
গুজরাটে জমি দুর্নীতি নিয়ে বিজেপির অন্দরমহলে চলছে তোলপাড়। রাজ্যের প্রভাবশালী নেতা ও সাবক মন্ত্রী রমন ভোরার বিরুদ্ধে জমির কাগজ জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে বলা হয়, কৃষক পরিচয় দিয়ে ভুয়া নথিপত্রের মাধ্যমে বেআইনিভাবে কৃষিজমি কিনেছেন রমন ভোরা। পরে নথি জাল করে স্ত্রী ও দুই ছেলের নামে লিখিয়ে নিয়েছেন। আবার সেই জমি নিজের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। কোটি টাকার এই লেনদেনের নথিতে ধরা পড়েছে নানা অসঙ্গতি।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০৪ সালে রমন ভোরা কৃষক পরিচয়ে ভুয়া সনদ বানিয়ে গান্ধীনগরের পালাজ ও ইদার এলাকার জমি কেনেন, তারপর সেই জমি স্ত্রী, দুই ছেলে ভূষণ ও সোহাগের নামে হস্তান্তর করা হয়। কিছুদিন পর জমিটি দীনেশ প্যাটেল নামে এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর কাছে ৩.৭ কোটি টাকায় বিক্রি দেখানো হয়। বিক্রয়ের চুক্তিপত্রে যে চেক নম্বর লেখা ছিল, তাঁর কোনো আর্থিক লেনদেনই ঘটেনি।
পরে দেখা যায়, জমির প্রকৃত চরিত্র বদল করে সেটি অ-কৃষি জমি হিসেবে নথিভুক্ত করা হয় এবং আবার ভোরা পরিবারের ছেলেদের কাছে ফিরিয়ে আনা হয়।
রমন ভোরার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন আরেক বিজেপি নেতা পুনম মাকওয়ানা।
প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক পুনম মাকওয়ানা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ জানান। তিনি দাবি করেন, ভোরা ভুয়া কৃষক পরিচয়ে জমি কেনার পাশাপাশি আয়কর আইন ভঙ্গ করেছেন এবং সরকারি নথি জালিয়াতি করেছেন। মাকওয়ানা ভোরার পরিবারের সব জমির হস্তান্তর বাতিল করারও দাবি তোলেন।
পুনমের পাশাপাশি আরেক বিজেপি নেতা প্রকাশ পারমারও দাবি করেন, তাঁর কাছে ভোরার বিরুদ্ধে জমির রেকর্ড বদলানো ও বেআইনি লেনদেনের প্রমাণ আছে।
জেলা প্রশাসন বিষয়টি তদন্তে নেমেছে। ইদারের সহকারী কালেক্টর ভোরাকে নোটিশ দিয়েছেন এবং নির্দিষ্ট তারিখে হাজির হয়ে নথি উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
৮ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
২৯ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩২ মিনিট আগে
পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পার্টির সিনেটর ডেভ ম্যাককরমিক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করতে পারলেও ইরানকে ‘ঠিক’ করতে পারবে না। গতকাল রোববার ট্রাম্পের দলের এই সিনেটর দেশটির সম্প্রচারমাধ্যম ফক্স নিউজের একটি...
১ ঘণ্টা আগে