
চলমান সংঘাত নিরসনে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আজ বুধবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরআইবির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইরানের পক্ষ থেকে একটি ‘পাঁচ দফা পরিকল্পনা’ প্রস্তাবের খবর প্রকাশিত হয়েছিল। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি এই খবরকে নাকচ করে দিয়ে একে নিছক ‘গণমাধ্যমের জল্পনা’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে দেন, তেহরানের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।
আরাঘচি আরও জানান, ইরান এই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সংকল্পবদ্ধ। তিনি বলেন, যতক্ষণ না আক্রমণকারীকে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে এবং ইরানকে পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ এই যুদ্ধ চলবে।
উল্লেখ্য, আজ ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট যুদ্ধবিরতিতে আগ্রহী। তবে ইরানের প্রেসিডেন্ট ঠিক কীভাবে বা কোন মাধ্যমে এই আগ্রহ দেখিয়েছেন, সে বিষয়ে ট্রাম্প বিস্তারিত কিছু জানাননি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা কয়েকটি ইরানি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, আরও অন্তত ছয় মাস স্থায়ী হতে পারে—এমন একটি দীর্ঘমেয়াদি ‘ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধের’ জন্য ইরান পুরোপুরি প্রস্তুত। তেহরানের দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি ইরানের কোনো উপকারে আসবে না। তেহরানের মতে, কেবল যুদ্ধবিরতি হলে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ভবিষ্যতে পুনরায় যেকোনো সময় হামলা চালানোর সুযোগ বা ‘ফ্রিডম অব অ্যাকশন’ তৈরি হবে। এই ঝুঁকি এড়াতে ইরানিরা এখন একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী সমাধান চান, যা ভবিষ্যতে এ ধরনের সংঘাতের পুনরাবৃত্তি রোধ করবে।

ইরানে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের লক্ষ্য অর্জনে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে বিশ্বের প্রধান ৮০টি থিংকট্যাংক বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ’ গত এক মাসে প্রকাশিত এসব প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ...
১ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি সচল করতে সামরিক অভিযানের বৈধতা চেয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপনের চেষ্টা চালাচ্ছে আমিরাত। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের জন্যও তারা লবিং করছে বলে জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে স্থল অভিযান চালালে মার্কিন সেনারা শুধু ছদ্মবেশী জঙ্গি বা লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদেরই মুখোমুখি হবে না; তাদের সামনে দাঁড়াবে একটি সুসংগঠিত ও বিপুলসংখ্যক যোদ্ধার বাহিনী, যারা মাতৃভূমি রক্ষাকে সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে দেখে। গত চার দশকে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রতিরক্ষার এই কাঠামো গড়ে তুলেছে তেহরান।
৩ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রেক্ষাপটে ১৯৪৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটো সামরিক জোট গঠিত হয়। এই জোটের উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব রক্ষা। স্নায়ুযুদ্ধের পুরোটা সময় ন্যাটো জোট কাজ করেছে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণবাদ ও প্রভাব মোকাবিলায়।
৪ ঘণ্টা আগে