বিচ্ছিন্ন করার কয়েক মাস পর আবারও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে হটলাইন চালু করেছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির শীর্ষ নেতা কিম জং উন সিউলের সঙ্গে হটলাইন চালুর ইচ্ছে প্রকাশের কয়েক দিন পরই দুই দেশের মধ্যে ফের যোগাযোগ শুরু হলো।
যদিও পিয়ংইয়ং বলছে, সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের এই পদক্ষেপ স্থায়ী হবে কি না তা নির্ভর করছে ‘দক্ষিণ কোরীয় কর্তৃপক্ষের মনোভাবের’ ওপর। এ ছাড়া সম্প্রতি সামরিক কার্যক্রমও বাড়িয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটি এক মাসেরও কম সময়ে চারটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে, যা তাদের অস্ত্র প্রতিযোগিতা থেকে সরে না আসারই ইঙ্গিত দেয়।
সোমবার সকালে দক্ষিণ কোরিয়ার একত্রীকরণ মন্ত্রণালয় জানায়, আগস্টের পর থেকে দুই কোরিয়ার কর্মকর্তারা ফোনে কথা বলেছেন। মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পুনরায় হটলাইন চালুর পদক্ষেপকে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের ভিত্তি হিসেবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।’
তবে চালুর পর এর আগে বেশ কয়েকবার এই দুই দেশের মধ্যে হটলাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
১০ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৩১ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
৩৫ মিনিট আগে