দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরে বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট এসেছে উচ্চ প্রত্যাশা ও কঠিন বাস্তবতার সন্ধিক্ষণে। ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেট তাই শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি নতুন সরকারের অর্থনৈতিক ভাবনা, রাজনৈতিক অগ্রাধিকার এবং আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখাও। নির্বাচনের আগে এবং ক্ষমতায় আসার পর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনীতিকে নতুন গতিতে ফেরানোর যে প্রতিশ্রুতি সরকার দিয়েছে, তারই প্রতিফলন দেখা গেছে এই বাজেটে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট হওয়ায় এর রাজনৈতিক গুরুত্বও আলাদা। ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ স্লোগানে উপস্থাপিত বাজেটের মধ্য দিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী একদিকে বিগত দেড় দশকের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন, অন্যদিকে সংস্কার, পুনর্গঠন এবং বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধির নতুন বার্তা দেওয়ারও চেষ্টা করেছেন।
কিন্তু প্রত্যাশার বিপরীতে বাস্তবতা অনেক কঠিন। কারণ, এই বাজেট এমন এক সময়ে এসেছে, যখন উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল ব্যাংকিং খাত, বিনিয়োগের স্থবিরতা, প্রায় এক লাখ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার চাপ এখনো অর্থনীতিকে চাপে রেখেছে। ফলে এই বাজেটের প্রকৃত মূল্যায়ন হবে শুধু ঘোষণায় নয়, বরং আগামী এক বছর সরকার কতটা সফলভাবে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে, তার ওপর।
বাজেটের ভেতরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সরকার অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রাষ্ট্রকে নয়, বেসরকারি খাতকে বসাতে চেয়েছে। কয়েক বছর ধরে দেশে সরকারি ব্যয়নির্ভর প্রবৃদ্ধি অর্থনীতির প্রধান চালিকা শক্তি হয়ে উঠেছিল। কিন্তু নতুন বাজেটে বারবার উঠে এসেছে বেসরকারি বিনিয়োগ, উদ্যোক্তা, উদ্ভাবন, কর্মসংস্থান এবং উৎপাদনশীলতার কথা।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক রূপান্তর, সুযোগের সমতা এবং উদ্যোগ-উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনীতির কথা বলেছেন। অর্থাৎ সরকারের ধারণা হচ্ছে, রাষ্ট্র একা কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারবে না। শিল্প, বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমের মাধ্যমেই অর্থনীতিকে নতুন গতি দিতে হবে। এ কারণেই বাজেটে করছাড়, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, ইলেকট্রিক যানবাহন শিল্প, নতুন শিল্প সুরক্ষা, ফ্রিল্যান্সারদের কর অব্যাহতি, বেসরকারি ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধির মতো নানা পদক্ষেপ রাখা হয়েছে।
এই বাজেটের সবচেয়ে দৃশ্যমান বিষয় হলো অর্থনীতির দুই গুরুত্বপূর্ণ সূচকের ভিন্নমুখী লড়াই। বর্তমানে দেশে সবচেয়ে স্পর্শকাতর ইস্যু হলো মূল্যস্ফীতি। কারণ, সাধারণ মানুষের কাছে প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি বা জিডিপির চেয়ে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ এবং বাসা ভাড়া ও গণপরিবহনের ভাড়ায় সামঞ্জস্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সরকার আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েছে। একই সময়ে ৬.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধিও অর্জন করতে চায়। এখানেই সবচেয়ে বড় নীতিগত চ্যালেঞ্জ।
সাধারণত মূল্যস্ফীতি কমাতে গেলে অর্থনীতিতে চাহিদা কমাতে হয়, ঋণ নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, সরকারি ব্যয় সীমিত রাখতে হয়। অন্যদিকে প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হলে বিনিয়োগ, ঋণপ্রবাহ ও ব্যয় বাড়াতে হয়। অর্থাৎ সরকার একই সঙ্গে গাড়ির ব্রেক এবং অ্যাক্সিলারেটর চাপতে চাইছে।
এটি অসম্ভবও নয়, কিন্তু অত্যন্ত কঠিন। তাই বাজেটে একদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় ৬০টি পণ্যের উৎসে কর কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব এসেছে, অন্যদিকে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর জন্য করের আওতাও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। সরকার আশা করছে, খাদ্যপণ্য ও কৃষিপণ্যের ওপর কর কমানোর ফলে বাজারে মূল্যচাপ কিছুটা কমবে।
কিন্তু অর্থনীতিবিদদের মতে, কর কমানো এবং বাজারমূল্য কমে যাওয়া সব সময় একই জিনিস নয়। মাঝখানে সরবরাহ ব্যবস্থা, বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিযোগিতার প্রশ্নও রয়েছে।
