ইউক্রেনকে লক্ষ্যবস্তু করে আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) নিক্ষেপ করেছে রাশিয়া। বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের বিমানবাহিনীর বরাত দিয়ে এই খবর দিয়েছে বিবিসি।
ইউক্রেনের বাহিনী জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার খুব ভোরে রাশিয়ার আস্ট্রখান অঞ্চল থেকে ওই মিসাইলটি নিক্ষেপ করা হয়েছিল। ইউক্রেনের দানিপ্রো অঞ্চলকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।
বিবিসি জানিয়েছে, ইউক্রেনের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে এই প্রথম কোনো আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে রাশিয়া। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কয়েক হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
ইউক্রেনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দিনের শুরুর ভাগের এই হামলায় রাশিয়া আইসিবিএম ছাড়াও আরও কয়েক ধরনের মিসাইল ব্যবহার করেছিল। এর মধ্যে অন্তত ৬টি কেএইচ-১০১ ক্রুজ মিসাইল গুলি করে ভূপাতিত করেছে ইউক্রেনের সেনারা।
সম্প্রতি রাশিয়ায় হামলা করতে মার্কিন নির্মিত ATACMS মিসাইল ব্যবহারের জন্য ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্র অনুমতি দিলে চলমান যুদ্ধ আরও বিধ্বংসী হয়ে ওঠে। বাইডেন প্রশাসনের অনুমতি পেয়ে ইউক্রেন ইতিমধ্যেই রাশিয়াকে লক্ষ্য করে ATACMS মিসাইল নিক্ষেপ করেছে। আইসিবিএম মিসাইল নিক্ষেপ করে এই ঘটনারই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে রাশিয়া।
এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দপ্তর আইসিবিএম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এই বিষয়ে এক বিবৃতিতে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, ‘কিছুই বলার নাই।’ তিনি বিষয়টিকে সেনাবাহিনী বিষয় বলে উড়িয়ে দেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
২ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
৯ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩০ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৪ মিনিট আগে