সিলেটে আবারও কয়েকটি নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। আজ বুধবার সুরমা নদীর সবগুলো পয়েন্টে পানি কয়েক ইঞ্চি বেড়ে গেছে। বেড়েছে কুশিয়ারা ও লোভা নদীর পানিও।
জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ভারী বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়ে নগরের বেশির ভাগ এলাকা। এতে উপশহর, তালতালা, তেররতণ, মির্জা জাঙ্গালসহ কিছু এলাকার ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে যায়। ফলে ওই সব এলাকার বাসিন্দাদের ফের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তবে আজ সকাল থেকে বৃষ্টি হয়নি।
সিলেটে চলমান বন্যার পানি এখনো পুরোপুরি নামেনি। এখনো জেলার বেশির ভাগ এলাকা প্লাবিত অবস্থায় রয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে পানি কমতে শুরু করে। কিন্তু আজ নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। তাই এলাকাবাসীদের মধ্যে আবারও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, সিলেট পয়েন্টে সুরমা নদীর পানি গতকাল সন্ধ্যা ৬টার দিকে ছিল ১০ দশমিক ৫৯ সেন্টিমিটার। আজ দুপুর ১২টায় ছিল ১০ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার। কানাইঘাট পয়েন্টে গতকাল সন্ধ্যায় ছিল ১৩ দশমিক ৩৫ সেন্টিমিটার। আজ দুপুরে হয়েছে ১৩ দশমিক ৬৪ সেন্টিমিটার। বর্তমানে বিপৎসীমার ০ দশমিক ৮৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি বইছে।
কুশিয়ারা নদীর আমলশিদ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১ দশমিক ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শেওলা পয়েন্টেও কুশিয়ারার পানি বিপজ্জনকভাবে বইছে। এখানে বিপৎসীমার ০ দশমিক ৪২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে পানি। কুশিয়ারার পানি শেরপুর পয়েন্টে গতকাল সন্ধ্যায় ছিল ৮ দশমিক ০২ সেন্টিমিটার। আজ দুপুরে হয়েছে ৮ দশমিক ০৩ সেন্টিমিটার। ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে গতকালের মতো আজও পানি ১০ দশমিক ৪৮ সেন্টিমিটারে রয়েছে।
কানাইঘাট দিয়ে বয়ে যাওয়া লোভা নদীর পানি গতকাল সন্ধ্যায় ছিল ১৩ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার। আজ দুপুরে হয়েছে ১৩ দশমিক ৯০ সেন্টিমিটার। পানি বেড়েছে গোয়াইনঘাটের সারি নদেও। এ নদীতে গতকাল সন্ধ্যা ৬টায় পানিসীমা ছিল ১০ দশমিক ৭৮ সেন্টিমিটার। আজ দুপুর ১২টায় হয়েছে ১১ দশমিক ৭৪ সেন্টিমিটার।
পাউবোর সিলেটের উপসহকারী প্রকৌশলী একেএম নিলয় পাশা বলেন, সিলেটের পাশাপাশি উজানেও বৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে নদনদীর পানি বাড়ছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে