
সাম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি নির্যাতনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, কালো ইউনিফর্ম পরা কিছু ব্যক্তি কারাগারের মতো স্থানে লাঠি দিয়ে বন্দিদের মারধর করছে। ভিডিওটি শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে, এটি ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) নির্যাতনের দৃশ্য।
এই দাবিতে এক্সে পোস্ট আছে এখানে, এখানে, এখানে, এখানে এবং এখানে।
‘Jvnior’ নামের একটি এক্স অ্যাকাউন্টে আলোচিত দাবিতে সম্ভাব্য প্রথম পোস্ট করা হয়। এক্সে শেয়ার করা ওই পোস্টে ইংরেজিতে বলা হয়, ‘আইডিএফ সৈন্যরা ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে সর্বদা নির্যাতন করে। আমাদের নীরবে মরতে দেবেন না। এটি আবার শেয়ার করো।’
১১ এপ্রিল শেয়ার করা ভিডিওটি আজ (৩ মে) বিকাল ৪টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত প্রায় ৪ লাখ ২১ হাজার বার দেখা হয়েছে। পোস্টটিতে ৩১ হাজার রিয়েকশন ও ৬৪০ কমেন্ট রয়েছে। এ ছাড়া পোস্টটি ২৩ হাজার ৬০০ বার রিপোস্ট করা হয়েছে।
ভাইরাল দাবিটির সত্যতা যাচাই করতে অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক কোনো গণমাধ্যমে কোনো প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।
ভিডিওটির কিছু দৃশ্যের রিভার্স ইমেজ নিয়ে অনুসন্ধানে ইরাকের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘আল-ইরাকিয়া’-এর ফেসবুক পেজে গত ৯ মার্চ শেয়ার করা একটি ভিডিও পাওয়া যায়। ওই ভিডিওর সঙ্গে আলোচিত ভিডিওর মিল রয়েছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে আরবিতে লেখা, ‘আবু আরুবা, রাফিদের হত্যার প্রতিশোধ নিতে দালাল ও ক্রেতাকে হত্যা করেছে।’
এ ছাড়া ভিডিওটির ক্যাপশনে ‘বাইত উম্মে লায়লা’ ও ‘আল-ইরাকিয়া’ হ্যাশট্যাগ যুক্ত করা হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে আরও অনুসন্ধানে আল-ইরাকিয়া-এর ইউটিউব চ্যানেলে ‘বাইত উম্মে লায়লা’ নামের ২৫ পর্বের একটি ধারাবাহিক খুঁজে পাওয়া যায়। পর্বগুলো যাচাইয়ে দেখা যায়, ভাইরাল হওয়া ক্লিপটি ওই ধারাবাহিকের ১৬ নম্বর পর্বের একটি দৃশ্য।

উল্লেখ্য, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাওয়া ‘বাইত উম্মে লায়লা’ সিরিজটি মূলত কারাবন্দী এবং তাঁদের পরিবারের মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন ও জীবনসংগ্রাম নিয়ে নির্মিত একটি ধারাবাহিক সামাজিক-রাজনৈতিক নাটক।
কারাগারে বন্দীদের মারধরের ভিডিওটি ইসরায়েলি বাহিনীর নির্যাতনের কোনো দৃশ্য নয়। এটি ইরাকি টেলিভিশন সিরিজ ‘বাইত উম্মে লায়লা’-র একটি দৃশ্য।

ভারতে মসজিদের ইমামদের ঢালাওভাবে গ্রেপ্তার করে জেলে ঢোকানো হচ্ছে—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে, যা ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপনের নাম ও ছবি ব্যবহার করে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। ফটোকার্ডটিতে দাবি করা হচ্ছে, তথ্যমন্ত্রী বলেছেন—‘পশ্চিমবঙ্গে ধারণ করা ভিডিও ছাত্রলীগের মিছিল বলে ফেসবুকে প্রচার করছে দেশবিরোধী চক্রের সদস্যরা।
১১ ঘণ্টা আগে
স্ত্রীকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে করেছেন জামায়াতের এক তরুণ নেতা—এমন দাবিতে মূলধারার টেলিভিশন চ্যানেল ‘বাংলা টিভি’র লোগো সম্বলিত একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
২ দিন আগে
সম্প্রতি আওয়ামী লীগের মিছিল দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। শেয়ার করা ভিডিওটির ক্যাপশনে বলা হয়, ‘আলহামদুলিল্লাহ খেলা কিন্তু শুরু হয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে রাজপথে নেমে গেছে মুজিব সৈনিকরা।’
৩ দিন আগে