
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের ফলে বিশ্ববাজারে রুশ জ্বালানির চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন। আজ শুক্রবার ক্রেমলিন এ দাবি করে। এর ঠিক এক দিন আগে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ সাগরে আটকে থাকা রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ভারতকে ৩০ দিনের বিশেষ ছাড় দিয়েছে।
ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত আজ সপ্তম দিনে প্রবেশ করেছে। যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে মোট তেল ও এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিকল্প উৎস হিসেবে রাশিয়ার ওপর নির্ভরতা বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, রাশিয়া সব সময়ই তেল ও গ্যাসের নির্ভরযোগ্য সরবরাহকারী ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তিনি পাইপলাইন এবং এলএনজি—উভয় মাধ্যমেই সরবরাহ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। পেসকভ বলেন, ‘ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে রুশ জ্বালানির চাহিদা বেড়েছে। যেসব দেশের সঙ্গে আমাদের চুক্তি রয়েছে, তাদের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে রাশিয়া সক্ষম।’
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে দিল্লিকে রুশ তেল না কেনার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল ওয়াশিংটন। তবে বর্তমান সংকটে সুর নরম করে যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে সাগরে আটকে থাকা রাশিয়ার তেল খালাসের অনুমতি দিয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের এই ছাড়ের পর ভারত কত পরিমাণ রুশ তেল কিনতে পারে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন পেসকভ।
ইউক্রেনে আগ্রাসনের কারণে রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়াতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত নভেম্বরে রাশিয়ার তেল কোম্পানি লুকঅয়েল ও রোজেনেফটের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। এর প্রভাবে গত জানুয়ারিতে ভারতে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের আমদানি নেমে আসে দৈনিক প্রায় ১১ লাখ ব্যারেলে, যা ২০২২ সালের নভেম্বরের পর সর্বনিম্ন।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম গত দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। কাতারের জ্বালানি মন্ত্রী সাদ আল-কাবি সতর্ক করে বলেছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল ও গ্যাস রপ্তানিকারক দেশগুলো আগামী কয়েক দিনের মধ্যে উৎপাদন বন্ধ করে দিতে পারে। এই ঘোষণার পরই বিশ্ব...
৩ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আবারও নিরাপদ সম্পদ খোঁজার প্রবণতা বেড়েছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে—সংকটের সময়ে ডলার, সরকারি বন্ড নাকি সোনা—কোনটি সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে হতে পারে?
১৭ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুরু হওয়া এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের প্রভাব কেবল সুদূর আরব দেশগুলোতেই সীমাবদ্ধ নেই। বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ও গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোয় অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও।
১৯ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশে তেলের তীব্র সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। এই সংকট ও অতিরিক্ত চাহিদা মোকাবিলায় জ্বালানি তেল সরবরাহের ওপর নির্দিষ্ট সীমা...
২০ ঘণ্টা আগে