
টালিউডের পাশাপাশি গত কয়েক বছর বলিউডে নিয়মিত কাজ করছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ‘জুবিলি’, ‘স্কুপ’, ‘খাকি: দ্য বেঙ্গল চ্যাপ্টার’ সিরিজগুলোতে প্রশংসিত হয়েছে তাঁর অভিনয়। আগামীকাল মুক্তি পাচ্ছে প্রসেনজিৎ অভিনীত নতুন হিন্দি সিনেমা ‘মালিক’। গত সপ্তাহে এই সিনেমার ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিকের বাংলায় প্রশ্ন করার ব্যাপারে আপত্তি তুলে বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি। বাংলা ভাষাকে হেয় করার অভিযোগ উঠেছে প্রসেনজিতের বিরুদ্ধে। কয়েক দিন চুপ থাকার পর এবার বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা। জানালেন সেদিনের ঘটান ছিল ভুল বোঝাবুঝি। মাতৃভাষাকে অসম্মান করার কথা দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারেন না তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি পোস্ট করেন প্রসেনজিৎ। সেখানে লেখা, ‘কিছুদিন হল আমার একটা কথা, বলা ভালো আমার বলা একটা বাক্য, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেটা নিয়েই কিছু বলতে চাই। আমি ৪২ বছর ধরে মূলত বাংলায় কাজ করেছি। গত কয়েক বছরে জাতীয় স্তরে কাজ করার কয়েকটা সুযোগ এসেছে। সেরকমই এক হিন্দি সিনেমার ট্রেলার মুক্তি উপলক্ষে, ১ জুলাই বম্বের জুহু পিভিআরে সাংবাদিক সম্মেলন হচ্ছিল। ডায়াসে যারা ছিলেন ছবির শিল্পী, পরিচালকরা মূলত ইংরেজিতেই কথা বলছিলেন। বাংলার একজন সাংবাদিক আমায় বাংলায় প্রশ্ন করেন। তিনি আমার দীর্ঘদিনের পরিচিত, অত্যন্ত স্নেহের পাত্রী। কিন্তু সেই মুহূর্তে আমার মনে হয়েছিল বাংলায় উত্তর দিলে হয়তো অনেকে সঠিক মানে বুঝতে পারবেন না। যেহেতু ওখানে বাংলা ভাষা বোঝেন না এমন মানুষই বেশি। তাই খানিকটা বাধ্য হয়েই আমি ওনাকে বলি, বাংলায় কেন প্রশ্ন করছেন?’
পুরো বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝির কারণে সৃষ্ট হয়েছে জানিয়ে প্রসেনজিৎ লেখেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই একটা সেনটেন্সই তুলে ধরা হয়েছে, তাই অনেককেই আমার বলা কথার আক্ষরিক অর্থ না বুঝে আঘাত পেয়েছেন। কষ্ট আমিও পেয়েছি, এখনো পাচ্ছি। কারণ ওই কথার ওরকম প্রতিক্রিয়া হতে পারে, আমি ভাবতেই পারিনি। হয়তো কয়েকটা ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করে আর বলা কথার আক্ষরিক অর্থ আমি বোঝাতে পারিনি। আর আমার ধারণা সেখান থেকেই ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। কারণ মাতৃভাষাকে অসম্মান করার কথা, আমি দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারি না। বাংলা আমার প্রাণের ভাষা।’
সবশেষ দুঃখ প্রকাশ করে অভিনেতা লিখেছেন, ‘আমার কাছে বরাবরই বাংলার মানুষের বিচার শিরোধার্য। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আমার এই ধারণা অটুট থাকবে। শেষে যেটা না বললেই নয়, আমি এটা বুঝেছি যে আমার বলা কথায় আপনারা মনে আঘাত পেয়েছেন, তাই আমি দুঃখিত। ঘটন সম্পর্কে যেটুকু তথ্য, বা আমার তখনকার ভাবনাটুকু আপনাদের জানালাম। ভালো থাকুন।’
মালিক সিনেমার ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রসেনজিৎ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজকুমার রাও, মানষী ছিল্লার, পরিচালক পুলকিত এবং মালিক সিনেমার কলাকুশলীরা। সাংবাদিকেরা একের পর প্রশ্ন করছিলেন, আর সে সবের উত্তর দিচ্ছিলেন তাঁরা। একপর্যায়ে এক সাংবাদিক প্রসেনজিতকে বাংলায় প্রশ্ন করেন, ‘বাংলায় তোমাকে পুলিশের চরিত্রে দেখেছি, এখানেও মনে হচ্ছে ওই রকম একটা কিছু। এই চরিত্র কতটা আলাদা তোমার বাঙালি পুলিশ চরিত্রের থেকে? আর রাজকুমার একটা বাঙালি চরিত্র করবে, সৌরভ গাঙ্গুলীর চরিত্র। তোমার কী মনে হয়, ও কতটা ভালো করবে?’
মুম্বাইয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলা প্রশ্ন শুনে বিরক্তি প্রকাশ করেন প্রসেনজিৎ। সাংবাদিককে পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘বাংলায় কথা বলার কী দরকার?’ পরিস্থিতি সামলে নেন রাজকুমার রাও। নিজেই প্রশ্নটির হিন্দি অনুবাদ করে দেন। বাংলা থেকে হিন্দিতে রাজকুমারের তরজমা শুনে হাততালি দিয়ে ওঠেন সবাই। এরপর হিন্দি ও ইংরেজিতে প্রশ্নটির উত্তর দেন প্রসেনজিৎ। এ ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর প্রসেনজিতকে নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়

এই রোজার ঈদে নিজের তৃতীয় সিনেমা নিয়ে আসছেন আফরান নিশো। সত্য ঘটনা অবলম্বনে ‘দম’ নামের সিনেমাটি বানিয়েছেন রেদওয়ান রনি। ঈদের সময় ঘনিয়ে এলেও সিনেমার প্রচার খুব একটা চোখে পড়ছিল না। অবশেষে অফিশিয়াল পোস্টার প্রকাশের মধ্য দিয়ে শুরু হলো দমের আনুষ্ঠানিক প্রচার।
৪ ঘণ্টা আগে
লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনের রঙিন দুনিয়ায় থাকেন চলচ্চিত্রের মানুষেরা। যশ আর খ্যাতি যেন ঘিরে থাকে চারপাশ। শেষ বয়সে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখার অভিজ্ঞতাও হয় অনেকের। বয়স হয়েছে বলে কেউ তাঁদের কাজে নিতে চান না, এমনকি খোঁজখবরও নেন না—সিনিয়র শিল্পীদের মুখে প্রায়ই এমন আক্ষেপের কথা শোনা যায়।
৪ ঘণ্টা আগে
স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় অভিনেতা যাহের আলভীকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। গতকাল রোববার পল্লবী থানায় ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে এই মামলা করেন। গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান।
৪ ঘণ্টা আগে
মধ্যবিত্তের টানাপোড়েনের গল্পে তৈরি হলো বিটিভির এ সপ্তাহের নাটক ‘থাকে তবু ভালোবাসা’। একটি পরিবারকে ঘিরে কাহিনি। অভিনয় করেছেন গোলাম কিবরিয়া তানভীর, নাবিলা ইসলাম, শিশুশিল্পী নাবিহাসহ অনেকে। নাটকের টাইটেল গান লিখেছেন জনি হক। সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন মুরাদ নূর। কণ্ঠ দিয়েছেন সেনিজ।
১৬ ঘণ্টা আগে