সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে এক লাখ ১০ হাজার টাকার মাদকসহ তৃতীয় লিঙ্গের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার তাঁকে সুনামগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে সোমবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ মঙ্গলবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার রেজমান ওরফে তানিশা (২০) মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার শাহাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মালিকের সন্তান। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের লহরী গ্রামে বাস করছিলেন।
জগন্নাথপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সজীব মিয়া জানান, গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে লহরী গ্রামে মাদক বিক্রির গোপন সংবাদে অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারি তানিশাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সময় আরেক মাদক কারবারি পালিয়ে যায়। পরে তানিশার তথ্যমতে তাঁর ঘর থেকে ৩২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৭০০ গ্রাম গাঁজা ও ৭ বোতল মদ জব্দ করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় এক লাখ ১০ হাজার টাকা।
জগন্নাথপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুশংকর পাল বলেন, পুলিশ বাদী হয়ে মাদক আইনে গ্রেপ্তারকৃত ও পলাতক ব্যক্তির নামে মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আজ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে