লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে তিন বছরের শিশুকে হত্যা করে ঘরেই মরদেহ পুতে রাখার ঘটনায় সৎ মাকে ১০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্ত নারীর নাম কহিনুর বেগম। তিনি উপজেলার দরবেশপুর ইউনিয়নের উত্তর দরবেশপুর গ্রামের মোবারক হোসেন কুট্টির মেয়ে এবং চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রায়চৌ গ্রামের মিরন মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী। মিরন মিয়া এ হত্যা মামলার বাদী।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লক্ষ্মীপুর জজকোর্টের সরকারি কৌঁসুলি মো. জসিম উদ্দিন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ক্ষিপ্ত হয়ে কহিনুর শিশু আহমেদকে লাথি মারলে সে মারা যায়। পরে মরদেহ বসতঘরে মাটিতে পুঁতে রাখে। আদালতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। মামলার সময় থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন। রায়ের সময়ও তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।’
আদালতের নথি ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মিরন ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে চাকরি করেন। পারিবারিক কলহের জেরে প্রথম স্ত্রী শারমিন আক্তারের সঙ্গে তাঁর বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। নিহত শিশু আহমেদ তাঁর প্রথম পক্ষের ছেলে। কিছুদিন পর মিরন রামগঞ্জের কহিনুরকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর শিশু আহমেদসহ দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে তিনি নিজ এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। ২০২২ সালের ২২ জুলাই স্ত্রী-সন্তানকে রেখে ঢাকায় কর্মস্থলে চলে যান মিরন। পরে ১০ আগস্ট আহমেদকে নিয়ে কহিনুর রামগঞ্জের দরবেশপুরে তাঁর বাবার বাড়িতে চলে যান। সেখান থেকে ২৭ আগস্ট কহিনুর তাঁর স্বামীর বাসায় আসেন। এরপর মিরনকে তিনি জানান, আহমেদকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
একইদিন ঢাকা থেকে ফিরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তিনি ছেলেকে পাননি মিরন। ফলে পরদিন (২৮ আগস্ট) হাজীগঞ্জ থানা-পুলিশকে ঘটনাটি অবহিত করা হয়। এ সময় হাজীগঞ্জ থানা-পুলিশ বাসায় গিয়ে কহিনুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেন।
কহিনুর পুলিশকে জানায়, ২৬ আগস্ট দিবাগত রাত ২টার দিকে পেটে লাথি দিলে আহমেদ মারা যায়। পরে দা দিয়ে খাটের নিচে গর্ত করে তার মরদেহ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়। পরে রামগঞ্জ থানা-পুলিশের সহযোগিতায় ২৯ আগস্ট বিকেলে দরবেশপুর গিয়ে কহিনুরের বাবার বাড়ির শোয়ার ঘরে খাটের নিচে পুঁতে রাখা আহমেদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একইদিন মিরন বাদী হয়ে কহিনুরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। একই বছর ৩০ অক্টোবর রামগঞ্জ থানা-পুলিশ আদালতে আসামি কহিনুরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে তিন বছরের শিশুকে হত্যা করে ঘরেই মরদেহ পুতে রাখার ঘটনায় সৎ মাকে ১০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্ত নারীর নাম কহিনুর বেগম। তিনি উপজেলার দরবেশপুর ইউনিয়নের উত্তর দরবেশপুর গ্রামের মোবারক হোসেন কুট্টির মেয়ে এবং চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রায়চৌ গ্রামের মিরন মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী। মিরন মিয়া এ হত্যা মামলার বাদী।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লক্ষ্মীপুর জজকোর্টের সরকারি কৌঁসুলি মো. জসিম উদ্দিন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ক্ষিপ্ত হয়ে কহিনুর শিশু আহমেদকে লাথি মারলে সে মারা যায়। পরে মরদেহ বসতঘরে মাটিতে পুঁতে রাখে। আদালতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। মামলার সময় থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন। রায়ের সময়ও তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।’
আদালতের নথি ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মিরন ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে চাকরি করেন। পারিবারিক কলহের জেরে প্রথম স্ত্রী শারমিন আক্তারের সঙ্গে তাঁর বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। নিহত শিশু আহমেদ তাঁর প্রথম পক্ষের ছেলে। কিছুদিন পর মিরন রামগঞ্জের কহিনুরকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর শিশু আহমেদসহ দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে তিনি নিজ এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। ২০২২ সালের ২২ জুলাই স্ত্রী-সন্তানকে রেখে ঢাকায় কর্মস্থলে চলে যান মিরন। পরে ১০ আগস্ট আহমেদকে নিয়ে কহিনুর রামগঞ্জের দরবেশপুরে তাঁর বাবার বাড়িতে চলে যান। সেখান থেকে ২৭ আগস্ট কহিনুর তাঁর স্বামীর বাসায় আসেন। এরপর মিরনকে তিনি জানান, আহমেদকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
একইদিন ঢাকা থেকে ফিরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তিনি ছেলেকে পাননি মিরন। ফলে পরদিন (২৮ আগস্ট) হাজীগঞ্জ থানা-পুলিশকে ঘটনাটি অবহিত করা হয়। এ সময় হাজীগঞ্জ থানা-পুলিশ বাসায় গিয়ে কহিনুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেন।
কহিনুর পুলিশকে জানায়, ২৬ আগস্ট দিবাগত রাত ২টার দিকে পেটে লাথি দিলে আহমেদ মারা যায়। পরে দা দিয়ে খাটের নিচে গর্ত করে তার মরদেহ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়। পরে রামগঞ্জ থানা-পুলিশের সহযোগিতায় ২৯ আগস্ট বিকেলে দরবেশপুর গিয়ে কহিনুরের বাবার বাড়ির শোয়ার ঘরে খাটের নিচে পুঁতে রাখা আহমেদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একইদিন মিরন বাদী হয়ে কহিনুরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। একই বছর ৩০ অক্টোবর রামগঞ্জ থানা-পুলিশ আদালতে আসামি কহিনুরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় পুলিশ ক্যাম্পে ডাকাতদের হামলার ঘটনায় ডাকাত দলের প্রধান রিপনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ঢাকা ও গাজীপুর থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ দিন আগেনরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মহসিন মিয়াকে (৪৬) দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
২৪ জুলাই ২০২৫সবার সামনে পিটিয়ে হত্যা, পাথরে শরীর থেঁতলে দেওয়া, নিজের বাড়ির সামনে গুলি করে পায়ের রগ কেটে হত্যা, অস্ত্র দেখিয়ে সর্বস্ব ছিনতাই, চাঁদা না পেয়ে গুলি—এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা কয়েক দিন ধরে বেশ আলোচিত। কিন্তু পুলিশ অনেকটাই নির্বিকার। প্রতিটি ঘটনার সিটিটিভি ফুটেজ থাকলেও সব অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।
১৪ জুলাই ২০২৫এবার রাজধানীর শ্যামলীতে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, মানিব্যাগ, কাঁধের ব্যাগ ও মোবাইল ফোন নেওয়ার পর ছিনতাইকারীরা এক যুবকের পোশাক ও জুতা খুলে নিয়ে গেছে।
১২ জুলাই ২০২৫