
থাইল্যান্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে যাত্রীবাহী ট্রেন দুর্ঘটনায় অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছে। নির্মাণকাজে ব্যবহৃত একটি ক্রেন ট্রেনটির তিনটি বগির ওপর পড়ে গেলে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়। এতে প্রায় ৮০ জন আহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
স্থানীয় সময় আজ বুধবার সকালে রাজধানী ব্যাংকক থেকে উবন রাচাথানি প্রদেশগামী ট্রেনটি নাখোন রাচাসিমা প্রদেশের সিখিও জেলায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এলাকাটি ব্যাংকক থেকে প্রায় ২৩০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। পুলিশের কর্নেল থাচাপন চিন্নাওং রয়টার্সকে বলেন, ‘মৃতের সংখ্যা এখন বেড়ে ২৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো আরও মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে।’
থাইল্যান্ডের পরিবহনমন্ত্রী ফিপাত রাচাকিতপ্রাকর্ন এক বিবৃতিতে জানান, ট্রেনটিতে মোট ১৯৫ জন যাত্রী ছিলেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী জানান, ক্রেনে আঘাতপ্রাপ্ত তিনটি বগির মধ্যে দুটি বগিতেই নিহতরা ছিলেন।
দুর্ঘটনার সময় ক্রেনটি একটি উচ্চগতির রেল প্রকল্পের নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ক্রেনটি হঠাৎ ভেঙে পড়ে চলন্ত ট্রেনের ওপর আঘাত হানে। এতে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয় এবং কিছু সময়ের জন্য আগুন ধরে যায়। পরিবহন মন্ত্রণালয় প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, ঝোপঝাড়ের পাশে উল্টে পড়ে থাকা ট্রেনের বগি এবং আগুন নেভাতে ব্যস্ত দমকল কর্মীরা।
রয়টার্সের যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, উদ্ধারকর্মীরা ভেঙে যাওয়া একটি বগি থেকে আহতদের বের করার চেষ্টা করছেন। ইতিমধ্যে কয়েকজন গুরুতর আহত যাত্রীকে অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, থাইল্যান্ডে চলমান একাধিক উচ্চগতির রেল প্রকল্পের মধ্যে এটি একটি। প্রকল্পটি বিদ্যমান রেললাইনের ওপর দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছিল। ভেঙে পড়া ক্রেনের একটি অংশ এখনো নতুন রেললাইন সমর্থনের জন্য নির্মিত খুঁটির ওপর ঝুলে আছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রকল্প ও কর্মীদের নিরাপত্তাকে চীন সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখে এবং তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট অংশটির নির্মাণকাজ একটি থাই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছিল। দুর্ঘটনার কারণ এখনো তদন্তাধীন।’
এই উচ্চগতির রেল প্রকল্পটি লাওস হয়ে চীনের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। থাই সরকার জানিয়েছে, গত বছর পর্যন্ত ব্যাংকক থেকে নাখোন রাচাসিমা অংশের নির্মাণকাজের এক-তৃতীয়াংশের বেশি সম্পন্ন হয়েছে। লাওস সীমান্তের নং খাই পর্যন্ত পুরো রেললাইন ২০৩০ সালের মধ্যে চালু হওয়ার কথা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, দুই দেশ যুদ্ধ অবসান, ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনই নির্ধারিত হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের হামলা এবং ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার হুমকি সত্ত্বেও যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি এখনো স্বাক্ষরের পথে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘বিচারবোধহীন’...
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসান, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং অবরোধ প্রত্যাহার নিয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এখনো আলোচনার টেবিলে।
৩ ঘণ্টা আগে