
ফিলিস্তিনপন্থী অধিকার কর্মীরা জানিয়েছে, তাঁরা যুক্তরাজ্যের একটি সামরিক ঘাঁটিতে প্রবেশ করে দুটি পরিবহন বিমানের ক্ষতিসাধন করেছেন।
‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’ নামের গোষ্ঠীটি এক্স হ্যান্ডলে একটি ভিডিও পোস্ট করে জানিয়েছে, দুজন কর্মী অক্সফোর্ডশায়ারের ব্রাইজ নরটন রয়্যাল এয়ার ফোর্স ঘাঁটিতে প্রবেশ করে এবং রিফুয়েলিং ও পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত দুটি ভয়েজার বিমানের ক্ষতিসাধন করে।
এক বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি বলেছে, তাদের কর্মীরা দ্রুত বিমানের কাছে পৌঁছানোর জন্য বৈদ্যুতিক স্কুটার ব্যবহার করেছিলেন। এরপর তাঁরা পুনর্ব্যবহারযোগ্য অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র ব্যবহার করে বিমান এবং রানওয়ের ওপর লাল রং স্প্রে করেন, যা রক্তের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ক্রওবার (পেরেট ওঠানোর জন্য বাঁকানো রড) দিয়ে বিমানের আরও ক্ষতি করা হয়েছে।
গোষ্ঠীর একজন মুখপাত্র বিবৃতিতে বলেছেন, ইসরায়েল সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে নিন্দা জানানো সত্ত্বেও, ব্রিটেন সামরিক পণ্য পাঠানো, গাজার ওপর গুপ্তচর বিমান উড়ানো এবং মার্কিন/ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোকে রিফুয়েল করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই দুই কর্মী ঘাঁটির নিরাপত্তা কর্মীরা তৎপর হওয়ার আগেই ফিরে এসেছেন।
ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বা পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
প্রতিবাদী গোষ্ঠীটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কর্মীদের প্রতিবাদ করার একটি ভিডিও শেয়ার করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
৯ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩০ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৪ মিনিট আগে