সম্পাদকীয়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিবাদের সূতিকাগার বলা হয়ে থাকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ না করলে আমাদের দেশে ভাষার জন্য লড়াই হতো না, মাতৃভাষা বাংলা রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা পেত না, গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম হতো না, বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি মজবুত হতো না, গণ-অভ্যুত্থান হতো না, এমনকি মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাও হতো কি না, সন্দেহ।
অথচ সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন বুঝি অলিখিত নিয়ম হয়েছে, কেউ কোনো কিছুর প্রতিবাদ করতে পারবে না। কেউ এখন একমতে একপথে চলতে না চাইলে হয় তাকে প্রশাসনের, না হয় ছাত্রলীগের রোষানলে পড়তে হবে। পিটুনি খাওয়া তো সাধারণ ব্যাপার, তার চেয়েও বড় কোনো হয়রানির মুখে পড়তে হবে।
ওপরের কথাগুলো বলতে হলো শনিবার আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত ‘টিএসসি থেকে ভাগাড়ে রবীন্দ্রনাথ’ শিরোনামের একটি খবর পড়ে। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথের একটি ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ভাগাড়ে ফেলা হতে পারে–এটা ভাবতেও কষ্ট লাগছে। কিন্তু অবাস্তব মনে হলেও এমনটাই হয়েছে। বিষয়টি আসলে কী ঘটেছে?
বাক্স্বাধীনতার পক্ষে বা সেন্সরশিপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের দক্ষিণ পাশে রবীন্দ্রনাথের একটি ভাস্কর্য স্থাপন করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের একদল শিক্ষার্থী। স্কচটেপে মুখ বন্ধ রবীন্দ্রনাথের, হাতে পেরেকবিদ্ধ গীতাঞ্জলি। এই ভাস্কর্যের ছবি সংবাদপত্রে ছাপা হলে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সম্ভবত পিলে চলকে যায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। রাতের অন্ধকারে সেটা সরিয়ে ফেলা হয় এবং তার অংশবিশেষ পাওয়া যায় পাশের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভাগাড়ে। ওই ভাস্কর্য সরানোর কথা স্বীকার করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানী। তিনি বলেছেন, ‘কারা বসিয়েছে, কেন বসিয়েছে—এসব বিষয় জানতে চেয়েছি, কাউকে পাইনি। তাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এটি সরিয়ে ফেলেছে। যেহেতু কোনো মালিকানা নেই, তাই সরিয়ে ফেলা হয়েছে। যে জিনিসের মালিকানা নেই, সেই জিনিস সরিয়ে ফেলছে বিশ্ববিদ্যালয়।’ কিন্তু সরিয়ে ভাগাড়ে ফেলার যুক্তি কী?
এবার অন্য পক্ষের কথা শোনা যাক। সাড়ে ১৯ ফুটের রবীন্দ্রনাথের এই ভাস্কর্য তৈরি ও স্থাপনের কাজে জড়িত এবং ছাত্র ইউনিয়ন নেতা শিমুল কুম্ভকার বলেছেন, ‘রবীন্দ্রনাথের ভাস্কর্যের মাথা ভেঙে আলাদা করে ফেলা হয়েছে! এটি কি অবমাননা নয়? আমাদের লোকজন গিয়ে রবীন্দ্রনাথের ভাস্কর্যের ভাঙা মুখ উদ্যানের ভাগাড় থেকে উদ্ধার করে।’
শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করে লাভ নেই। শিল্পীরা কোনো বিষয়ে প্রতিবাদের মাধ্যম হিসেবে শিল্পকে বেছে নিতেই পারেন এবং এটা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা না করে করাটাই স্বাভাবিক। সবাইকে কেন ফরমায়েশি কথা বলতে হবে? তা ছাড়া ওই ভাস্কর্যটি কোনো স্থায়ী স্থাপনা ছিল না। ওটা যে সাময়িক একটি প্রতিবাদ, এটা বুঝতেও কষ্ট হচ্ছে না। রবীন্দ্রনাথের ভাস্কর্য সরিয়ে ফেলার নামে যা করা হয়েছে, তা নিন্দনীয়। রবীন্দ্রনাথের ভাস্কর্য বানিয়ে যতটা না অন্যায় করা হয়েছে, তার চেয়ে বড় অন্যায় করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিবাদের সূতিকাগার বলা হয়ে থাকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ না করলে আমাদের দেশে ভাষার জন্য লড়াই হতো না, মাতৃভাষা বাংলা রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা পেত না, গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম হতো না, বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি মজবুত হতো না, গণ-অভ্যুত্থান হতো না, এমনকি মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাও হতো কি না, সন্দেহ।
অথচ সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন বুঝি অলিখিত নিয়ম হয়েছে, কেউ কোনো কিছুর প্রতিবাদ করতে পারবে না। কেউ এখন একমতে একপথে চলতে না চাইলে হয় তাকে প্রশাসনের, না হয় ছাত্রলীগের রোষানলে পড়তে হবে। পিটুনি খাওয়া তো সাধারণ ব্যাপার, তার চেয়েও বড় কোনো হয়রানির মুখে পড়তে হবে।
ওপরের কথাগুলো বলতে হলো শনিবার আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত ‘টিএসসি থেকে ভাগাড়ে রবীন্দ্রনাথ’ শিরোনামের একটি খবর পড়ে। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথের একটি ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ভাগাড়ে ফেলা হতে পারে–এটা ভাবতেও কষ্ট লাগছে। কিন্তু অবাস্তব মনে হলেও এমনটাই হয়েছে। বিষয়টি আসলে কী ঘটেছে?
