
দেশের পুঁজিবাজারে টানা দরপতনে সর্বস্ব হারিয়ে রাস্তায় নেমেছেন ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা। গতকাল লেনদেন শেষে রাজধানীর মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পুরোনো ভবনের সামনে তাঁরা বিক্ষোভ ও কফিন মিছিল করেন।
বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি এস এম ইকবাল হোসেন, মুখপাত্র ও সমন্বয়ক নুরুল ইসলাম মানিক প্রমুখ।
বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের পদত্যাগ দাবি করেন। পাশাপাশি ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদকে অপসারণ করার আহ্বান জানান। তাঁরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
বিনিয়োগকারীরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত দুর্বলতা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার ব্যর্থতা ও আস্থাহীনতার কারণে পুঁজিবাজার আজ গভীর সংকটে। তাঁরা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বাজার থেকে আরও পুঁজি উধাও হয়ে যাবে।

তেলের দাম বাড়ার পেছনে প্রধান কারণ হলো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়া। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের ২০ শতাংশেরও বেশি এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। তেহরানের পক্ষ থেকে জাহাজ চলাচলে সতর্কবার্তা দেওয়ার পর অধিকাংশ বড় তেল কোম্পানি, ট্যাংকার মালিক এবং ট্রেডিং হাউজ এই রুট দিয়ে
৯ ঘণ্টা আগে
জাহাজ ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম মেরিন ট্রাফিকের তথ্যের ভিত্তিতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, অন্তত ১৫০টি বিশালাকার ট্যাংকার এখন হরমুজ প্রণালির বাইরে খোলা সমুদ্রে নোঙর ফেলে অবস্থান করছে। এর মধ্যে অপরিশোধিত তেল এবং এলএনজি বাহী জাহাজের সংখ্যাই বেশি। এ ছাড়া প্রণালির অপর প্রান্তেও কয়েক ডজন জাহাজ স্থির
১৩ ঘণ্টা আগে
তেলসমৃদ্ধ ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। বিশ্ববাজারে তেলের দামে এ ঘটনার বড় ধরনের প্রভাবের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, আগামীকাল সোমবার সপ্তাহের প্রথম দিন বিশ্ববাজারে লেনদেন শুরু হতেই তেলের দাম ৯ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।
১৩ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী বিভাগ সমিতি ঢাকার উদ্যোগে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার বাদ আসর রাজধানীর বিআইএম হলরুমে আনন্দঘন পরিবেশে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ঢাকায় বসবাসরত রাজশাহী বিভাগের আট জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার দেড় শতাধিক মানুষ অংশ নেন।
১৩ ঘণ্টা আগে