আগামী বছরের মধ্যে ডিজিটাল জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে পারে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকরা। এই আইডির সার্ভার ব্যবহার করে লাইসেন্স ও স্বাস্থ্যসেবা কার্ডসহ বিভিন্ন সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে নাগরিকদের পরিচয় অনলাইনে যাচাই করতে পারবে বিভিন্ন সংস্থা।
দেশটির অর্থমন্ত্রী কেটি গ্যালাঘারকে উদ্ধৃত করে অস্ট্রেলিয়ান ফিনানসিয়াল রিভিউ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন রাজ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো বিভিন্ন পরিচয়পত্র যাচাইয়ের ডিজিটাল সেবা আছে। কিন্তু পুরো অস্ট্রেলিয়াজুড়ে এনআইডি সেবার সম্প্রসারণ এবারই প্রথম।
সাবেক মরিসন সরকারের আমলে নেওয়া ডিজিটাল আইডির এই প্রকল্পের মাধ্যমে অস্ট্রেলীয়দের ধরনের আইডি এক প্ল্যাটফর্মে আসবে। এর মধ্যে ড্রাইভিং লাইসেন্স, স্বাস্থ্যসেবা কার্ড এবং জন্মসনদ।
অস্ট্রেলিয়ার এক সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী কেটি গ্যালাঘার বলেন, আগামী বছরের মাঝামাঝি ডিজিটাল এনআইডি চালু হবে।
গ্যারাঘের বলেন,‘আমাদের কাছে সিস্টেমটি আছে। কিন্তু তা নিয়ন্ত্রিত না। আমার মতে, সামনে এগিয়ে নিয়ে ‘আন্তঃকার্যকারিতা’য় ব্যবহারের অবস্থায় এটি নেই। জাতীয় ব্যবস্থায় থাকার ফলে যে ব্যাপক অর্থনৈতিক সুবিধা আসে-এটি সে আকারে নেই। তবে আমরা এই ব্যাপারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’
এই সেবাটি কোনো নতুন কার্ড বা নাম্বার নয়। পরিচয়পত্রগুলো ‘নিরাপদ, সহজ, স্বতঃস্ফূর্ত ও কার্যকর’ উপায়ে জড়ো করা হবে। তিনি আরও বলেন, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে অন্যান্য আঞ্চলিক অ্যাপ আন্তঃচালনা করা যাবে।
তবে এই পরিকল্পনাও অবিতর্কিত নয়।
গ্যারাঘের উল্লেখ করেন, এই বিষয়ে সরকার বিরোধীদের সাথে বিবাদ রয়েছে। ডিজিটাল ভেরিফিকেশন সেবার সাইবার নিরাপত্তা ও তথ্য রেখে দেয়া নিয়ে পিটিশন হচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়ায় গত ১৮ মাসে সাইবার আক্রমণ বেড়েছে। এরমধ্যে মেডিব্যাংক ও আর্থিক পরিষেবা প্রদানকারী ল্যাটিটিউডের তথ্য চুরি উল্লেখযোগ্য।
গ্যারাঘের বলেন, ‘এখনই বিরোধিতা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ এর পর থেকে সরকার যা করে তা নিয়েই নানা তত্ত্ব-বিরোধী তত্ত্ব আমরা দেখেছি।’
তিনি এই পরিকল্পনার সমর্থন করতে অজিদের নিজের তথ্যের উপর নিয়ন্ত্রণের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন,‘এই পরিকল্পনা আপনার তথ্যের সুরক্ষা এবং তা কখন শেয়ার করা হচ্ছে এবং নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার অধীনে করা হচ্ছে কিনা তা নিয়ে।’
ইতোমধ্যে,অস্ট্রেলিয়া পোস্ট, মাস্টারকার্ড এবং অস্ট্রেলিয়ান পেমেন্টস প্লাস ডিজিটাল ভেরিফিকেশন সিস্টেম বাস্তবায়ন করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৫ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৩ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৪৪ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে