
মাদারীপুরের ডাসারে স্বামীর স্বীকৃতির দাবিতে স্ত্রীর বাড়িতে অনশন করছেন বিশ্বজিৎ পাত্র (২৮) নামের এক যুবক। বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেলে ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের নবগ্রাম গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ওই বাড়িতে ভিড় করে।
বিশ্বজিৎ পাত্র বলেন, ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের নবগ্রাম গ্রামের মনতোষ বাড়ৈর মেয়ে অনুশীলা বাড়ৈর (২৩) সঙ্গে প্রায় ১০ বছর ধরে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। চার বছর আগে তাঁরা কোর্ট ম্যারেজ করেন। কিন্তু বিয়ের চার বছর পর অনুশীলা তাঁদের বিয়ে ও সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন। এ কারণে স্বামীর স্বীকৃতির দাবিতে তিনি স্ত্রীর বাড়িতে অনশন শুরু করেছেন।
বিশ্বজিৎ আরও বলেন, অনুশীলার নার্সিং পড়াশোনার পেছনে তিনি ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা ব্যয় করেছেন। ঢাকায় দীর্ঘ সময় তাঁরা একসঙ্গে বাসা ভাড়া করে থেকেছেন। বিষয়টি তাঁদের পরিবার ও গ্রামের অনেকেই জানেন। সম্প্রতি পড়াশোনা শেষ করে অনুশীলা একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্স হিসেবে চাকরি নেন। এর পর থেকে তিনি দূরত্ব তৈরি করেন। ১২ দিন ধরে তাঁর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। তাই বাধ্য হয়ে স্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে অনশনে বসেছেন। সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।
এ বিষয়ে অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, ‘তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। জোর করে কোর্ট ম্যারেজে সই করানো হয়েছে। এক সপ্তাহ আগে আমি তাকে ডিভোর্স দিয়েছি। তার সঙ্গে আমি সংসার করব না।’
ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া হবে। তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চাকরি দেওয়ার কথা বলে এক গ্রামের ২২ জনকে ডাকা হয়েছিল ঢাকায়। এমন চাকরির আশায় আজ বুধবার ঢাকা এসেছিলেন তাঁরা মৌলভীবাজার থেকে। তবে বিমানবন্দরে এসে জানতে পারলেন, সবই ভুয়া।
১ ঘণ্টা আগে
হোসেনপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে ‘মিথ্যা’ মামলায় ২৪ দিন ধরে কারাবন্দী খায়রুল ইসলাম ফকির (৪০) নামের এক সাংবাদিক। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছে তাঁর পরিবার। আজ বুধবার খায়রুলের মুক্তি ও মামলা থেকে অব্যাহতির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্বজনেরা।
২ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ বন্ধ রাখতে ৫০ কোটি টাকা ঘুষের প্রস্তাব দেওয়া ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় প্রকাশের জন্য সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে নোটিশ প্রাপ্তির সাত দিনের মধ্যে ওই ব্যক্তিদের নাম জনসম্মুখে প্রকাশ অথবা আইনের হাতে তুলে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
‘বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন এবং আমরা ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটিকে এটি অবহিত করেছি। হার্ডড্রাইভ রিপ্লেসের বিষয়টি আমরা সিসলক এবং রেজিস্ট্রারে দেখতে পেয়েছি।’
৩ ঘণ্টা আগে