এই বাজেটের সবচেয়ে বড় দ্বৈততা এখানেই। সরকার জনগণকে স্বস্তি দিতে চায়, আবার সরকারকে আয়ও বাড়াতে হবে। কারণ, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেট বাস্তবায়ন করতে বিপুল রাজস্ব প্রয়োজন। ফলে বাজেটে একদিকে দেখা যাচ্ছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর কমানো হয়েছে, অন্যদিকে ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে অধিকতর করজালের মধ্যে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভ্যাট নিবন্ধন ছাড়া ব্যবসায়িক ব্যাংক হিসাব খোলা যাবে না—এ ধরনের পদক্ষেপ মূলত কর নেট সম্প্রসারণের অংশ। ব্যবসার আনুষ্ঠানিকীকরণে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই কৌশলের রাজনৈতিক অর্থও রয়েছে। সরকার সরাসরি ভোক্তার ওপর চাপ কমিয়ে কর সংগ্রহের নতুন উৎস খুঁজতে চাইছে।
আগামী দিনের অর্থনীতির ভিত্তি গড়ে উঠবে শ্রেণিকক্ষ, প্রশিক্ষণকেন্দ্র ও হাসপাতাল থেকে—এমন বার্তাই যেন দিতে চেয়েছে সরকার। তাই এবারের বাজেটে বড় গুরুত্ব পেয়েছে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত। একলাফে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি থেকে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা জিডিপির ২ শতাংশ।
মেয়েদের জন্য অনার্স পর্যন্ত বিনা মূল্যে শিক্ষা, বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য ঋণ, মিড-ডে মিল এবং প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষার উদ্যোগ—এসব পদক্ষেপ দীর্ঘ মেয়াদে মানবসম্পদ উন্নয়নের কৌশল হিসেবে দেখা যায়। একইভাবে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ করে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা করা হয়েছে। ইউনিয়নভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা, ই-হেলথ কার্ড, চিকিৎসক নিয়োগ এবং স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা সাধারণ মানুষের কাছে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, দেশের ইতিহাসে বরাদ্দ বাড়ানো যত সহজ, বাস্তবায়ন তত নয়। অতীতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের বড় অংশ ব্যয়ই করা যায়নি।
বাজেটে গ্রামীণ ভোটব্যাংকের প্রতিও স্পষ্ট নজর দেওয়া হয়েছে। কৃষক কার্ডের আওতায় নগদ সহায়তা, কৃষিঋণ মওকুফ কর্মসূচি, কৃষি প্রণোদনা এবং খাদ্যনিরাপত্তা উদ্যোগগুলো নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তব প্রতিফলন। কৃষক কার্ডধারী প্রান্তিক কৃষকদের বছরে নগদ সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, অর্থমন্ত্রী মনে করছেন, মূল্যস্ফীতির এই সময় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ক্রয়ক্ষমতা রক্ষা করা না গেলে সামগ্রিক অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
ব্যবসায়ী সমাজ সম্ভবত এই বাজেট নিয়ে সবচেয়ে বেশি মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানাবে। একদিকে ব্যবসা সহজীকরণ, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, ইলেকট্রিক যানবাহন শিল্পে কর সুবিধা, ফ্রিল্যান্সারদের কর অব্যাহতি, শিল্প সুরক্ষা এবং স্টিমুলাস প্যাকেজ রয়েছে। অন্যদিকে করজাল সম্প্রসারণ, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং কিছু ক্ষেত্রে শুল্ক বাড়ানোর পদক্ষেপও রয়েছে।
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাজেটের ভাষা ব্যবসাবান্ধব। কিন্তু বিনিয়োগকারীরা ভাষা দেখে বিনিয়োগ করে না। তারা দেখে ব্যাংকঋণ পাবে কি না, জ্বালানি পাবে কি না, ডলার পাবে কি না। এখনো সেই জায়গাগুলোরও নিশ্চয়তা চায়।’
নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম মনে করেন, ‘সরকার বাজেটের মাধ্যমে ব্যবসা সহজীকরণ ও বিনিয়োগের বার্তা দিয়েছে, এটা ইতিবাচক। তবে সেবাদানকারী সংস্থা ও কর প্রশাসন যদি আগের মতো হয়, তাহলে অনেক ভালো উদ্যোগের সুফল নষ্ট হয়ে যেতে পারে।’
এই বাজেটের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি লুকিয়ে আছে ব্যাংকিং খাতে। সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ কিছুটা কমিয়েছে। বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ সচল রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ৬০ হাজার কোটি টাকার স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, খেলাপি ঋণের পাহাড়, দুর্বল সুশাসন এবং মূলধন ঘাটতির বাস্তবতায় ব্যাংক খাত কতটা কার্যকরভাবে এই ভূমিকা পালন করতে পারবে, তার নিয়ে সংশয় রয়েছে। এই বাস্তবতায় অর্থনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ব্যাংক দুর্বল হলে বিনিয়োগ দুর্বল হবে, বিনিয়োগ দুর্বল হলে কর্মসংস্থানও দুর্বল হবে।’
