।
দেশটির কাহরিজাক শহরে ফরেনসিক মেডিকেল সেন্টারে সারি সারি লাশ দেখা গেছে। সেখানে কালো ব্যাগে অনেক লাশ সারি করে রাখা ছিল। সেখানে নিখোঁজদের ছবি নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে স্বজনদের। হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, সেখানে প্রায় আড়াই শ লাশ ছিল। সিএনএন বলছে, এমন আরও বেশ কিছু ভিডিও এবং ছবি তাদের হাতে এসেছে ইরানের বিভিন্ন স্থান থেকে। এসব ছবিতেও লাশের সারি দেখা গেছে। কোথাও কোথাও ফরেনসিক সেন্টারের বাইরে লাশ ফেলে রাখতে দেখা গেছে।
ভয়ংকর অভিজ্ঞতা ইরানিদের
ইরানের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে দেশটির নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলেছে বিবিসি। তেহরানের একজন নিজের এলাকার তথ্য তুলে ধরে বলেন, ‘আমাদের এলাকাটি খুব বড় নয়। তবে অনেকেই এখানে মারা গেছেন।’ আরেকজন বলেন, যাঁদের হত্যা করা হয়েছে, তাঁদের বেশির ভাগকে গুলি করা হয়েছে মুখে, নয়তো মাথায়।
তেহরান থেকে রেজা (ছদ্মনাম) নামের এক ব্যক্তি ৮ জানুয়ারির বিক্ষোভ নিয়ে বিবিসির সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর স্ত্রী মরিয়ম এই বিক্ষোভে মারা গেছেন।
রেজা বলেন, ওই রাতে বিক্ষোভে যোগ দিতে বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে। তিনি বলেন, ‘হঠাৎ আমি অনুভব করলাম আমার হাত হালকা। হাতে শুধু তাঁর (স্ত্রীর) জ্যাকেট।’ রেজা জানান, মরিয়মকে গুলি করা হয়েছিল। তবে সে গুলি কোনদিক থেকে এসেছে, তাও বুঝতে পারেননি তিনি।
মরিয়মের লাশ নিয়ে রেজাকে দেড় ঘণ্টা ছুটতে হয়েছে। এরপর তিনি একটি গলিতে ক্লান্ত হয়ে বসে পড়েন। কিছুক্ষণ পর একটি বাড়ির দরজা খুলে যায়। এরপর সেখানকার মানুষেরা এসে বাড়ির গ্যারেজে নিয়ে যান মরিয়মের লাশ।
মরিয়ম এবারের বিক্ষোভে নিয়মিত যোগ দিয়েছিলেন। একদিন তিনি তাঁর সন্তানকে বলে গিয়েছিলেন, মাঝেমধ্যে মা-বাবারা বিক্ষোভে যান এবং তাঁরা আর ফিরে আসেন না।
৮ জানুয়ারির বিক্ষোভ থেকে আর ফেরেননি মরিয়ম।

যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের ইমিগ্র্যান্ট বা অভিবাসী ভিসা দেয়। স্থগিতের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে পরিবারভিত্তিক অভিবাসী ভিসা। এর আওতায়—মার্কিন নাগরিকের স্বামী/স্ত্রীর ভিসা (আইআর-১, সিআর-১), বাগদত্ত/বাগদত্তা ভিসা (কে-১), মার্কিন নাগরিকের পরিবারের সদস্যদের ভিসা (আইআর-২, আইআর-৫, এফ-১, এফ-৩ ও এফ-৪)...
৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার ইঙ্গিত দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ–সংক্রান্ত উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম মাত্র একদিনেই ৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা আবারও জোর দিয়ে বলছেন। তবে তাঁর এমন ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইউরোপের কয়েক দেশের একটি সম্মিলিত বাহিনী দ্বীপটিতে পৌঁছেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বিরত রাখতে শেষ মুহূর্তে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়েছে সৌদি আরব, কাতার ও ওমান। এই তিন উপসাগরীয় দেশের যৌথ উদ্যোগেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ‘আরেকটি সুযোগ’ দিতে সম্মত হন বলে জানিয়েছেন সৌদি আরবের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
৪ ঘণ্টা আগে