
চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি তাঁর দেশের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য জেনেভায় যাচ্ছেন। আগামীকাল শুক্রবার (২০ জুন) সেখানে তিনি ইউরোপের প্রধান তিন শক্তি—ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা এক বিবৃতিতে আরাগচিকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ‘আমরা শুক্রবার জেনেভায় ইউরোপীয় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করব।’
প্রসঙ্গত, ইউরোপীয় দেশগুলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। তারা চায় ইরান নিশ্চিত করুক যে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শুধু বেসামরিক উদ্দেশ্যেই ব্যবহৃত হবে। এই বৈঠক এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে। সম্প্রতি ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছে এবং ইরানও পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে।
যদিও এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ওমানে নির্ধারিত আলোচনা ইসরায়েলি হামলার কারণে বাতিল হয়ে গিয়েছিল। তবে আগামীকাল ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় এই জেনেভা বৈঠককে সংঘাত কমানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই বৈঠকে পারমাণবিক ইস্যু ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে আলোচনার ভিত্তি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, ইসরায়েল ইরানের আরাক হেভি ওয়াটার রিঅ্যাক্টরে (ভারী পানির চুল্লি) হামলা চালিয়েছে। আজ ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এ তথ্য জানিয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার আগেই কেন্দ্রটি খালি করে ফেলা হয়। যে কারণে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার কোনো ঝুঁকি নেই।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১১ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩২ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৫ মিনিট আগে