বাক্স্বাধীনতার পক্ষে বা সেন্সরশিপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের দক্ষিণ পাশে রবীন্দ্রনাথের একটি ভাস্কর্য স্থাপন করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের একদল শিক্ষার্থী। স্কচটেপে মুখ বন্ধ রবীন্দ্রনাথের, হাতে পেরেকবিদ্ধ গীতাঞ্জলি। এই ভাস্কর্যের ছবি সংবাদপত্রে ছাপা হলে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সম্ভবত পিলে চলকে যায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। রাতের অন্ধকারে সেটা সরিয়ে ফেলা হয় এবং তার অংশবিশেষ পাওয়া যায় পাশের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভাগাড়ে। ওই ভাস্কর্য সরানোর কথা স্বীকার করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানী। তিনি বলেছেন, ‘কারা বসিয়েছে, কেন বসিয়েছে—এসব বিষয় জানতে চেয়েছি, কাউকে পাইনি। তাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এটি সরিয়ে ফেলেছে। যেহেতু কোনো মালিকানা নেই, তাই সরিয়ে ফেলা হয়েছে। যে জিনিসের মালিকানা নেই, সেই জিনিস সরিয়ে ফেলছে বিশ্ববিদ্যালয়।’ কিন্তু সরিয়ে ভাগাড়ে ফেলার যুক্তি কী?
এবার অন্য পক্ষের কথা শোনা যাক। সাড়ে ১৯ ফুটের রবীন্দ্রনাথের এই ভাস্কর্য তৈরি ও স্থাপনের কাজে জড়িত এবং ছাত্র ইউনিয়ন নেতা শিমুল কুম্ভকার বলেছেন, ‘রবীন্দ্রনাথের ভাস্কর্যের মাথা ভেঙে আলাদা করে ফেলা হয়েছে! এটি কি অবমাননা নয়? আমাদের লোকজন গিয়ে রবীন্দ্রনাথের ভাস্কর্যের ভাঙা মুখ উদ্যানের ভাগাড় থেকে উদ্ধার করে।’
শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করে লাভ নেই। শিল্পীরা কোনো বিষয়ে প্রতিবাদের মাধ্যম হিসেবে শিল্পকে বেছে নিতেই পারেন এবং এটা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা না করে করাটাই স্বাভাবিক। সবাইকে কেন ফরমায়েশি কথা বলতে হবে? তা ছাড়া ওই ভাস্কর্যটি কোনো স্থায়ী স্থাপনা ছিল না। ওটা যে সাময়িক একটি প্রতিবাদ, এটা বুঝতেও কষ্ট হচ্ছে না। রবীন্দ্রনাথের ভাস্কর্য সরিয়ে ফেলার নামে যা করা হয়েছে, তা নিন্দনীয়। রবীন্দ্রনাথের ভাস্কর্য বানিয়ে যতটা না অন্যায় করা হয়েছে, তার চেয়ে বড় অন্যায় করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
‘দুই দিন আগেই বাড়ি থেকে পাথরঘাটায় চলে এসেছি। এখন পুরোনো জাল সেলাই করছি। এক সপ্তাহের বাজারও করে এনেছি। আজ বিকেলে সাগর মোহনায় যাব, গভীর রাত থেকে জাল ফেলব।’ কথাগুলো বলছিলেন বরগুনা সদরের বাইনচটকী এলাকার জেলে হোসেন আলী। গতকাল বুধবার সকালে বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে কথা হয় তাঁর...
১২ জুন ২০২৫ভারতের স্থলবন্দর নিষেধাজ্ঞার পর সীমান্তে আটকে থাকা তৈরি পোশাক, খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের ট্রাকগুলো ফেরত আনছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে যেসব ট্রাক বন্দরে ঢুকে গিয়েছিল, সেগুলো ভারতে প্রবেশ করানোর চেষ্টা চলছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এসব ট্রাক ঢুকতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।
১৯ মে ২০২৫আধুনিক যুগের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলোর একটি হচ্ছে গৌতম বুদ্ধের দেহাবশেষের সঙ্গে সম্পর্কিত ঐতিহাসিক রত্নসম্ভার। গতকাল বুধবার হংকংয়ে বিখ্যাত আর্ট নিলাম কোম্পানি সাদাবি’স-এর এক নিলামে এগুলো তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
০৮ মে ২০২৫পাকিস্তানে ভারতের হামলার সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীনও এই হামলাকে ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছে। উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘও। উত্তেজনা যেন আরও না বাড়ে, সে জন্য দুই পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ। এদিকে ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করেছে...
০৮ মে ২০২৫