
ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি দেশটিতে স্থল আক্রমণ চালায় তবে তা মোকাবিলার জন্য তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এমনকি সম্ভাব্য মার্কিন হামলার জন্য তারা ‘অপেক্ষা করছে’ বলেও মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাগচি সতর্ক করেন—যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে স্থল অভিযান শুরু করে তবে তা মার্কিন বাহিনীর জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
তিনি বলেন, ‘আমরা আত্মবিশ্বাসী যে আমরা তাদের মোকাবিলা করতে পারব। তারা যদি আসে, সেটি তাদের জন্য বড় বিপর্যয় হবে।’
আরাগচি ব্যাখ্যা করেন, আমরা তাদের জন্য অপেক্ষা করছি—এই কথার অর্থ যুদ্ধ বাড়ানোর ইচ্ছা নয়। বরং যে কোনো সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ইরান প্রস্তুত রয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বা নতুন কোনো আলোচনার জন্য ইরানের পক্ষ থেকে কোনো অনুরোধ নেই। তাঁর অভিযোগ, অতীতে দুবার আলোচনা চলাকালেই যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে দুবার আলোচনা করেছি। কিন্তু প্রতিবারই আলোচনার মাঝখানে তারা আমাদের ওপর আক্রমণ করেছে। তাই আবার আলোচনায় যাওয়ার কোনো কারণ দেখি না।’
আরাগচি দাবি করেন, মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পরও ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে। হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পরও রাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে পড়েনি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তাঁর ভাষায়, ‘ব্যবস্থা ঠিকভাবে কাজ করছে। নিহত কমান্ডারদের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে এবং নতুন সর্বোচ্চ নেতাও শিগগিরই নির্বাচিত হবেন।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বর্তমানে ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে ভবিষ্যতে সেই সম্ভাবনাকে পুরোপুরি নাকচও করা হয়নি। একই সঙ্গে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ইরানের ভেতরে বিদ্রোহ উসকে দিতে কুর্দি বাহিনীকে অস্ত্র সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি করেছে।

‘একের পর এক বিস্ফোরণ, ধ্বংসযজ্ঞ, এখানে যা ঘটছে তা অবিশ্বাস্য। প্রতিটি দিন যেন মনে হচ্ছে একেকটি মাস। মুহুর্মুহু হামলা করা হচ্ছে।’ ইরানের রাজধানী তেহরানের চিত্র তুলে ধরতে এসব কথা বলছিলেন সালার।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরানে মার্কিন-ইসরায়েল হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়েছে। যুদ্ধের ষষ্ঠ দিন গতকাল বৃহস্পতিবারও ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে। সে অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি এবং ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানও।
৩ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানে এক নজিরবিহীন যৌথ হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র শুরুর দিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করতে ইসরায়েল ব্যবহার করে তাদের অন্যতম আধুনিক ও বিধ্বংসী অস্ত্র ‘ব্লু স্প্যারো’ ব্যালিস্টিক মিসাইল।
৩ ঘণ্টা আগে
মিনিটম্যান-৩ ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এবারের পরীক্ষায় এর দুটি রি-এন্ট্রি ভেহিকেল মার্শাল আইল্যান্ডের কোয়াজালিন অ্যাটল পর্যন্ত কয়েক হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে