
সিলেটে ধেয়ে আসা বৃষ্টিবলয় ‘গোধূলি’র প্রভাবে বজ্রসহ শিলাবৃষ্টি হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে ৮-১০ মিনিটের বজ্রসহ বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে শিলার স্তূপ জমে যায়। গত কয়েক দিনের ভ্যাপসা গরমের পর বৃষ্টিতে নগরবাসী ও আশপাশের মানুষের স্বস্তি এসেছে। তবে কৃষকেরা শিলাবৃষ্টির কারণে তাঁদের ফসল ও আমের মুকুলের ক্ষতির শঙ্কা করছেন।
সিলেটের আবহাওয়া কার্যালয় জানিয়েছে, গতকাল সকাল ৬টা থেকে আজ রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৭১ দশমিক ৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে সিলেটে। আর আজ সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত ১২ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। আজ সিলেটের আবহাওয়া মেঘাচ্ছন্ন দেখা গেছে। বৃষ্টির ভাব থাকলেও আর বৃষ্টি হয়নি।
গতকাল সেহরির সময়ে সিলেটে হঠাৎ করে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এরপরই শুরু হয় শিলাবৃষ্টি। ৮ থেকে ১০ মিনিটের মতো স্থায়ী ছিল এই শিলাবৃষ্টি। এর পরে মুষলধারে বৃষ্টি হলেও আর শিলাবৃষ্টি হয়নি। এই বৃষ্টির কারণে চলতি মৌসুমের ফসল, বিশেষ করে বোরো ধান ও আমের মুকুলের কিছুটা ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকেরা। বৃষ্টিতে সিলেটের চা-বাগানগুলোর উপকার হবে।
সিলেট আবহাওয়া কার্যালয়ের আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব হোসাইন জানান, আগামী চার-পাঁচ দিন সিলেট বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির এই প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। সে সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে।

ভ্রমণপিপাসুদের অন্যতম আকর্ষণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেট। ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ সাত দিনের ছুটিতে পর্যটক বরণের অপেক্ষায় সবুজ চা-বাগান, পাহাড়, ঝরনা, ভেসে আসা পাথর আর স্বচ্ছ জলরাশি। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে আরও অপরূপ সাজে সেজেছে শুষ্ক চা-বাগান, ঝরনা ও পাথরের নদী।
৩ ঘণ্টা আগে
গাজীপুরের শ্রীপুরে দিনদুপুরে শীতলক্ষ্যা নদী তীরের মাটি লুট করে নিয়ে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। ডাম্প ট্রাক ও ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে এসব মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়। সেখান থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাটিখেকো চক্র অনেক প্রভাবশালী। আর প্রশাসনও এদের বিরুদ্ধে কোনো কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
৩ ঘণ্টা আগে
নরসিংদী জেলার আরগীনগর মোড়ে গেলেই প্রথমেই নাকে ভেসে আসে একধরনের তীব্র আঠার গন্ধ। চারপাশে তাকালেই দেখা যায়, বিভিন্ন শিল্পকারখানার বাইরে ছোট ছোট কারিগরদের হাতে তৈরি হচ্ছে জুতা। সেই জুতার আঠার ঘ্রাণই যেন জানান দেয়—এখানে এখনো টিকে আছে ঐতিহ্যবাহী হাতে তৈরি জুতার কারখানা।
৩ ঘণ্টা আগে
এবারের ঈদে সাত দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি-বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। আর ঈদের ছুটিতে বাড়তি পর্যটকের চাপ সামাল দিতে পর্যটননগরী কক্সবাজারে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। রমজানে হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও কটেজগুলোতে কক্ষ ভাড়ায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিয়েও পর্যটক পাওয়া যায়নি।
৫ ঘণ্টা আগে