মা হারিয়েছেন ভারতীয় সিনেমার খ্যাতিমান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। করোনাকালে বাবাকে হারান তিনি। এর বছর তিনেক পর অভিনেতার মা শান্তি রানী চক্রবর্তীও চলে গেলেন না ফেরার দেশে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সংবাদটি নিশ্চিত করেন মিঠুনের ছোট ছেলে নমশি চক্রবর্তী।
আজ শুক্রবার মিঠুনের মায়ের মৃত্যুর খবরটি ছড়িয়ে পড়লে নানান রকম বিভ্রান্তি তৈরি হয়। এরপরই পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদমাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়।
তাই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে নমশি বলেন, ‘হ্যাঁ, খবরটা সত্য। ঠাকুমা আর আমাদের মাঝে নেই।’
অভিনেতার মায়ের মৃত্যুর খবরে শোক প্রকাশ করেছেন শোবিজের সব তারকাসহ তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি টুইট করে লেখেন, মাতৃবিয়োগের জন্য মিঠুন চক্রবর্তীকে জানাই আন্তরিক সমবেদনা। আশা করি, মিঠুন দা ও তাঁর পরিবার এই গভীর শোক সামলে উঠবেন।
যদিও কুণাল-মিঠুনের রাজনৈতিক অবস্থান একেবারেই ভিন্ন। অতীতে বিভিন্ন সময় একে অপরকে কড়া সমালোচনা করতে ছাড়েননি তাঁরা। তবুও তাঁর এই দুঃসময়ে সমবেদনা জানাতে ভোলেননি কুণাল।
উল্লেখ্য, বর্তমানে মিঠুন চক্রবর্তীকে দেখা যাচ্ছে ‘ডান্স বাংলা ডান্স’-এ। দীর্ঘদিন পর ফের এই রিয়্যালিটি শোয়ের মাধ্যমে বাংলা টেলিভিশনে ফিরেছেন এই অভিনেতা।

এই রোজার ঈদে নিজের তৃতীয় সিনেমা নিয়ে আসছেন আফরান নিশো। সত্য ঘটনা অবলম্বনে ‘দম’ নামের সিনেমাটি বানিয়েছেন রেদওয়ান রনি। ঈদের সময় ঘনিয়ে এলেও সিনেমার প্রচার খুব একটা চোখে পড়ছিল না। অবশেষে অফিশিয়াল পোস্টার প্রকাশের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দমের আনুষ্ঠানিক প্রচার।
৭ ঘণ্টা আগে
লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনের রঙিন দুনিয়ায় থাকেন চলচ্চিত্রের মানুষেরা। যশ আর খ্যাতি যেন ঘিরে থাকে চারপাশ। শেষ বয়সে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখার অভিজ্ঞতাও হয় অনেকের। বয়স হয়েছে বলে কেউ তাঁদের কাজে নিতে চান না, এমনকি খোঁজখবরও নেন না—সিনিয়র শিল্পীদের মুখে প্রায়ই এমন আক্ষেপের কথা শোনা যায়।
৭ ঘণ্টা আগে
স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় অভিনেতা যাহের আলভীকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। গতকাল রোববার পল্লবী থানায় ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে এই মামলা করেন। গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান।
৭ ঘণ্টা আগে
মধ্যবিত্তের টানাপোড়েনের গল্পে তৈরি হলো বিটিভির এ সপ্তাহের নাটক ‘থাকে তবু ভালোবাসা’। একটি পরিবারকে ঘিরে কাহিনি। অভিনয় করেছেন গোলাম কিবরিয়া তানভীর, নাবিলা ইসলাম, শিশুশিল্পী নাবিহাসহ অনেকে। নাটকের টাইটেল গান লিখেছেন জনি হক। সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন মুরাদ নূর। কণ্ঠ দিয়েছেন সেনিজ।
১৯ ঘণ্টা আগে