ক্ষুব্ধ হয়ে শরিফুল প্রথমে কাঠের বাটাম দিয়ে দাদির মাথায় আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় জামিলাকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টায় সে বাধা দিলে তাকেও বাঁশের খাটিয়া ও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করেন। পরে তাকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে সরিষাখেতের পাশে ধর্ষণ করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যান তিনি।


পাবনার ঈশ্বরদীতে মধ্যরাতে নিজ বাড়িতে দাদি-নাতনি খুনের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শরিফুল ইসলাম শরীফ (৩৫) নামের এক যুবককে আজ রোববার গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

পাবনার ঈশ্বরদীতে চাঞ্চল্যকর দাদি-নাতনি হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দিবাগত রাতে নিহত দাদি সুফিয়া বেগমের মেয়ে মর্জিনা খাতুন ঈশ্বরদী থানায় মামলা করেন।

পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদি–নাতনির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় জড়িতের অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার বিকেলে জেলার পৃথক স্থান থেকে তাদের আটক করা হয়। তবে এখনো হত্যার রহস্যজট খুলতে পারেনি পুলিশ...