
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ গ্রিনল্যান্ড দ্বীপ মার্কিন নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা আবারও জোর দিয়ে বলছেন। তবে তাঁর এমন ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইউরোপের কয়েক দেশের একটি সম্মিলিত বাহিনী দ্বীপটিতে পৌঁছেছে।
বিবিসি জানিয়েছে, ডেনমার্কের আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকে প্রথম দফায় ১৫ সদস্যের একটি ফরাসি সামরিক দল পৌঁছায়। ‘রিকনিসান্স মিশন’-এর অংশ হিসেবে শিগগিরই সেখানে জার্মানি, সুইডেন, নরওয়ে, নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাজ্যের সামরিক সদস্যরাও যোগ দেবেন।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ জানিয়েছেন, প্রাথমিক ওই দলটিকে দ্রুতই স্থল, আকাশ ও নৌসম্পদের মাধ্যমে শক্তিশালী করা হবে। ফরাসি কূটনীতিক অলিভিয়ে পোয়াভর দ’আরভোর এই মোতায়েনকে শক্ত রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখছেন। তাঁর ভাষায়, ‘এটি একটি প্রাথমিক মহড়া—এর মাধ্যমে আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে দেখাতে চাই যে ন্যাটো এখানে উপস্থিত।’
এই সামরিক উপস্থিতির পেছনে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও স্পষ্ট। সম্প্রতি ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ওয়াশিংটনে গিয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোক্কে রাসমুসেন বলেন—আলোচনা গঠনমূলক হলেও গ্রিনল্যান্ড নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ‘মৌলিক মতবিরোধ’ রয়ে গেছে। তিনি ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাবেরও সমালোচনা করেন।
অন্যদিকে ট্রাম্প ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের বলেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড দরকার।’ তিনি শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনা উড়িয়ে না দিলেও ডেনমার্কের সঙ্গে সমঝোতার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তবে এই বক্তব্য ইউরোপে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক সতর্ক করে বলেন, ন্যাটোর এক সদস্যের ভূখণ্ডে আরেক সদস্যের সামরিক হস্তক্ষেপ ‘রাজনৈতিক বিপর্যয়’ ডেকে আনবে।
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের প্রতিরক্ষা পুরো ন্যাটো জোটের সম্মিলিত দায়িত্ব। গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেনও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তাঁর জনগণ যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে যেতে চায় না এবং প্রয়োজনে ডেনমার্ককেই বেছে নেবে। এই অবস্থানই স্পষ্ট করছে—গ্রিনল্যান্ড এখন বৈশ্বিক ভূরাজনীতির এক স্পর্শকাতর কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে, হিজবুল্লাহ একটি কার্যত একতরফা যুদ্ধবিরতি পালন করে আসছে। প্রায় প্রতিদিনই ইসরায়েল আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু তারা কোনও প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।
২৯ মিনিট আগে
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বাহিনীর হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহতের ঘটনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিশ্বনেতারা। খামেনির মৃত্যুতে আঞ্চলিক অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন তাঁরা। এদিকে গতকাল উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ইরান সংকট নিয়ে...
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়ার পর, গতকাল রোববার পুরো পাকিস্তানজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেশজুড়ে ২০ জন নিহত এবং আরও কয়েক ডজন মানুষ আহত হন।
১ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলি বিমানবাহিনী লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বোমাবর্ষণ করেছে। এর আগে হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলের হাইফার কাছে একটি সামরিক ঘাঁটিতে রকেট ও ড্রোন হামলা চালায়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে