২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার হামলার কয়েক মাস আগে ভ্যালেরি জালুঝনি সেনাপ্রধান হয়েছিলেন। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রুস্তম উমেরভ গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা জানান।
পরে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তিনি জেনারেল সিরস্কিকে ইউক্রেনের সেনাপ্রধানের পদে নিয়োগ করেছেন।
জেলেনস্কি বলেছেন, ‘আজ থেকেই নতুন টিম সেনাবাহিনীকে নেতৃত্ব দেবে। ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ হিসাবে আমি জেনারেল সিরস্কিকে নিয়োগ করেছি।’
কী বললেন জালুঝনি ও জেলেনস্কি?
জেলেনস্কি লিখেছেন, ‘আমি জালুঝনির সঙ্গে দেখা করে বলেছিলাম, এবার নতুন কোনো নেতা সেনার দায়িত্ব নিক। আমরা বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করি এবং ঠিক হয়, এবার নেতৃত্বে নতুন কারো আসা উচিত। আমি জেনারেলকে টিমের অংশ হিসাবে কাজ করার অনুরোধ করেছি।’
জালুঝনি বলেছেন, জেলেনস্কির সঙ্গে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ও গভীর আলোচনা হয়েছে। লড়াইয়ের ময়দানে কৌশল বদল করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘২০২২ সালের কাজ এবং ২০২৪ সালের কাজের মধ্য়ে ফারাক আছে। নতুন বাস্তবতার সঙ্গে পরিবর্তন দরকার। সবাই মিলে আমরা জিতব।’
এরপর যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা জেনারেল সিরস্কির সঙ্গে একযোগে কাজ করবে।
জালুঝনি সাফল্যের সঙ্গে রাশিয়ার আক্রমণ থেকে কিয়েভকে বাঁচিয়েছিলেন এবং পরবর্তীকালে রাশিয়ার হাত থেকে ইউক্রেনের কিছু এলাকা আবার দখল করতে পেরেছিলেন। কিন্তু বলা হয়, তাঁর রাজনৈতিক উচ্চাশা ছিল। তিনি অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
গত বছর থেকেই জেলেনস্কি ও জালুঝনির মধ্যে মতবিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে। মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, গত সপ্তাহেই তিনি জালুঝনিকে সরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তখন তাঁকে সরানো সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার জেলেনস্কি ও জালুঝনি সামাজিক মাধ্যমে দুটি বিবৃতি দিয়েছেন যা দেখে মনে হয়েছে, তারা দুজনে ঐক্যের একটা ছবি তুলে ধরতে চেয়েছেন।

ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে দেশটির মাত্র চারজন নাগরিকের মধ্যে একজন সমর্থন জানিয়েছেন। অর্থাৎ এই হামলার পক্ষে মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান আর ৭৫ শতাংশই বিপক্ষে। রয়টার্স/ইপসোসের এই জরিপ থেকে জানা গেছে, প্রায় অর্ধেক আমেরিকান মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে বড্ড বেশি আগ্রহী।
৫ মিনিট আগে
ইরান একদিনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কমপক্ষে ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ১৪৮টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে নয়টি ব্যালিস্টিক আর ছয়টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। এ নিয়ে গত শনিবার থেকে আরব আমিরাতে ১৭৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আটটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬৮৯টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার। বিপরীতে এটি ধ্বংস করতে একেকটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। এটিই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে