
ভারতের উত্তরপ্রদেশের মথুরা জেলার গোবর্ধন পর্বতের পবিত্র পরিক্রমা পথ সংলগ্ন অন্যৌর গ্রামে গত রবি ও সোমবার—এই দুই দিনে এক ডজনের বেশি বানর মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের শরীরে এয়ারগানের ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে।
মঙ্গলবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্ট জানিয়েছে, এই ঘটনায় ধর্মীয় সংগঠনগুলোর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাদের মতে, এই হত্যাকাণ্ড ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।
গোবর্ধন থানার ইনচার্জ রবি ত্যাগী জানিয়েছেন, এই ঘটনায় স্থানীয় একটি আশ্রমের পরিচালক জানকী দাস মহারাজ এবং আশ্রমে থাকা এক ইউক্রেনীয় নাগরিক ব্রজ সুন্দর দাসের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ব্রজ সুন্দর দাস নিজেকে একজন সাধু বলে পরিচয় দিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ব্রজ সুন্দর দাস স্বীকার করেছেন, তিনি প্রথমে গুলতি ব্যবহার করে বানরদের তাড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু কাজ না হওয়ায় পরে তিনি এয়ারগান ব্যবহার শুরু করেন। তার দাবি, তিনি বুঝতে পারেননি এটি প্রাণঘাতী হতে পারে।
স্থানীয় লোকজন ও ধর্মীয় সংগঠনগুলোর অভিযোগ, বানরদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুলি করা হয়েছে। অভিযোগকারী মাধব সিংহ ও বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন অভিযুক্ত ইউক্রেনীয় নাগরিকের অবিলম্বে গ্রেপ্তার দাবি করেছেন।
ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা এয়ারগানটি জব্দ করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এয়ারগানের প্রকৃতি ও শক্তি সম্পর্কে যাচাই করার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঘটনার পর বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও স্থানীয় গরু রক্ষা কমিটিসহ বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন অন্যৌর গ্রামে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে। তাদের মতে, এই ঘটনা শুধু আইন লঙ্ঘন নয়, এটি ধর্মীয় সহিষ্ণুতার ওপর সরাসরি আঘাত।
মৃত বানরগুলোর ময়নাতদন্ত করেছে পশু চিকিৎসকদের একটি দল। রিপোর্ট তিন দিনের মধ্যে পাওয়ার কথা রয়েছে। রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৪ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে