
মধ্যপ্রাচ্যের মানুষকে যখন নিজেদের কথা খোলাখুলি বলার সুযোগ দেওয়া হয়, তখন ইসরায়েল, এবং দেশটিকে ঘিরে থাকা পশ্চিমা ঐকমত্য সম্পর্কে একেবারেই ভিন্ন এক চিত্র সামনে আসে। সম্পর্ক ‘স্বাভাবিকীকরণ’ বা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তথাকথিত ‘বোর্ড অব পিসে’ সদস্যপদ—এসব আসলে একধরনের ফাঁকা বুলি মাত্র।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাভোসে তথাকথিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদের সনদে স্বাক্ষর করার পর এক সপ্তাহও পেরোয়নি। এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্য তৃতীয় উপসাগরীয় যুদ্ধের বাস্তব আশঙ্কায় একেবারে উত্তপ্ত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে।

গত বছরের শেষ দিকে ইরানের বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর দেশটি আবারও দেশব্যাপী অস্থিরতার কবলে পড়ে। অর্থনৈতিক চাপ, মুদ্রাস্ফীতি, জ্বালানি সংকট এবং গত জুনের ১২ দিনের যুদ্ধের পর তৈরি হওয়া গভীর রাজনৈতিক অবসাদের এক সংমিশ্রণ থেকে এই অসন্তোষের সূত্রপাত। এই অস্থিরতা মোটেও স্বতঃস্ফূর্ত বা সম্পূর্ণ অপ্র

ইয়েমেনকে ঘিরে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) মধ্যে দ্বন্দ্ব বহুদিন ধরেই নীরবে জ্বলে উঠছিল। তবে ইসরায়েল ও ইউএইর মধ্যকার উদীয়মান জোট এবং বৃহত্তর ঐতিহ্যগত শক্তিগুলোকে দুর্বল করার তাদের অভিন্ন নীতি রিয়াদকে স্বভাববিরুদ্ধভাবে কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য করেছে।