
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে প্রতি তিন মাস অন্তর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও তথ্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ)। বাজেট ঘাটতি, রাজস্ব আহরণ, খাতভিত্তিক বরাদ্দ ও সামষ্টিক অর্থনীতির ঝুঁকি নিয়ে দলটি বিস্তারিত মূল্যায়ন তুলে ধরেছে।

দীর্ঘদিন ধরে প্রবৃদ্ধিনির্ভর অর্থনীতি থেকে উদ্ভাবন, দক্ষতা, প্রযুক্তি ও টেকসই উন্নয়নভিত্তিক অর্থনীতিতে উত্তরণের কথা বলা হলেও বাস্তবে সে ধরনের উদ্যোগ ছিল সীমিত। এবার সেই পরিবর্তনের বার্তা দিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ১০টি নতুন কর্মসূচি ও তহবিলের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষী’ ও ‘বিদেশি ঋণনির্ভর’ আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বাজেটে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপের ঘাটতি রয়েছে।

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটকে সামগ্রিকভাবে শিল্প, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানবান্ধব হিসেবে বর্ণনা করেছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। তবে সংগঠনটি সতর্ক করে বলেছে, এই বিশাল বাজেট বাস্তবায়ন করা ‘অসম্ভব না হলেও’ উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব আহরণ এবং ব্যাংকিং খাত থেকে...