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তফা কে মুজেরীর মতে, বাজেটের আকার নয়; এর অর্থায়ন, রাজস্ব আহরণ এবং বাস্তবায়নই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তাঁর ভাষায়, উন্নয়ন ব্যয় মেটাতে দীর্ঘদিন ঋণের ওপর নির্ভর করা সম্ভব নয়। তাই রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর বিকল্পও নেই। তবে শুধু করহার বৃদ্ধি নয়, কর প্রশাসনের দক্ষতা বাড়ানো, কর ফাঁকি রোধ এবং কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। একই সঙ্গে বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।
সাধারণ মানুষের জন্য বাজেট কতটা স্বস্তি বয়ে আনবে, তা শেষ পর্যন্ত মূল্যস্ফীতি কতটা নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, তার ওপরই নির্ভর করবে বলে মনে করেন মোস্তফা কে মুজেরী।
পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জাইদী সাত্তার বলেন, ‘বাজেটের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো দীর্ঘমেয়াদি মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগ এবং বেসরকারি খাতকে প্রবৃদ্ধির কেন্দ্রে আনার প্রচেষ্টা। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বৃদ্ধির মাধ্যমে সরকার সেই দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করতে চাইছে।’ তবে তিনি মনে করেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনের যে তিনটি লক্ষ্য একসঙ্গে নির্ধারণ করা হয়েছে, সেগুলোর বাস্তবায়ন অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হবে।’
অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে পুরো বাজেটের সারকথা স্পষ্ট। তাঁর ভাষায়, বিগত সময়ের অর্থনৈতিক বিপর্যয়, দুর্নীতি ও লুটপাটের ধ্বংসস্তূপ থেকে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই সরকারের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার রোডম্যাপও তিনি তুলে ধরেছেন।
এই বাজেটকে একবাক্যে সংজ্ঞায়িত করতে হলে বলা যায়, এটি স্বস্তির চেয়ে বেশি পুনর্গঠনের বাজেট, ব্যয়ের চেয়ে বেশি বিনিয়োগের বাজেট, আর জনপ্রিয়তার চেয়ে বেশি সংস্কারের বাজেট।
এখানে জনগণকে তাৎক্ষণিক স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা আছে, কিন্তু সেটি সীমিত। এখানে ব্যবসাকে উৎসাহ দেওয়ার চেষ্টা আছে, কিন্তু তার বিনিময়ে বৃহত্তর করজালও তৈরি করা হচ্ছে। এখানে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বড় ব্যয় আছে, কিন্তু তার অর্থায়নের নিশ্চয়তা এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। এখানে প্রবৃদ্ধির স্বপ্ন আছে, কিন্তু সেই স্বপ্নের পথে মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ঘাটতি, ব্যাংকিং দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মতো বড় বড় বাধাও রয়েছে।
ফলে বিএনপি সরকারের এই মেয়াদের প্রথম বাজেটের প্রকৃত সাফল্য নির্ধারিত হবে সংসদের করতালিতে নয়, বরং আগামী এক বছরে বাজারের চালের দাম, বিনিয়োগের গতি, কর্মসংস্থানের সংখ্যা, ব্যাংকঋণের প্রবাহ এবং মানুষের জীবনযাত্রার মানে কতটা পরিবর্তন আসে, সেই বাস্তব সূচকগুলোতে। সেখানেই এই বাজেটের চূড়ান্ত পরীক্ষা।

ঢাকার কেরানীগঞ্জের একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী প্রতিদিনের আয় থেকে ২০০-৩০০ টাকা করে জমিয়ে মাস শেষে ব্যাংকে রাখেন। রাজশাহীর এক কৃষিশ্রমিক মৌসুম শেষে কয়েক হাজার টাকা সঞ্চয় করে হিসাব খুলতে চান। ময়মনসিংহের এক গৃহকর্মী মেয়ের পড়াশোনার জন্য ছোট একটি ডিপিএস করতে চান।
১ ঘণ্টা আগে
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেনকে ব্যাংকটির প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে...
৫ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ ফুটবলের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে গ্রাহকদের জন্য বিশেষ কুইজ ও রিচার্জভিত্তিক ক্যাম্পেইন নিয়ে এসেছে দেশের জনপ্রিয় মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদ। বিশ্বকাপজুড়ে চলা এই আয়োজনের মাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীরা জিততে পারবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার এবং পেতে পারেন জাতীয় ফুটবল দলের একটি আন্তর্জাতিক...
১০ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ এক বছর বন্ধ থাকার পর আবারও চালু হচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ঢাকা-নারিতা-ঢাকা রুটের ফ্লাইট। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ জোরদার এবং যাত্রীসেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে চলতি মাস থেকেই এ রুটে পুনরায় ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
১১ ঘণ্টা আগে