
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপ করেছেন এবং তাঁকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার টেবিলে দ্রুত ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
এক্স (সাবেক টুইটার)-এ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মাখোঁ বলেন, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনাই উত্তেজনা প্রশমনের একমাত্র গ্রহণযোগ্য পথ।
তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এখনো আন্তর্জাতিকভাবে উদ্বেগের বিষয়, এবং এই সমস্যার সমাধান শুধুমাত্র কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।
মাখোঁ আরও বলেন, চলমান উত্তেজনার কারণে আঞ্চলিক অস্থিরতার ঝুঁকি অত্যন্ত গভীর। তিনি ইরানে অবস্থানরত ফরাসি নাগরিক ও কূটনৈতিক স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
মাখোঁ বলেন, ‘আমি ইরানি নেতাকে বলেছি, যেন কোনোভাবেই ফরাসি নাগরিক বা আমাদের কূটনৈতিক ভবনগুলিকে লক্ষ্য করা না হয়।’
ফরাসি প্রেসিডেন্ট পেজেকশিয়ানের সঙ্গে কথোপকথনকালে ইরানে আটক থাকা দুই ফরাসি নাগরিক সেসিল কোলার ও জ্যাক প্যারিসের মুক্তিও দাবি করেন।
তিনি বলেন, ‘তাদের তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে অগ্রহণযোগ্য পরিস্থিতিতে জিম্মি করে রাখা হয়েছে।’
ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে এই ফোনালাপটি হয়েছে। ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বিমান হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর এসেছে, যা আন্তর্জাতিক উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মাখোঁর আলোচনার আহ্বান কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা উন্মোচনে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৮ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৬ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে