ঢাকা: বিশ্বে চীনের প্রভাব মোকাবিলায় নতুন পরিকল্পনা দিয়েছে শিল্পোন্নত সাত দেশের জোট জি–৭। এর প্রতিক্রিয়ায় চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জি–৭-এর মতো ছোট একটি গ্রুপ বিশ্ব শাসন করবে, সেই দিন এখন আর নেই। আজ রোববার লন্ডনের চীনা দূতাবাসের একজন মুখপাত্র এমনটি বলেন।
লন্ডনের চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র বলেন, ‘ছোট একটি গ্রুপ বিশ্বের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেবে, সেই দিন আর নেই। আমরা বিশ্বাস করি ছোট, বড়, ধনী অথবা দরিদ্র সব দেশই সমান।’
জানা গেছে, গতকাল শনিবার চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) বিকল্প আরেকটি বৈশ্বিক অবকাঠামো পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে বিশ্বের শিল্পোন্নত সাত দেশের জোট জি–৭। এ নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, নতুন ওই পরিকল্পনার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অবকাঠামো নির্মাণে সহায়তা করা হবে।
এ ছাড়া জি–৭ সম্মেলনে অংশ নিয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোও বিশ্বে চীনের প্রভাব মোকাবিলায় বিশ্বনেতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
জি–৭-এর পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো গ্রুপ অব সেভেন, বা সাতটি দেশের দল। জোটের সদস্যদেশ হলো কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই জোটের একটি অংশ। রাশিয়া ১৯৯৮ সালে এই জোটে যোগ দিলে সেটা জি-৮ হয়েছিল। তবে ক্রিমিয়া দখল করার কারণে ২০১৪ সালে রাশিয়া বাদ পড়ে যায়। চীন একটি বড় অর্থনীতি এবং বিশ্বের বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ হওয়া সত্ত্বেও তারা কখনো এই জোটের সদস্য ছিল না।

স্টারমার বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই আক্রমণাত্মক হামলায় যোগ দিচ্ছি না। আমাদের সিদ্ধান্ত কেবল দীর্ঘদিনের বন্ধু ও মিত্রদের সম্মিলিত আত্মরক্ষা এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন রক্ষার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে।’
১৬ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে বড় ধরনের সামরিক হামলা চালালেও ‘সবচেয়ে বড় ঢেউ’ এখনো আসেনি। স্থানীয় সময় সোমবার (২ মার্চ) সকালে সিএনএনকে দেওয়া প্রায় ৯ মিনিটের এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানকে ‘ভালোভাবেই আঘা
৩৫ মিনিট আগে
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ঘোষণা দিয়েছেন, তাঁর দেশ কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা বাড়াবে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধের মধ্যে তিনি এমন ঘোষণা দিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ফার্স নিউজ প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায়, একটি বিশাল আন্ডারগ্রাউন্ড টানেলে সারি সারি ড্রোন রকেট লঞ্চারের ওপর বসানো রয়েছে। বাংকারের দেয়ালগুলো ইরানের জাতীয় পতাকা এবং সম্প্রতি প্রয়াত দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবিতে সাজানো। ভিডিওতে ড্রোনের এই বিশাল সম্ভারকে ইরানের সামরিক শক্তির অন্যতম
১ ঘণ্টা আগে